10 টি উত্তর


যদি রোজাদার ব্যক্তি হস্তমৈথুন করে এবং বীর্যপাত হয় তাহলে তার রোজা ভেঙ্গে যাবে। যেদিন হস্তমৈথুন করেছে তাকে সেদিনের রোজা কাযা করতে হবে। তবে তাকে কাফফারা দিতে হবে না। কারণ কাফফারা শুধু সহবাসের মাধ্যমে রোজা ভঙ্গ করলে সেক্ষেত্রে ফরজ হয়।  তাকে তার কৃতপাপের জন্য তওবা করতে হবে।



কেউ যদি রোজার দিন ইচ্ছাকৃতভাবে হস্তমৈথুন করে এবং বীর্য বের হয় এতে তার রোজা ভেঙ্গে যাবে। যদি এ রোজাটি ফরজ রোজা হয়ে থাকে তাহলে তাকে এ রোজা কাযা করতে হবে এবং আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে। কারণ রোজা রাখা বা রোজা না-রাখা কোন অবস্থাতেই হস্তমৈথুন করা জায়েয নয়। লোকেরা এটাকে কু-অভ্যাস বলে থাকে।



সঙ্গম ব্যতিত অন্য পন্থায় বীর্যপাত- সহবাস ব্যতিত অন্যপন্থায় যদি কোনো রোজাদার যৌনস্বাদ নেয়ার জন্য স্পর্শকাতর কোনো যুবতী যৌবনা নারী সংস্পর্শে আসে; তাকে চুম্বন করে; জড়িয়ে ধরে অথবা হস্তমৈথুন করে ইত্যাদির মাধ্যমে বীর্যপাত ঘটায় তবে তার রোজা ভেঙে যাবে। (সবার জানা উচিত যে, এই কর্মগুলি যেমনিভাবে রোজার মাসে হারাম তেমনিভাবে অন্য সময়গুলোতেও হারাম।)



নিশ্চয়ই ইচ্ছাকৃত ভাবে হস্তমৈথুন করলে রোযা ভেঙে যাবে।এ কাজ থেকে বিরত থাকুন। এটা হচ্ছে সংযোমের মাস। ধন্যবাদ
আপনি যেহেতু ইচ্ছাকৃত ভাবে করেছেন,সেহেতু রোজা ভঙ্গ হবে।
অবশ্যয় ভেঙ্গে যাবে, এই বাজে কাজ করলে বির্য পাত হবে আর বির্য পাত হলে রোনা ভঙ্গ হয়।
কেউ যদি রোজার দিন ইচ্ছাকৃতভাবে হস্তমৈথুন করে এবং বীর্য বের হয় এতে তার রোজা ভেঙ্গে যাবে। যদি এ রোজাটি ফরজ রোজা হয়ে থাকে তাহলে তাকে এ রোজা কাযা করতে হবে এবং আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে। কারণ রোজা রাখা বা রোজা না-রাখা কোন অবস্থাতেই হস্তমৈথুন করা জায়েয নয়। [ফাতাওয়াস শাইখ বিন বায, (১৫/২৬৭)]
হুম রোজা ভেঙ্গে যাবে। রোজা মাসে কেউ ইচ্ছা করে হস্তমৈথুন করে তাহলে তার রোজা হবেনা।
অবশ্যই রোযা ভেঙে যাবে এবং এর কাযা করতে হবে।

হ্যা

রোজার মাসে হস্তমৈথুন করে বীর্জপাত ঘটালে 

আপনার রোজা ভেঙ্গে যাবে ।


আর হস্তমৈথুন থেকে দুরে থাকুন এটি একটি বাজে কাজ এতে রমজানের পবিএতা নস্ট হয়



“যদি রোজাদার ব্যক্তি হস্তমৈথুন করে এবং বীর্যপাত হয় তাহলে তার রোজা ভেঙ্গে যাবে। যেদিন হস্তমৈথুন করেছে তাকে সেদিনের রোজা কাযা করতে হবে। তবে তাকে কাফফারা দিতে হবে না। কারণ কাফফারা শুধু সহবাসের মাধ্যমে রোজা ভঙ্গ করলে সেক্ষেত্রে ফরজ হয়। তাকে তার কৃতপাপের জন্য তওবা করতে হবে।” সমাপ্ত [ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম, পৃষ্ঠা-৪৭৮]

উপরোক্ত হুকুম প্রযোজ্য হবে যদি হস্তমৈথুনের মাধ্যমে বীর্যপাত হয়। আর যদি বীর্যপাত না হয় তাহলে রোজা ভঙ্গ হবে না।

শাইখ উছাইমীন ‘আল-শারহুল মুমতি’ গ্রন্থ (৬/৩৮৮) এ বলেন:

যদি হস্তমৈথুনের মাধ্যমে বীর্যপাত না হয় তাহলে রোজা ভঙ্গ হবে না।

রোজা ভেঙ্গে যাবে ৷

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ