6 টি উত্তর

বিয়ের পরে প্রত্যেক মেয়েকে তার নিজ বাড়ি ছেড়ে শ্বশুরবাড়ি চলে যাওয়া লাগে। আদিবাসী কিছু জাতি ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করলেও বিশ্বের বেশিরভাগ ধর্মে এটাই নিয়ম। বাড়ি ছেড়ে অন্য এক জায়গায় মা-বাবাকে ছাড়া থাকা লাগবে সেকারণেই সকলে কাঁদে। 

আবার বাড়ি কাছাকাছি হলেও কান্না অবশ্যই আসে কারণ নিজের বাড়ি আর অপরিচিত একটা বাড়ি সমান নয়। আর বিয়ের পরে মেয়েদের নিজেদের বাড়ি আর নিজের থাকে না। বিয়ের আগে নিজের বাড়ির প্রতি যতটা অধিকার ছিল বিয়ের পরে আর থাকে না। পূর্বের মত আর কিছু কখনোই হয় না। সেটাও কান্নার কারণ। 
আর যদি বিয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায়, মেয়ের অসম্মতিতে দেওয়া হয় তাহলে তো অবশ্যই কান্না করতেই পারে। কারণ আমাদের অমতে সাধারণ কিছু করলেই আমরা কত রাগ হই। আর বিয়ে তো জীবনের কত বড় একটা বিষয়। সেকারণেই কান্না করে। 
আশা করি ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছেন।
আসলে মায়ার বন্ধন কাটিয়ে বাপের বাড়ি ছেড়ে অন্যের বাড়িতে যাবে তাই আবেগ বশত এমনিতেই তাদের কান্না এসে যায়
সচারচর মানুষ এক পরিবেশেই বেড়ে উঠে ,যখন তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়,  অন্য পরিবেশে খাপ খাওয়াতে সে তা বুঝে উঠতে পারে নাহ এবং ভয় পেয়ে যায়। এছাড়া আপন -জন কে ছেড়ে আসতে কার ভালো লাগে,  তাই তারা কান্না করে নিজেকে সহানুভূতি দেয়

ছোট থেকে বড় হয়েছে যে বাড়িতে সে বাড়ি ত্যাগ করে

বাবা মা ভাই বোন কে ছেড়ে 

অন্য এক অপরিচিত বাড়িতে চলে যাবে 

সেই দুঃখে কান্না চলে আসে 

চলে যায় যদি কেউ বাঁধন ছিড়ে কাদিস কেন মন। ভাংগা গড়া এই জীবনে আছে সর্বক্ষণ। এইযে একটা মায়ার বাঁধন ছেড়ে চলে যায় এজন্য-ই কাঁদে।
ছোট থেকে বড় হয়েছে বাবার বাড়ি এবং অনেক মায়া জড়িয়ে থাকে তাই কান্না এমনি চলে আসে

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ