শিক্ষার্থীদের ফেসবুক কী উপকার উপকার করছে?

শিক্ষার্থীদের ফেসবুক কী উপকার উপকার করছে?
বিভাগ: 

5 টি উত্তর

যে কোন কিছুই আপনি দেখেন না কেন সকলকিছুতে ভালো মন্দ দুটোই আছে।যেমনঃফেসবুক। ফেসবুকের উপকারিতাঃ ১*বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ তথ্য পেতে পারে,যেমনঃআবহাওয়ার পূর্ববাস জানা । ২*কিংবা পোষ্ট করতে পারে। ৩*ফেসবুকে তাদের মতামত প্রদান করতে পারে। ৪*ফেসবুকের বন্ধুদের সাথে সহজেই যোগাযোগ করতে পারে। ৫*ফেসবুকে তথ্য আদান প্রদান দুটোই করা যায়। ৬*তাদের পড়াশোনার বিষয়ে পরামর্শও পেতে পারে। ..........তবে ফেসবুকে ছাত্র ছাত্রীদের কিছু উপকার হলেও ক্ষতিও হয়...........
উপকার থাকলেও ২/১ টা যেমনঃ কোন শিক্ষামূলক পেজ এ লাইক দিয়ে সে পেজের পোষ্ট গুলা পড়া। নানা পত্রিকা পড়া যায়।অনেক খবর খুব সহজে জানা যায়,,, ইত্যাদি। আর অপকার আছে ১০০ টা।যেমনঃ ঘন্টার পর ঘন্টা ফেসবুকে পড়ে থাকা,,,চ্যাটিং নিয়ে ব্যাস্তা থাকা,, নানা প্রকার বাজে জিনিষ এ আসক্ত হয়ে যাওয়া ইত্যাদি। তাই আমার মতে ফেসবুক একাউন্ট থাকা উচিত কিন্ত ব্যাবহার তুলনামূলক কম করা উচিত কারন এটা Study এর উপর প্রভাব ফেলে। যা এক জন ছাত্রের অনেক বড় ক্ষতি সাধন করে থাকে।
বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম হলো ফেসবুক। সেফবুকের ক্ষতির প্রভাব পড়েছে দেশের যুব সমাজে। শিক্ষার্থীদের ফেসবুক উপকারের চেয়ে ক্ষতি-ই বেশি করছে। ফেসবুকে আসক্ত হয়ে অনেক শিক্ষার্থী লেখাপড়ার গুরুত্ব কম করছে। বর্তমানে সামজিক যোগাযোগ ব্যবহারের মাধ্যমে যুব সমাজ শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ছে। লেখাপড়া বাদ দিয়ে রাত জেগে ফেসবুক ব্যবহার করছে। রাত জাগার কারণে স্বাস্থ্য নষ্ট হচ্ছে। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাচ্ছে। এসব কারণে বাবা মায়ের সঙ্গে সন্তানরা ভালো আচরণ করছে না। সামাজিক যোগাযোগ ব্যবহারের মধ্যে অনেকে নেশায় আকৃষ্ট হচ্ছেন। এসব কারণে ফেসবুক ব্যবহারে আমাদের সতর্ক হওয়া উচিত। যাতে করে আমরা সমাজ থেকে হারিয়ে না যাই।
ফেসবুক ছাত্র /ছাত্রীদের যে উপকার করে তা নিম্নে দেওয়া হলো-
  • ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে ইংরেজি অর্থ যানা যায়।
  • নিজের ফ্রেডদের নিয়ে শিক্ষা বিষয়ে বিভিন্ন গ্রুপ খুলে পড়া নিয়ে আলোচনা করা যায়।
  • কোনো পড়ায় সমস্যা হলে তা ফেসবুকে পোষ্ট করে কমেন্টে জেনে নেওয়া যায়।
ফেসবুকের উপকার :(উত্তরের অনেকেই উপকার এর পাশাপাশি অনেক অপকার লিখেছে সেগুলো সত্যই তবে এর পাশাপাশি যে ভালো দিক গুলো আছে তার একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ আমার উত্তরে আমি দেয়ার চেষ্টা করলাম ) 

  • এখন একটি নিউজ যত দ্রুত হেড লাইন হয় তার থেকে দ্রুত তা ফেসবুকে শেয়ার লাইক পেয়ে যায় । লাইভ ভিডিও স্ট্রেমিং করার মাধ্যমে অনেকেই অনেক তথ্য যেমন লোকের সামনে তুলে ধরতে পারেন একই সাথে অন্য স্থানের একজন শিক্ষার্থীকে কোনো কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বিস্তারিত ও বিশাল তথ্য দিতে পারে । সে একই সাথে দেখে ও কমেন্ট করে পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান লাভ করতে পারে এর মধ্যমে 
  • চ্যাট করে সময় নষ্ট করার পাশাপাশি এটা যে একটি আলোচনার বৈঠক খানা হতে পারে তা কারো মাথাতেই আসে না । একটি বিজ্ঞান ক্লাব যেমন স্কুলে খোলা যায় তেমনি একটি বিজ্ঞান চ্যাট গ্রুপ খুলে কোনো সমস্যা বিষয়ে এক সাথে মতামত দিয়ে সমস্যার সমাধান করা যায়। ইংরেজিতে আমরা কাচা । একজন শিক্ষার্থী বাসায় অথবা সঠিক জায়গার অভাবে ইংরেজি তে কথা বলার অনুশীলন করতে পারে না কিন্তু একটি ইংরেজি চ্যাট গ্রুপে চ্যাট করে সে এই সমস্যার সমাধান পেতে পারে । 
  • আজকাল বিভিন্ন পেজ পাওয়া যায় ফেসবুকে যেগুলো বিভিন্ন বিষয়ের হয় এবং সেই বিষয়ে বিভিন্ন সমাধান দিয়ে থাকে । যেমন বিজ্ঞান বিষয়ের কোনো পেজ এ একজন শিক্ষার্থী জানতে পারে জিজ্ঞেস ও করতে পারে । যা সে অন্য জায়গায় এত সহজে করতে পারে না   
  • ফেসবুকে একটা সিস্টেম আছে যার নাম পোল( Poll) এর মাধ্যমে জনমত নির্ণয় করা যায় কোনো বিষয়ে কার বিষয়ে মত আছে সেটি সম্পর্কে জানা যায় । এতে শিক্ষার্থী একই সাথে গণতান্ত্রিক চর্চা করছে আবার কোনো বিষয়ে কার কি রকম মত তা জানতে পারছে ।
  • আবার অনেক গুলো পেজ আছে সেগুলো অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে উৎসাহিত করে একজন শিক্ষার্থীকে । 
পৃথিবীর সব কিছুর ই ভালো দিক আছে আবার খারাপ দিক আছে। এখন আমরা যদি শুধু খারাপ দিকের প্রতি ছুটি তাহলে মনে হবে এই জিনিস টা খারাপ ।আর মানুষ স্বভাব গত ভাবেই খারাপের দিকে বেশি যায় তবে মনোবলকে দৃঢ় রেখে কোনো জিনিসের ভালো দিক গুলো গ্রহণ করলেই একজন শিক্ষার্থীর জীবন সফল হবে । ধন্যবাদ

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ