Share

10 টি উত্তর

হস্তমৈথুন ছাড়ার টিপস হস্তমৈথুন ছাড়ার জন্য আপনকে ধর্য্য ও জিদ রাখতে হবে। আমরা সাধারনত দুপুরসময়টাতে বেশি উত্তেজিত থাকি, তাই এ সময় চেষ্টা করুন বিছানা থেকে দুরে থাকতে। হঠাৎ কোন সময়ে যদি এমন ইচ্ছে হয়, তাহলে সাথে সাথে কোন শারীরিক পরিশ্রমের কাজে লাগে যান। যেমন বুকডন বা অন্য কোন ব্যায়াম করতে পারেন। আর সবচেয়ে ইমপরটেন্ট হচ্ছে, আপনাকে পর্নোগ্রাফি থেকে দুরে থাকতে হবে। কারন এই ধরনের ভিডিও আমাদের এই খারাপ কাজের দিকে ধাবিত করে। তাই যেকোন উপায়ে পর্ণমুভি আর চটি এড়িয়ে চলুন। যেসব ব্যাপার আপনাকে হস্তমৈথুনের দিকে ধাবিত করে, সেগুলো ছুড়ে ফেলুন, সেগুলো থেকে দূরে থাকুন। যদি মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন থেকে সত্যি সত্য মুক্তি পেতে চান তাহলে পর্ণ মুভি বা চটির কালেকশন থাকলে সেগুলো এক্ষুনি নষ্ট করে ফেলুন। ইন্টারনেট ব্যবহারের আগে ব্রাউজারে্র প্যারেন্টাল কন্ট্রোল-এ গিয়ে এডাল্ট কন্টেন্ট ব্লক করে দিন। মেয়েদের দিকে কুনজরে তাকাবেন না। তাদের ব্যাপারে বা দেখলে মন আর দৃষ্টি পবিত্র করে তাকাবেন। যতটা সম্ভব নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখুন। ধৈর্য ধরতে হবে। একদিনেই নেশা থেকে মুক্তি পাবেন, এমন হবে না। একাগ্রতা থাকলে ধীরে ধীরে যে কোন নেশা থেকেই বের হয়ে আসা যায়। মাঝে মাঝে ভুল হয়ে যাবে। তখন হতাশ হয়ে সব ছেড়ে দেবেন না। চেষ্টা করে যান। করতেই থাকুন। যারা বাজে বিষয় নিয়ে বা মেয়েদের নিয়ে বা পর্ণ মুভি বা চটি নিয়ে বেশি আলোচনা করে, তাদেরকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন৷ হস্তমৈথুনে চরম ভাবে এডিক্টেড হলে কখনোই একা থাকবেন না, ঘরে সময় কম কাটাবেন, বাইরে বেশি সময় কাটাবেন। জগিং করতে পারেন, সাইকেল নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন। ছাত্র হলে ক্লাসমেটদের সাথে একসাথে পড়াশুনা করতে পারেন। লাইব্রেরি বা কফি শপে গিয়ে সময় কাটাতে পারেন। বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সবার সাথে বেশি সময় কাটান। ধ্যান বা মেডিটেশন করতে পারেন। যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। নিজের পরিবারের কথা চিন্তা করবেন, আপনার সাথে যারা আছে তাদের কথা ভাববেন। রাতের বেলা হস্তমৈথুন করলে কারো সাথে রুম শেয়ার করুন। বা দরজা জানালা খোলা রেখে আলো জ্বালিয়ে ঘুমান। যখন দেখবেন যে সব চেষ্টা করেও একা একা সফল হতে পারছেন না, তখন বন্ধুবান্ধব, পরিবার, ডাক্তার- এদের সাহায্য নেয়া যায়। এখানে লজ্জার কিছু নাই। কোনদিন করেন নাই, এমন নতুন কিছু ভাল কাজ করার চেষ্টা করুন। গার্লফ্রেণ্ড বা প্রেমিকাদের সাথে শুয়ে শুয়ে, নির্জনে বসে খারাপ প্রেমআলাপ করবেন না। ফোনসেক্স এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন, সামান্য কষ্টের মাধ্যমে নিজেকে একটু কনট্রোল করতে পারলেই আমি সুস্হ হয়ে যাবেন। যদিও ইসলামের দৃষ্টিতে এটি হারাম কাজ, তবে বিজ্ঞান বলে সপ্তাহে ১ বার করা দোষের কিছু না। আমি হস্তমৈথুন ছেড়েছি এর কুফল সম্পর্কে সচেতন হয়ে। মনে রাখবেন মাত্রাতিরিক্ত কোন কিছুই ভাল না। নিজেকে ভালবাসতে শিখুন, ভালোপথে চলুন, নিজের ধর্ম পালন করুন। তাহলেই সব ধরনের খাপার কাজ থেকে দুরে থাক সম্ভব। যদি আপনি নিজেকে ভালবাসেন ও ইসলামকে ভালবাসেন তাহলে আপনাকে এটি ছাড়তেই হবে। নিজেকে সংযত করুন, এবং দৃড় পতিজ্ঞা করুন।
আপনি নজেকে ধোর্য সহকারে রাখুন, দৈনিক নিয়মিত খাবারের,পাশাপাশি বারতি ফলমূল গ্রহন করুন। অবশ্যই কোন হারবাল কিংবা হেমিওপ্যাথি ঔশধ ব্যবহার করতে পারবেননা ( অভিজ্ঞতার সাথে বলছি)। নিজেকে ভালো কাজের সাথে যুক্ত রাখুন। তাহলেই হবে ধন্যবাদ।
হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে Salix nigra Q ঔষধ টি খাবেন। প্রতিদিন ৩ বেলা, ১০ ফোটা করে,খালি পেটে। আশা করি সমাধান হয়ে যাবে।আমারো এমন সমস্যা ছিল।প্রায় ২ বছর হবে একদম অভ্যাস টা ত্যাগ করেছি।
Porn দেখার কারনেই অধিকাংশ মানুষ উওেজিত হয়ে উঠেন এবং বীর্যপাত ঘটান তাই আগে আপনি porn দেখা বাদ দিতে হবে এবং উওেজিত হয়ে উঠলে শারীরিক ব্যায়াম করুন এবং ঐ ধরনের চিন্তা ভাবনা পরিহার করুন। সব সময় স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করুন। আর আপনি যেহেতু একজন মুসলিম ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ুন কেননা নামাজ পড়লে কোন খারাপ চিন্তাভাবনা আসবে না এবং হস্তমৈথুন রোধ করতে পারবেন।
আপনি যৌন চিন্তা থেকে দূরে থাকবেন।সবার সাথে মেলামেশা করবেন।একা একা থাকবেন না।আপনার যখন উওেজনা আসবে তখন হাটাহাটি করবেন,সবার সামনে সামনে থাকবেন।আশা করি আপনার এই অভ্যাস থাকবে না

কোন কোন সময় হস্তমৈথুন বেশি করেন, সেই সময়গুলো চিহ্নিত করুন। বাথরুম বা ঘুমাতে যাওয়ার আগে যদি উত্তেজিত থাকেন, বা হঠাৎ কোনও সময়ে যদি এমন ইচ্ছে হয়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে কোনও শারীরিক পরিশ্রমের কাজে লাগে যান। যেমন ডন বৈঠক বা অন্য কোনও ব্যায়াম করতে পারেন। যতক্ষণ না শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, অর্থাৎ হস্তমৈথুন করার মত আর শক্তি না থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই কাজ বা ব্যায়াম করুন।গোসল করার সময় এমন ইচ্ছে জাগলে শুধু ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন এবং দ্রুত বাথরুম থেকে বেরিয়ে আসুন।যতটা সম্ভব নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখুন।ধৈর্য ধরতে হবে। একদিনেই নেশা থেকে মুক্তি পাবেন, এমন হবে না। একাগ্রতা থাকলে ধীরে ধীরে যে কোন নেশা থেকেই বের হয়ে আসা যায়। মাঝে মাঝে ভুল হয়ে যাবে। তখন হতাশ হয়ে সব ছেড়ে দেবেন না। চেষ্টা করে যান।হস্তমৈথুনে চরমভাবে এডিক্টেড হলে কখনোই একা থাকবেন না, ঘরে সময় কম কাটাবেন না, বাইরে বেশি সময় কাটাবেন। জগিং করতে পারেন, সাইকেল নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন। ছাত্র হলে ক্লাসমেটদের সাথে একসাথে পড়াশুনা করতে পারেন। লাইব্রেরি বা কফি শপে গিয়ে সময় কাটাতে পারেন।সন্ধ্যার সময়ই ঘুমিয়ে পড়বেন না। কিছু করার না থাকলে মুভি দেখুন বা বই পড়ুন।ভিডিও গেম খেলতে পারেন।।সেক্সুয়াল ব্যাপারগুলো একেবারেই এড়িয়ে চলবেন। এধরনের কোনও শব্দ বা মন্তব্য শুনবেন না।ছোট ছোট টার্গেট সেট করুন। ধরুন প্রথম টার্গেট টানা দুইদিন হস্তমৈথুন করবেন না। দুইদিন না করে পারলে ধীরে ধীরে সময় বাড়াবেন।যখন তখন বিছানায় যাবেন না। কোথাও বসলে অন্যদের সঙ্গ নিয়ে বসুন।বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সবার সাথে বেশি সময় কাটান।ধ্যান বা মেডিটেশন করতে পারেন। যোগ ব্যায়াম করতে পারেন।ফোনসেক্স এড়িয়ে চলুন।বিকেলের পরে উত্তেজক ও গুরুপাক খাবার খাবেন না।

পর্ণসাইট গুলো ভিজিট করা একদম বন্ধ করুন। খাবারের প্রতি মনোযোগ দিন ।আর ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলুন। হস্তমেহন মস্তিষ্ক কে বিকৃত করে দেয় ।  এর মাধ্যমে স্থায়ী সেক্সুয়াল প্রবলেম সৃষ্টি হবে যেটা পরে আর সমাধান করা যাবে না। এমনকি আপনি বাবা হবার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলতে পারেন। স্বাভাবিক জীবন যাপন করুন 
  • হস্তমৈথুন বা স্বপ্নদোষ থেকে বাঁচার উপায় (ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্য প্রযোজ্য):
  1. প্রতিদিন প্রতি ওয়াক্ত নামাজের পর সূরা তওবার শেষ দুই আয়াত পড়ে শরীরে ফুঁক দিতে হবে (ইহা একটি পরীক্ষিত আমল)।
  2. কোনো কারনে লিঙ্গ উত্তেজিত হলে হাত বা অন্য কোনো বস্তু দ্বারা স্পর্শ করা যাবে না।
  3. বাজে চিন্তা-ভাবনা, মন্তব্য, কথা-বার্তা বা সঙ্গ পরিত্যাগ করতে হবে।
  4. 'বাংলা চটি গল্প' পড়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
  5. অশ্লীল ইমেজ, মুভি বা ভিডিও দেখা থেকে বিরত থাকতে হবে।
  6. ফেইসবুক, টুইটার বা অন্য কোথাও অশ্লীল কিছু চোখে পড়লে নিজেকে সংযত রাখার চেষ্টা করতে হবে।
  7. বেগানা পুরুষ বা বেগানা নারীর দিকে তাকানো যাবে না।
  8. অশ্লীলতার ধারে কাছেও যাওয়া যাবে না।
  9. উলঙ্গ হয়ে গোসল করা যাবে না।
  10. শরীর ও মন পবিত্র রাখা প্রয়োজন।
  11. চিত্‍ হয়ে শোয়া যাবে না, ডান দিকে কাত হয়ে শুতে হবে।
  12. সর্বদা আল্লাহ্'র প্রতি ভয় রাখতে হবে।
  13. নাচ-গান বা রঙ-তামাশা থেকে বিরত থাকতে হবে।
  14. সবসময় 'লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লাহ্ বিল্লাহ্' পাঠ করতে হবে।
  15. সর্বোপরি যেহেতু এটি একটি হারাম কাজ, তাই এটি থেকে বাঁচার ইচ্ছাশক্তি দৃঢ় করতে হবে। তবেই হারাম থেকে বাঁচতে আল্লাহ্ সাহায্য করবে।
  16. আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আমিন। ধন্যবাদ।
১/আল্লাহ কে ভয় করেন।কারণ এগুলো ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। মারাত্মক গুনাহের কাজ।আখেরাতে কঠোর শাস্তি আছে। ২/পাঁচওয়াক্ত  নামাজ পড়েন। ৩/বন্ধুদের সাথে মিলেমিশে থাকেন। যেকোন কাজে ব্যস্ত থাকেন। আর রাতে আয়াতুল কুরসি পড়ে বুকে ফুঁক দিবেন। 
প্রণগ্রফি দেখা বন্ধ করুন ধমিয় অনুশাসন মেনে চলুন আর নিজের ইচ্ছা শক্তিই সবচেয়ে বর বেয়াপার হস্তমৈথন করবে ত মরবে

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ