শরীর সুস্হ ও নীরোগ রাখার উপায়গুলো কি কি?

শরীর সুস্হ ও নীরোগ রাখার উপায়গুলো কি কি?
বিভাগ: 

2 টি উত্তর

শরীর হচ্ছে সব কিছুর মূল এটি অসুস্থ থাকলে মন খারাপ থাকে কাজে অনিহা তৈরি হয় জীবন কষ্টকর হয়ে উঠে তাই জীবন কে সুন্দর সুখীময় রাখতে শরীর সুস্থ থাকা একান্ত অত্যাবশ্যক আর এর জন্য আপনার করণীয় তালিকা বিশাল । তন্মধ্যে সামান্য কিছু তুলে ধরার প্রয়াস আমার : 

  • পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা :  নিয়মতি গোসল করা , সাবান ব্যবহার করা , পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশে বাস করা । নিজের ও চারপাশ পরিষ্কার রাখা। মানসম্মত পরিবেশ,পায়খানা ব্যবহার করা । 
  • খাদ্য গ্রহণ:পরিমিত এবং বিশুদ্ধ খাবার খাওয়া । বাসি পঁচা খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা । সুষম পরিমাণে খাদ্য গ্রহণ করা । ভেজাল খাদ্য , ফলমালিন মেশানো খাবার গ্রহণে সতর্ক থাকা । 
  • নিয়মিত খেলাধুলা ও ব্যায়াম: শরীর সুস্থ রাখার জন্য ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই । যা খেলাধুলার মাধ্যমে অর্জিত হয় । প্রতিদিন খেলা ধুলা করা । সর্বনিম্ন 30 মিনিট করি প্রতিদিন কিছু ব্যায়াম করা । এছাড়া হাটা,সাতার কাটা,সাইকেলিং বা ঘুরতে যাওয়া । 
  • সঠিক বিনোদন ও বিশ্রাম: শরীরের সাথে মনের সম্পর্ক । তাই নিয়মিত বিনোদনের একান্ত প্রয়োজন না হলে এক ঘেয়েমিতা তৈরি হবে যা মানসিক সমস্যা তৈরি করবে। শরীর বিসাদগ্রস্থ হয়ে পড়বে । এই জন্য সুন্দর মানসম্মত ছবি দেখা, খেলাধুলা উপভোগ করা , ঘুরে যাওয়া, বনভোজন,শিক্ষা সফর,বিতর্ক অনুষ্ঠান ইত্যাদি । এবং শরীর এক নাগারে কাজ করার ফলে ক্লান্ত হয়ে পড়ে এর জন্য বিশ্রামের একান্ত প্রয়োজন । তাই প্রতিদিন সঠিক পরিমাণে ঘুমানো। রাত না জাগা। রাতে বেশি রাত করে জেগে ফোন বা কম্পিউটার ব্যবহার না করা । সঠিক নিয়মে জীবনের প্রতিটিদিন অতিবাহিত করা । 
  • খারাপ অভ্যাস ত্যাগ: নেশা জাতীয় সকল প্রকার খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে থাকা । এগুলোর কারণে শরীরে বাসা বাধে ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ, ব্রঙ্কাইটিস,ফুসফুসের প্রদাহ,ডাইবেটিস আরো নানা ধরণের মরণ ব্যাধি রোগ । এগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে । এছাড়া নানা ধরণের খারাপ অভ্যাস যেমন খাওয়ার সময় কাচা লবণ খাওয়া উচ্চ রক্তচাপ সৃষ্টির কারণ। তাই খারাপ অভ্যাস পরিত্যাগ করা  
  • ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা: ধর্ম মানুষকে সুখময় জীবন ও রোগমুক্ত জীবন পেতে সাহায্য করে । ধর্মীয় অনুশাসন পালনের মাধ্যমে রোগমুক্ত সুস্থ শরীর লাভ করা যায় । 
আশা করি আমি আপনাকে সুস্থ থাকার কয়েকটি উপায় বলে সামান্য পরিমাণে হলেও সাহায্য করতে পেরেছি । ধন্যবাদ আপনাকে । 

◆শরীর সুস্থ ও নীরোগ রাখার ১০০ উপায়:
১★বয়স এবং শরীরের ক্ষমতা অনুযায়ী সহজপ্রাচ্য, পুষ্টিকর ও লঘু খাদ্য খাওয়া উচিত।
২★খাবারের অন্তত আধঘন্টা পর পানি পান করা উচিত।
৩★পেটের রোগ থাকলে সামান্য উষ্ণ কিছুটা পানি পান করা উচিত।
৪★বৃদ্ধ বয়সে খাদ্যের পরিমান কমানো উচিত।
৫★সব থেকে ভালো পানি ফুটিয়ে ঠান্ডা করে খাওয়া।
৬★যেই ঘরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ মুক্ত বায়ু চলাচল করতে পারে, সেই ঘরে বসবাস করা উচিত।
৭★প্রতিদিন কিছুক্ষণ রোদে থাকলে দেহ সুস্হ ও নীরোগ থাকে।
৮★ভোরবেলা ভ্রমন করা সবচেয়ে ভালো ব্যায়াম।
৯★গায়ে হলুদ বা সরষের তেল মেখে গোসল করা উচিত।
১০★গোসলের পানিতে সামান্য লবণ মেশানো উচিত।
১১★গা-হাত-পা ভালো করে রগড়ে গোসল করা কর্তব্য।
১২★প্রত্যেক সুস্হ মানুষের প্রতিদিন ৬-৮ ঘন্টা ঘুমানো উচিত। রাতজাগা ক্ষতিকর।
১৩★শিশু ও রোগী ছাড়া দিনে ঘুমানো উচিত নয়।
১৪★বমির ভাব হলে কয়েক ফোঁটা পেঁয়াজের রস সামান্য গরম পানিতে মিশিয়ে খাওয়া উচিত।
১৫★রোগীর ঘুম ভাঙ্গানো উচিত নয়।
১৬★হঠাত্‍ করে গরম থেকে ঠান্ডায় বা ঠান্ডা থেকে গরমে যাওয়া উচিত নয়।
১৭★মলমূত্রের বেগ আটকে রাখা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক।
১৮★কোন রোগীর ব্যবহার করা জিনিস বা আসবাবপত্র ব্যবহার করা ঠিক নয়।
১৯★'মরিচাদি তেল' লাগালে মুখের যেকোন কালো দাগ বা চোখের কোণের কালো দাগ উঠে যায়।
২০★রোগীর পোশাক ও বিছানা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হওয়া উচিত এবং মাঝে মাঝে রোদে দেওয়া উচিত।
২১★শিশুদের দিনে ৪-৫ বার এবং অন্যদের সকাল ও সন্ধায় ২ বার মল পরিত্যাগ করা উচিত।
২২★সুস্হ মানুষের দিনে ৪-৬ বার প্রসাব করা উচিত।
২৩★স্বাভাবিক ঘাম বেরনোকে কোনভাবেই বন্ধ করা উচিত নয়। বাতাস লেগে ঘাম গায়ে শুকানো ঠিক নয়।
২৪★কোন মানসিক চাপের মধ্যে থাকা চলবে না।
২৫★টয়লেট রুচিসম্মত হতে হবে।
২৬★জ্বর হলে ডাল বা সবজি দিয়ে আটার রুটি, দুধ ও নানা রকম ফল খাওয়া উচিত।
২৭★কায়িক পরিশ্রম করা উচিত।
২৮★অতিরিক্ত তেলেভাজা বা মশলাযুক্ত খাদ্য পরিহার করা উচিত।
২৯★পেট কখনো খালি রাখা ঠিক নয়।
৩০★অসময়ে ভোজন, বেশি ভোজন বা অনভ্যস্ত দ্রব্য খাওয়া পরিহার করা উচিত।
৩১★চিত্‍কার, বক্তৃতা বা কোন কারনে স্বর ভেঙ্গে গেলে সামান্য হলুদের গুঁড়া ও চিনি ১ গ্লাস সামান্য গরম পানিতে মিশিয়ে খাওয়া উচিত।
৩২★ব্রণ হলে ঠান্ডা জাতীয় খাদ্য এবং মিছরীর সরবত খাওয়া উচিত। শিমুলের ছাল বেঁটে ব্রণের ওপর লাগালে ব্রণ সেরে যায়।
৩৩★অল্প আলোতে পড়াশুনা করা অথবা জোরালো আলোর দিকে বেশিক্ষণ চেয়ে থাকা ঠিক নয়।
৩৪★উপবাস, অতিরিক্ত ব্যায়াম বা পরিশ্রম শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক।
৩৫★উচ্চস্বরে বা চিত্‍কার করে কথা বলা পরিহার করা উচিত।
৩৬★মানসিক উত্তেজনা এড়িয়ে চলা উচিত।
৩৭★উবু হয়ে বসা বা গালে হাত দিয়ে বসা ঠিক নয়।
৩৮★কোঁথা দিয়ে মল পরিত্যাগ করা উচিত নয়।
৩৯★অতিরিক্ত ঘুম বা দিবানিদ্রা, কুসংসর্গ বা কুরুচিপূর্ণ বই পড়া পরিহার করা উচিত।
৪০★শরীর ও মন পবিত্র রাখা প্রয়োজন।
৪১★মাছ, মাংস ও দুধ একসাথে খাওয়া ঠিক নয়।
৪২★রাতের বেলা দই খাওয়া পরিহার করা উচিত।
৪৩★চৈত্র মাসে গুঁড় বা মিষ্টি না খাওয়াই ভালো।
৪৪★সূর্য বা চন্দ্রগ্রহণ যতক্ষণ থাকে, ততক্ষণ কোন খাবার খাওয়া উচিত নয়।
৪৫★কার্তিক মাসে অতি অল্প খেতে হয় অর্থাত্‍ যত কম খেলে চলে।
৪৬★চৈত্র, বৈশাখ ও কার্তিক মাসে মাছ না খাওয়াই ভালো।
৪৭★পৌষ মাসে অন্যান্য মাসের চেয়ে খাদ্য বেশি খাওয়া উচিত।
৪৮★পূর্ণিমা বা অমাবস্যাতে মাছ, মাংস ও ভাত না খাওয়াই ভালো। আটার রুটি বা ফল খাওয়া উচিত।
৪৯★মুড়ি বা মধু খেলে পানি খেতে নেই।
৫০★তাল ও কলা, কলা ও গুঁড় অথবা চিনি ও বাতাসা একসাথে খাওয়া ঠিক নয়।

https://free.facebook.com/badshahniazulhasanjewel/about?lst=100007432598691%3A100007432598691%3A1530793779&refid=17