4 টি উত্তর

বৈজ্ঞানিক যুক্তির সীমাবদ্ধতা নেই। বিজ্ঞান বিশ্বাস করে সবকিছু প্রাকৃতিক ভাবে সৃষ্টি হয়েছে।  (তাই যদি হবে তাহল প্রক়ৃতি কে সৃষ্টি করেছে?)
অনেক কষ্ট করে সংগ্রহ করে আনলাম। আমি বিবর্তনের মতবাদ নিয়ে কথা বলার আগে আপনাদের মতবাদ সম্পর্কে কিছু কথা বলবো। মতবাদ কি? যখন বিজ্ঞানের সূত্র ব্যবহার করে কোন নিয়ম বা ঘটনা দাড় করানো হয়। যে ঘটনাকে বৈজ্ঞানিকভাবে সম্পূর্ণভাবে সঠিক বা ভুল প্রমাণ করা যায় না সেটাই হচ্ছে মতবাদ। যখন এই মতবাদ সম্পূর্ণভাবে সঠিক প্রমাণ করা হয় তখন সেটা হয়ে যায় আবিষ্কার। আর যদি তা ভুল প্রমাণ হয় তখন সেটা বিলুপ্ত হয়ে যায়। কিন্তু আশ্চর্য ব্যপার হচ্ছে, আমরা অনেকে মনে করি মতবাদ হচ্ছে বিজ্ঞানভিত্তিকভাবে প্রমানিত একটি প্রকৃত সত্য। আর একথা ভেবেই তারা অন্ধের মত এইসব মতবাদে বিশ্বাস করে। বিবর্তনের মতবাদ অনুযায়ী সৃষ্টির ইতিহাস সংক্ষেপে বিবর্তনের মতবাদ কিছুটা এরকমঃ প্রায় দুই হাজার কোটি বছর আগে বিগ-ব্যাং এর মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়। প্রায় ৪৬০ কোটি বছর আগে পৃথিবী তার আকার ধারন করে এবং ধীরে ধীরে শীতল হতে থাকে। এরপর পৃথিবীর স্থলভাগের উপরে কোটি কোটি বছর ধরে বৃষ্টি হতে থাকে এবং আস্তে আস্তে এই পাথর গলতে শুরু করে। এরপর প্রায় ৩০০ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে প্রথম প্রাণের সৃষ্টি হয়। এরপর এই প্রাণী কোটি কোটি বছর ধরে বিবর্তিত হতে থাকে এবং বিভিন্ন প্রাণীতে পরিনত হয়। প্রায় ২ থেকে ৪ লক্ষ বছর আগে বানরের বিবর্তন হয়ে মানুষ সৃষ্টি হয়। এটা হচ্ছে বিজ্ঞানের মতবাদ। বিজ্ঞান কখনো প্রমাণ করতে পারে নি যে তাদের কথা সঠিক নাকি ভুল। তারা এটা কখনো সঠিক ভাবে বলেনি। এটা তাদের ধারণা মাত্র। সুতারং, আমরা কেনো বিজ্ঞানের এই মতবাদ বিশ্বাস করবো? আর হ্যা, বিজ্ঞান কখনো আমাদের সৃষ্টিকর্তা নেই এটা কখনো সুস্পষ্ট ভাবে বলে নি।
বৈজ্ঞানিক যুক্তি অনুসারে আমাদের কোনো সৃষ্টিকর্তা নেই বলে মনে করা হয়। বিগ ব্যাংএর মাধ্যমে একটি বিন্দু থেকে সকল কিছু সৃষ্টি হয়েছে। আগুন ঠান্ডা হতে হতে মাটিতে রূপ নিয়েছে। আশ্চর্যভাবে প্রোটোপ্লাজম থেকে অ্যামিবার সৃষ্টি হয়েছে এবং বিবর্তনের মাধ্যমে আমরা এসেছি।  কিন্তু বিগ ব্যাংএর আগে কি ছিল সে বিষয়ে বিজ্ঞান কোনো যুক্তি দেখাতে পারে নি। কয়েকজন বিজ্ঞানী বিভিন্ন ধর্ম গ্রন্থ ও বিজ্ঞানের সমন্বয় ঘটানোর চেষ্টা করে সৃষ্টিকর্তা আসলে আছে কি না তা বের করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তাতে সফলতা আসে নি।
বিজ্ঞানের higher concept গুলো বুঝতে হলে এর সবগুলো শাখায় পাণ্ডিত্য থাকা লাগে। সাধারণ মানুষ যখন এর আংশিক বা ৯০% এর সাথেও পরিচিত হয় কিন্তু একটা ছোট্ট গুরুত্বপূর্ণ অংশ মিস করে যায় তখন যথেষ্ট চান্স থাকে যে সে সম্পূর্ণ ভুল কিংবা আংশিক ভুল মতবাদে বিশ্বাস স্থাপন করে বসবে। আপনার প্রশ্নের সবচেয়ে নিকটবর্তী উত্তর এই যে, বিজ্ঞান এখনো একাধিক মতবাদে বিশ্বাস করে যেগুলোর বৈশিষ্ট্য মানুষের আধ্যাত্মিক বিশ্বাসের সাথে মিলে যায়। বিস্তারিত বলছিনা, বা বলেও লাভ নেই। তবে যখন আপনার মনে হবে যে বিগ ব্যাং এবং রিলেটিভিটি সম্পর্কে বোঝার মতো যথেষ্ট জ্ঞান আছে তখন এগুলোর গভীরে গিয়ে Higher Energy এবং Timeless relativity (নামটা হয়তো অন্যকিছু, ঠিক মনে করতে পারছিনা) সম্পর্কে জানবেন।

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ