খেয়া-পারের তরণী

খেয়া-পারের তরণী
বিভাগ: 
Share

1 টি উত্তর

যাত্রীরা রাত্তিরে হতে এল খেয়া পার, বজ্রেরি তূর্যে এ গর্জেছে কে আবার? প্রলয়েরি আহ্বান ধ্বনিল কে বিষাণে! ঝন্‌ঝা ও ঘন দেয়া স্বনিল রে ঈশানে! নাচে পাপ-সিন্ধুতে তুঙ্গ তরঙ্গ! মৃত্যুর মহানিশা রুদ্র উলঙ্গ! নিঃশেষে নিশাচর গ্রাসে মহাবিশ্বে, ত্রাসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে। তমসাবৃতা ঘোরা ‘কিয়ামত’ রাত্রি, খেয়া-পারে আশা নাই ডুবিল রে যাত্রী! দমকি দমকি দেয়া হাঁকে কাঁপে দামিনী, শিঙ্গার হুঙ্কারে থরথর যামিনী! লঙ্ঘি এ সিন্ধুরে প্রলয়ের নৃত্যে ওগো কার তরী ধায় নির্ভীক চিত্তে– অবহেলি জলধির ভৈরব গর্জন প্রলয়ের ডঙ্কার ওঙ্কার তর্জন! পুণ্য-পথের এ যে যাত্রীরা নিষ্পাপ, ধর্মেরি বর্মে সু-রক্ষিত দিল্ সাফ! নহে এরা শঙ্কিত বজ্র নিপাতেও কাণ্ডারী আহ্‌মদ তরী ভরা পাথেয়। আবুবকর উস্‌মান উমর আলি হায়দর দাঁড়ি যে এ তরণীর, নাই ওরে নাই ডর! কাণ্ডারী এ তরীর পাকা মাঝি মাল্লা, দাঁড়ি-মুখে সারি-গান –লা-শরিক আল্লাহ! ‘শাফায়ত’-পাল-বাঁধা তরণীর মাস্তুল, ‘জান্নাত্’ হতে ফেলে হুরি রাশ্ রাশ্ ফুল। শিরে নত স্নেহ-আঁখি মঙ্গল দাত্রী, গাও জোরে সারি-গান ও-পারের যাত্রী। বৃথা ত্রাসে প্রলয়ের সিন্ধু ও দেয়া-ভার, ঐ হলো পুণ্যের যাত্রীরা খেয়া পার। ————————– আহমদ– মোহাম্মদ (সা)। লা-শরিক আল্লাহ– ঈশ্বর ভিন্ন অন্য কেহ উপাস্য নাই। শাফায়ত– পরিত্রাণ জান্নাত– স্বর্গ

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ