কোন ধর্ম সঠিক? পৃথিবীতে কোনো শিশু জন্মগ্রহন করেন.. নিস্পাপ হয়ে..এর পর যখন সে বুঝতে শিখে তখন তার বাবা-মা পরিবার যে ধর্ম পালন করে,,সে সে ধর্মই বিশ্বাস করে.. যেন একজন খৃষ্ঠান পরিবারে জন্মালে সে খৃষ্ঠান হয়.হিন্দু পরিবারে হলে হিন্দু,, মুসলিম পরিবারে জন্মালে মুসলমান..এবং প্রত্যেক ধর্ম/ধর্মগ্রন্হকে প্রত্যক ধর্ম সত্যদাবী করে...তখন যে হিন্দু সে মনে করে হিন্দু ধর্ম একমাএ সত্য ধর্ম..আর বাকি সব মিথ্যা..একজন মুসলিম মনে করে তার ধর্মই একমাএ সত্য আর বাকি সব মিথ্যা ভূল..খৃষ্ঠান ও একই মনে করে বৌদ্ধরাও একই মনে করে...পৃথিবী আরো ৪৫০০ ধর্মাবলম্বিরা তাদের ধর্মই সত্য এটা মনে করে থাকে...সব ধর্মই যদি সত্য হয় তবে মিথ্যা কোনটা আর সত্য কোনটা...এখন মুসলমান রা বলবে ইসলাম সত্য কেননা সে ছোটবেলা থেকেই ইসলাম ধর্ম পালন করে আসছে জেনে আসছে ইসলামই সত্য.. আবার হিন্দুরা ঠিক একই মনে করবে..বৌদ্ধ.খৃষ্ঠান.. যারা যেটা ছোটবেলা থেকে শুনে আসছে শিখে আসছে সেটাই সঠিক..। তবে একটা শিশুকে যদি কোন এক নির্যন জায়গায় দেওয়া হয় তখন সে কোন ধর্ম অবলম্বন করবে কেউ কি বলতে পারবেন..?
8 টি উত্তর
এমন প্রশ্ন সবার মনেই থাকে কিন্তু সঠিক উত্তর বই পুস্তকে দেওয়া আছে। ইসলাম ধর্মে কুরআনে বলা হয়েছে কেউ কুরআনের সমকক্ষ কোন সূরা তৈরি করতে পারবে না কারন এটা আল্লাহর নিজের বানী। এই চেলেঞ্জ কেউ মোকাবিলা করতে পারেনি। কাফেরদের মধ্যে অনেক কবি ছিল সবাই অপারগ সিকার করে নিয়েছে। আর ইসলাম ধর্মের মত শান্তির ধর্ম আর নেই। এবার হিন্দু বা সনাতন। এখানে আপনি দেখবেন তারা মাটি দিয়ে ঠাকুর তৈরি করে পূজা করছে। কিন্তু সামান্য বৃষ্ট বা বাতাস থেকে তারা নিজেদের রক্ষা করতে পারবেনা। আর হিন্দুদের দেবতা বা ঠাকুর অনেক আর যেখান। আপনি লক্ষ্য করলে দেখবেন লক্ষ্যনের বৌকে তার আরেকজন সহযোগি অপহরন করছিল সেটা নিয়ে যুদ্ধের কথা মহাভারতে রয়েছে। দেখুন ঠাকুররা যদি নিজেরা নিজেদের রক্ষা করতে নাপারে তাহলে মানবেন কিভাবে তাদের? আর একজন ছাড়া এই পমথিবী চালানো সম্ভব না কেউ বলবে আজ সূর্য পশ্চিম দিকে উঠবে কেউ বলবে উত্তর। ঝগরা বাধবে। আর আমাদের ইসলাম ধর্মে আল্লাহ বিবাহ করেন নি বা তারসন্তান নেই। সেই হিসেবে ইসলাম ধর্মই উপযুক্ত ধর্ম।
পৃথিবীর অন্যতম জটিল প্রশ্নের মধ্যে এটি একটি প্রশ্ন যে প্রকৃতপক্ষে সঠিক ধর্ম কোনটি। আপনি যা বলেছেন যে যে যার ধর্মকে সঠিক মনে করে। আসলে সেটা নয়। সকলেরই মনে জীবনে একবার হলেও প্রশ্ন আসে যে আমার ধর্মটি সঠিক তো! পৃথিবীর সব ধর্মের প্রয়োজন নেই। ৪-৫ টি ধর্মের ধর্মগ্রন্থ আপনি পাঠ করে দেখুন। বর্তমানে অনুবাদ পাওয়া তেমন কঠিন কিছু নয়। আমার ব্যক্তিগতভাবে ওরকমই কয়েকটির পড়া আছে। পড়ে আপনিই বাস্তবতার সাথে মিলিয়ে দেখুন।কোনটি যৌক্তিক, কোনটি অযৌক্তিক এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পেতে সবচেয়ে কার্যকরী উপায় এটি।  যদি সত্যিই সঠিকভাবে পাঠ করেন তাহলে কিছু ধর্ম পাবেন পুরোটাই ভিত্তিহীন। কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না হেনেই বলি যে হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মের মধ্যকার মিল থেকে বোঝা যায় যেকোনো একটি অন্যটির বিকৃত রূপ। আর এর ভিত্তি তেমন একটা পোক্ত নয়।  ইহুদী ও খ্রিষ্টান ধর্মের মিল তো ইসলামের সাথেই। ঠিকভাবে দেখলে বুঝবেন যে এ দুটি ধর্মের কথা তো কুরআনেই আছে। তাওরাত ও ইনজিলকে বিকৃত করে সৃষ্টি হয়েছে এ ধর্ম দুটি। ঈসা(আ) এর ঘটনা আসল কোনটি তা আমরা জানি। কিন্তু তারা সে ঘটনাটাকে বুঝতে ভুল করেই নতুন ধর্ম সৃষ্টি করে ফেলেছে।  অনেক কথা বলে ফেললাম। আসলে প্রশ্নটি চোখে পড়ায় উত্তর দেবার লোভ সামলাতে পারলাম না। উত্তরটা বিস্ময়ের সবার উদ্দেশ্যে লিখলাম। যদি কেউ আসলে ধর্মগ্রন্থ পাঠ করেন তাহলে আমার কথাগুলি যে সত্য সেটা বুঝতে পারবেন। এত কথা বলায় নিশ্চয়ই সত্য ধর্ম কোনটা তা বুঝেই গিয়েছেন। 
গুরু ছাড়া সঠিক ধর্মমত দেয়ার মত কেউ নেই আর,কিছু নেই। তাই গুরুকরণ, গুরুভজন করেন।
যখন একটা শিশু জন্মগ্রহন করেন তখন সে নিষ্পাপ হয়েই পৃথিবীতে আসে। এরপর যখন সে বুঝতে শিখে তখন তার বাবা-মা পরিবার যে ধর্ম পালন করে সে সে ধর্ম-ই বিশ্বাস করে যে এটাই সঠিক ধর্ম। অথচ সে এতদূর জানেনা তাদের পিতৃপুরুষরা সঠিক পথপ্রাপ্ত ছিলনা। আল্লাহর বানীঃ যখন তাদেরকে বলা হয় যে, আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান এবং রাসূলের দিকে এসো, তখন তারা বলে, আমাদের জন্যে তাই যথেষ্ট, যার উপর আমরা আমাদের বাপ-দাদাকে পেয়েছি। (সুরা মায়েদা আয়াত ১০৪) তাদেরকে যখন বলা হয় আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন তার দিকে ও রাসূলের দিকে এসো তখন তারা বলে, আমরা আমাদের পিতৃপুরুষকে যা করতে দেখেছি যে পথ এবং পন্থা অবলম্বন করতে দেখেছি আমাদের জন্য তাই যথেষ্ট। যদিও তাদের পিতৃপুরুষরা কিছুই জানত না এবং সঠিক পথপ্রাপ্ত ছিল না তবুও কি তারা তাদের পথেই চলবে? (তাফসির ইবনে কাসীর) এখন আপনিই বলুন কোন ধর্ম সঠিক?
তখন সে কোন ধর্মের অনুসরণ করবে না।বরং সে মার যাবে খাদ্যের অভাবে।
সব ধর্ম গ্রহণ গ্রন্থ পড়ুন,,, বিচার করুন,,, পেয়ে যাবেন।
পৃথিবীতে এখন থেকে ১৪০০ বছর পূর্বের মহাগ্রন্থ আল কোরআন যার ১টা আয়াতও আজ পর্যন্ত কোন বিজ্ঞানী অস্বীকার বা মিথ্যা প্রমাণ করতে পারেনি। আপনি যদি কিয়ামত পর্যন্ত বেঁচে থাকতেন তাহলে কোরআনের আয়াতের সত্যতা যাচাই করতে পারবেন কারণ কোরআনেই একমাত্র সমস্তকিছু সূস্টি এবং ধব্বংসের ব্যাখা প্রদান করে।