1 টি উত্তর

বিকেলবেলা গড়িয়ে গেলে অনেক মেঘের ভিড় কয়েক ফলা দীর্ঘতম সূর্যকিরণ বুকে জাগিয়ে তুলে হলুদ নীল কমলারঙের আলোয় জ্ব’লে উঠে ঝরে গেল অন্ধকারের মুখে। যুবারা সব যে যার ঢেউয়ে,- মেয়েরা সব যে যার প্রিয়ের সাথে কোথায় আছে জানি না তো; কোথায় সমাজ, অর্থনীতি? স্বর্গগামী সিঁড়ি ভেঙে গিয়ে পায়ের নিচে রক্তনদীর মতো- মানব ক্রমপরিণতির পথে লিঙ্গশরীরী হয়ে কি আজ চারিদিকে গণনাহীন ধূসর দেয়াল ছড়িয়ে আছে যে যার দ্বৈপসাগর দখল ক’রে! পুরাণপুরুষ, গণমানুষ, নারীপুরুষ, মানবতা, অসংখ্য বিপ্লব অর্থবিহীন হয়ে গেলে,-তবু আরেক নবীনতর ভোরে সার্থকতা পাওয়া যাবে ভেবে মানুষ সঞ্চারিত হ’য়ে পথে-পথে সবের শুভ নিকেতনের সমাজ বানিয়ে তবুও কেবল দ্বীপ বানালো যে যার নিজের অবক্ষয়ের জলে। প্রাচীন কথা নতুন ক’রে এই পৃথিবীর অনন্ত বোনভায়ে ভাবছে একা-একা ব’সে যুদ্ধ রক্ত রিরংসা ভয় কলরোলের ফাঁকেঃ আমাদের এই আকাশ সাগর আঁধার আলোয় আজ যে-দোর কঠিন; নেই মনে হয়; সে-দ্বার খুলে দিয়ে যেতে হবে আবার আলোয় অসার আলোর ব্যাসন ছাড়িয়ে।