বুঝতে পারছি না কী করবো.!?

বুঝতে পারছি না কী করবো.!?

আমি h.s.c পরিক্ষার্থী আগামী এপ্রিল এর ১ তারিখ থেকে

আমার পরিক্ষা শুরু।

কিন্ত লেখা পড়াই কোন প্রকার মনোযোগ নাই আমার।

কী করবো কিছু বুঝতে পারছি না।

এক বার মনে হচ্ছে আমার দ্বারা হবে না লেখা

পড়া খামোখা মা বাবার টাকা পয়সা নষ্ট না করে নিজের জীবন

পরিত্যাগ কর।

কিন্ত আমি সেটা করতে চাই না।

কেউ কী বলতে পারবেন এই ১ মাস

রাত দিনে মিলে কত ঘন্টা পড়লে আমি

পরিক্ষাতে পাশ+রেজাল্ট করতে পারবো!???? 

বিভাগ: 

6 টি উত্তর

মনযোগ দিয়ে বুঝে বুঝে সব পড়তে হবে রুটিন তৈরি করে পড়তে হবে আপনার যত ঘন্টা পড়লে মনে থাকে আপনি তত ঘন্টাই পড়ুন মনে আত্মবিশ্বাস বজায় রেখে পরিশ্রম করুন সব বিষয়ে প্রস্তুতি থাকলে আপনি ভালো ফলাফল করতে পারবেন ৷
"প্রতিদিনের পড়া , প্রতিদিন পড়লে। পরিক্ষার আগে রাত জেগে পড়তে হয় না।" আপনার এখন প্রতিদিন সর্বনিম্ন ৮ থেকে ১০ ঘন্টা লেখা পড়া উচিৎ। জানা জিনিস গুলোই ভালো করে পড়ুন। বেশী বেশী করে বই পড়ুন। আজে বাজে চিন্তা করবেন না। আর নিজের উপর থেকে আত্মবিশ্বাস হারাবেন। আত্মবিশ্বাস মানুষকে সাফল্য এনে না দিলেও, লড়াই করার মতো শক্তি জোগায়। ভালো করে লেখা পড়া করুন। আশা করি ভালো রেজাল্ট করবেন।

আপনি বিস্ময় অ‍্যানসারের একজন নিয়মিত সদস্য আপনি মানুষের সমস্যার সমাধান দেন। আপনার কাছে এটার উত্তর অবশ্যই আছে। আসলে আমরা অনেক সময় কিছু কিছু বিষয়ের উত্তর জানি তবুও আমরা যেন তার উত্তর জানি না। আসলে এটি হয়ে থাকে আমাদের আলসেমির জন্য। আমরা অভ‍্যাসের দাস আমরা যে কোন জিনিস যত দূরে সরিয়ে দিব সেই জিনিস তত দূরে সরে যাবে।  আপনি অন্য বিষয়ে সময় কম দিয়ে পড়াশোনায় বেশি মনোযোগ দিন আশাকরি কয়েক দিন পর পড়াশোনা ভালো লাগবে। আমরা দোয়া করি আপনি ভালো পরীক্ষা দিন।

আপনার পরীক্ষার আরো প্রায় আড়াই মাস বাকি। অর্থাৎ, অনেক থিন। আপনা এই কয়দিনের জন্য আপনার মোবাইলকে ছুটি দিয়ে দিন এবং মনেমনে একটি রুটিন বানিয়ে ফেলুন, যেখানে প্রতিটি বিষয় পৃথকভাবে এবং ধারাবাহিকভাবে শেষ করতে হবে। বিষয় অনুজায়ী দিনের সংখ্যা ভাগ করে নিবেন। তবে, অবশ্যই পরীক্ষার আগের ১০দিন হাতে রাখবেন শধু শেষমহুর্তের প্রস্তুতি অর্থৎ, শধু দেখার জন্য। আর দৈনিক রুটিন হলো : ১. রাত ১০টায় ঘুমাতএ যাবেন।২. ভোর ৪টায় ঘুম থেকে উঠে পড়ার প্রস্তুতি নিয়ে সকাল ৮টা পর্যন্ত পড়বেন। ৩. ২ঘণ্টা বিরতি দিয়ে ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত পড়বেন। আবার ২ঘণ্টা বিরতি দিয়ে ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত পড়বেন।৪. আবার ৩ঘণ্টা বিরতি দিয়ে ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত পড়ে আধা ঘণ্টা খাবারের বিরতি নিয়ে ৮.৩০ থেকে ১০টা পর্যন্ত পড়বেন। অথবা, আপনার সুবিধামতো দৈনিক অন্তত ১০-১১ ঘণ্টা পড়লে, ইংশাআল্লাহ, আপনি নিশচিৎ সাফল্য পাবেন।আর অবশ্যই ৫ওয়াক্ত নামাজ পড়বেন, কারণ, নামাজ পড়লে আপনার মনযোগ এবং স্বরণশক্তি উভয়-ই বাড়বে। ধন্যবাদ।
আপনি সন্ধ্যায় পড়তে বসবেন আর রাতি যতটুকু জেগে থাকতে পারেন ততটুকু ই পড়ার চেষ্টা করুন।যখন ই ঘুম আসবে ঠিক তখন ই ঘুমাতে যাবেন।তাই বলে ১ঘণ্টার মত পড়ে আবার ঘুমাতে যাবেন না।কম পক্ষে ছয় বা সাত ঘণ্টার মত পড়ে তারপর ঘুমাতে যাবেন।ঘুমানোর সময় ঠিক পাচ বা ছয় ঘণ্টা ঘুমাবেন।সময়মত জাগতে না পারলে এলার্ম ঠিক করে রাখতে পারেন।জেগে ঊঠে তখন আবার পড়া শুরু করতে হবে।আপনার উচিত হবে কোনো ভাবেই পড়ালেখায় ফাকি না দেওয়া।অনেক সময় আছে বলে পড়া ফেলে রাখবেন না।আরেকটা কথা সময়ের কাজ সময়েই করার চেষ্টা করবেন।আশা করি আপনি ভাল রেজাল্ট করতে পারি সেই সাথে আমার দোয়া রইল আপনার জন্য।

আপনার সমস্যা হচ্ছে আত্মবিশ্বাসের কমতি। কোনো কারণে আপনার আত্মবিশ্বাস চলে গিয়েছে।

তাই এখন আপনার করণীয় হলো আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা। যদি আপনি মনেই করে নিলেন যে আপনাকে দিয়ে কিছু হবে না তাহলে আর কি বলার।

পড়ালেখায় মনোযোগ আনতে অন্য টুকিটাকি বিষয়ে ভাবা বন্ধ করুন। পারলে আপনার মোবাইলটিকে আপাতত আলমারিতে বন্ধ করে চাবি মায়ের কাছে দিয়ে দিন। আর ফোনে কথা বলার জন্য বাটন ফোন নিয়ে নিন।

আর এই এক মাস আপনাকে প্রচুর পড়াশুনা করতে হবে। রাতে পারলে ৪-৬ ঘণ্টার বেশি ঘুমাবেন না। দিনে খাওয়া, গোসলের জন্য ৩ ঘণ্টা রাখুন। বিকালে আধা ঘণ্টা খোলা বাতাসে হেঁটে আসবেন। বাকি সময়টা পড়াশুনা করে কাটান। যে বিষয়গুলো সমস্যা কম, অর্থাৎ আপনার পড়া আগে ভাল হয়েছে সেগুলো প্রথম পাঁচদিনে বা সাত দিনে রিভিশন দিয়ে ফেলুন। এরপর মার্চের বিশ তারিখের মধ্যে সমস্যা আছে যেসব বিষয়ে তার সমস্যা দূর করে ফেলুন। এরপর বাকি দশদিনে সব বিষয়গুলো রিভিশন দিন।

আশা করা যায় আপনার ফলাফল ভালো হবে।

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ