1 টি উত্তর

দ্য ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজ একটি পাবলিক রিসার্চ ইউনিভার্সিটি। প্রতিষ্ঠানটি ১২০৯ সালে ইংল্যান্ডের ক্যামব্রিজে প্রতিষ্ঠিত হয়। ইংরেজি ভাষাভাষী ইউনিভার্সিটিগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় প্রাচীনতম ইউনিভার্সিটি এবং পৃথিবীর সব ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাকালের হিসাবে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। সারা বিশ্বে প্রতিষ্ঠানটি উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে অনুসরণীয়। বর্তমান সময়ে এটি একটি কলিজিয়েট ইউনিভার্সিটি। যেখানে ১৮ হাজার শিক্ষার্থী শিক্ষাগ্রহণ করছে। এ প্রতিষ্ঠানের অন্তর্গত ৩১টি কলেজ এবং অনুষদগুলো শহরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। প্রতিষ্ঠানটি কোইমব্রা গ্রুপ, জি ফাইভ, দ্য ইন্টারন্যাশনাল অ্যালায়েন্স অব রিসার্চ ইউনিভার্সিটিজ, দ্য লিগ অব ইউরোপিয়ান রিসার্চ ইউনিভার্সিটিজ, দ্য রাসেল গ্রুপ এর সদস্য। প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষার্থীদের নানা বিষয়ে লেকচারের মাধ্যমে শোনানো হয়। এ ছাড়া বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ল্যাবরেটরি সেশনের ব্যবস্থা করা হয়। প্রতিটি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা অর্জনের জন্য সিলেবাস ডিজাইনে বিশেষ লক্ষ্য রাখা হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছোট ছোট দল গঠন করে প্রতি সপ্তাহে কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়। এরপরও প্রতি সপ্তাহে অ্যাসাইনমেন্ট এবং বিষয়ভিত্তিক প্রেজেনটেশনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ করতে হয়। ৩১টি কলেজে প্রতিষ্ঠানটির ১৫০টি অনুষদ, স্কুল, সিন্ডিকেট রয়েছে যারা ইউনিভার্সিটির শিক্ষা কার্যক্রমের দেখভাল করেন। প্রতিষ্ঠানটি ছয়টি স্কুলে বিভক্ত, যার তত্ত্বাবধায়ক একজন সুপারভাইজার। এ ছয়টি স্কুলের অন্তর্ভুক্ত আর্টস অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ, বায়োলোজিক্যাল সায়েন্স, ক্লিনিক্যাল মেডিসিন, হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্স, ফিজিক্যাল সায়েন্স, টেকনোলজি বিষয়গুলো। এ প্রতিষ্ঠানটি তিনটি শিক্ষাবর্ষে বিভক্ত। মাইকেলমাস টার্ম অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর, লেন্ট টার্ম জানুয়ারি থেকে মার্চ এবং ইস্টার টাম এপ্রিল থেকে জুন মাসে সম্পন্ন হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে ১১৪টি লাইব্রেরি রয়েছে। দ্য ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি লাইব্রেরি প্রধানতম গবেষণা লাইব্রেরি। যেখানে ৮ মিলিয়ন বা আশি লাখ বইয়ের ভলিউম সংরক্ষিত আছে। প্রতিষ্ঠানটি এ ছাড়াও আটটি আর্টস, কালচারাল এবং সায়েন্টিফিক মিউজিয়াম শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনে উন্মুক্ত রেখেছে। নানা প্রজাতির গাছ নিয়ে একটি বোটানিক গার্ডেন রয়েছে যা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করবে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে স্নাতক ডিগ্রিধারী ৬৫ জন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী রয়েছেন, যা বিশ্বের যে কোনো ইউনিভার্সিটিতে সর্বাধিক সংখ্যক।

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ