আমার বয়স ২০ আমি ১৫ ১৬ বছর বয়স থেকেই নিয়মিত হস্তমৈথুন করতাম, যখন জানতে পারলাম এটা ক্ষতিকর তখন বাদ দিয়েছি কিন্তু ততদিনে অনেক দেড়ি হয়ে গেছে এখন আমার শরীর অত্যন্ত দুর্বল আমি বেশিক্ষন বির্জ ধরে রাখতে পারি না, আমি বিয়ে করবো কিন্তু এই ক্ষমতা নিয়ে তো স্ত্রিকে সুখিও করতে পারবো না, আমার অপরাধের শাস্তি অন্য কেউ পাক তা আমি চাই না, তাই এর কোনো সমাধান থাকলে দয়া করে বলবেন যাতে করে আমি পূর্বের যৌনজীবন ফিড়ে পেতে পারি?
বিভাগ: 

1 টি উত্তর

মানুষিক ভাবে দূর্বলতাই যৌন দূর্বলতার কারণ। যৌন মিলন আর হস্তমৈথুন্য এক নয়। হস্তমৈথুনে দ্রুত বীর্যপাত হবেই। হস্তমৈথুনে আপনার বিরাট কোন ক্ষতি হয়নি।এ নিয়ে টেনশন করার ও কিছু নাই। বয়স এখনো কম।বিয়ে নিয়ে চিন্তা করার সময় ও হয়নি। শারিরিক বৃদ্ধির সময় এখনো শেষ হয়নি। আপনি নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার, দুধ,ডিম খান।স্বাস্থ্য গঠন করুন।আশাকরি সমস্যা বিয়ের আগেই ঠিক হয়ে যাবে। আর না হলে বিয়ে করলে ঠিক হয়ে যাবে।

আপনি হস্তমৈথুন ত্যাগ করুন তাহলেই স্বাভাবিক


পর্যায়ে আসতে পারবেন নতুবা সম্ভব নয়।


হস্তমৈথুন ছেড়ে দিন, প্রচুর পানি পান করুন, নিয়মিত


পুষ্টিকর খাবার খান তাহলেই স্বাভাবিক হয়ে যাবেন।


কোনো ওষুধের প্রয়োজনীয়তা দেখছি না। প্রয়োজনে


প্রাকৃতিক ভাবে নিম্নক্তো বিষয় অনুসরন করুন...



আপনি স্বাভাবিক ভাবে জীবন যাপন করুন, কোনো বদ অভ্যাস থাকলে 

পরিহার করুন। নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খান, যথেষ্ঠ পানি পান করুন।

নিম্নোক্ত বিষয় অনুসরণ করে চলতে পারেন তাহলেই আপনার যৌন শক্তি 

অকাল হতে দুরে থাকবে।

ডিম :- ডিম সেদ্ধ হোক কিংবা ভাজি, সব ভাবেই ডিম যৌন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার। ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৫ ও বি-৬ আছে যা শরীরের হরমোনের কার্যক্রম ঠিক রাখে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের সকালের নাস্তায় একটি করে ডিম রাখুন। এতে আপনার শরীর শক্তি পাবে এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।



মধু :- মধুর রয়েছে অসংখ্য উপকারিতা। সকালে খালি পেটে জিহ্বা দ্বারা মধু চেটে খেলে কফ দূর হয়, পাকস্থলী পরিস্কার হয়, দেহের অতিরিক্ত দূষিত পদার্থ বের হয়, গ্রন্থ খুলে দেয়, পাকস্থলী স্বাভাবিক হয়ে যায়, মস্তিস্ক শক্তি লাভ করে, স্বাভাবিক তাপে শক্তি আসে, রতি শক্তি বৃদ্ধি হয়, মূত্রথলির পাথর দূর করে, প্রস্রাব স্বাভাবিক হয়, গ্যাস নির্গত হয় ও ক্ষুধা বাড়ায়। প্যারালাইসিসের জন্যও মধু উপকারী। মধু হাজারো রকম ফুল ও দানার নির্যাস। দুনিয়ার সকল গবেষকগণ একত্রিত হয়ে এমন নির্যাস প্রস্তুত করতে চাইলেও কখনো বানাতে পারবে কিনা এ বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। এটা শুধু মহান আল্লাহ পাকেরই শান যে, তিনি বান্দার জন্য এমন উত্তম ও বিশেষ উপকারী নির্যাস সৃষ্টি করে দিয়েছেন।



দুধ :- যৌন শক্তি বৃদ্ধি এবং যৌবন ধরে রাখতে দুধের ভূমিকা অতুলনীয়। বিশেষ করে ছাগলের দুধ পুরুষের যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে অসাধারণ ভুমিকা রাখে। আবু নাঈম হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযি।) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (স.) এর কাছে পানীয় দ্রব্যের মধ্যে দুধ সবচেয়ে বেশী প্রিয় ছিল। এর রহস্য হলো এই যে, দুধ রতিশক্তি সৃষ্টি করে দেহের শুস্কতা দূর করে এবং দ্রুত হজম হয়ে খাদ্যের স্থলাভিষিক্ত হয়ে যায়, বীর্য সৃষ্টি করে, চেহারা লাল বর্ণকরে, দেহের অপ্রয়োজনীয় দূষিত পদার্থ বের করে দেয় এবং মস্তিস্ক শক্তিশালী করে।




বাদাম ও বিভিন্ন বীজ :- কুমড়োর বীজ, সূর্যমূখীর বীজ, চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম ইত্যাদিতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে এবং এগুলো শরীরে উপকারী কোলেস্টেরল তৈরী করে। সেক্স হরমোন গুলো ঠিক মতো কাজ করার জন্য এই কোলেস্টেরল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই প্রতিদিন অল্প করে হলেও বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে আপনার যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। 


চিনি ছাড়া চা :- প্রতিদিন দুধ-চিনি ছাড়া চা পান করলে শরীরে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। চা ব্রেইন কে সচল করে, রক্ত চলাচল বাড়ায় ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। প্রতিদিন অন্তত দিন থেকে ৫ কাপ পর্যন্ত চিনি ছাড়া সবুজ চা বা রঙ চা খেলে যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং শরীরের ওজন কিছুটা হলেও কমে যায়।



রঙিন ফল :- যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কলা, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী। ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের মেডিকেল টিমের গবেষণা অনুযায়ী একজন পুরুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। আবার টেক্সাসের A&M ইউনিভার্সিটির মতে তরমুজ শরীরে যৌন উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে। তারা যৌন উদ্দীপক ওষুধ ভায়াগ্রার সাথে তরমুজের তুলনা করেছেন।




রসুন :- রসুন ফোড়া ভালো করে, ঋতুস্রাব চালু করে, প্রস্রাব স্বাভাবিক করে, পাকস্থলী থেকে গ্যাস নির্গত করে, নিস্তেজ লোকদের মধ্যে যৌন ক্ষমতা সৃষ্টি করে, বীর্য বৃদ্ধি করে, গরম স্বভাব লোকদের বীর্য গাঢ় করে, পাকস্থলী ও গ্রন্থর ব্যাথার উপকার সাধন এ্যাজমা এবং কাঁপুনি রোগেও উপকার সাধন করে। এই রসুনকে আবে হায়াত বলেও আখ্যা দেয়া হয়।



তৈলাক্ত মাছ :- তৈলাক্ত মাছে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যা সুস্থ যৌন জীবনের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সামুদ্রিক মাছেও প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড DHA O EPA শরীরে ডোপামিন বাড়িয়ে দেয় এবং মস্তিষ্কে উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে। তৈলাক্ত ও সামুদ্রিক মাছ খেলে শরীরের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় এবং গ্রোথ হরমোনের নিঃসরন হয়। ফলে যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।



আপনি প্রাকৃতিক কিছু গাছ-গাছালির মাধ্যমে সুস্থতা লাভ করতে পারেন। ১। শিমুল গাছের মুল ২। তোকমা ৩। ভুষি ৪। তালেমাখনা ৫। হালিমদানা ৬। ভুষির দানা ৭। বাতিলা এগুলো নিয়মিত খেলে আশা করি আপনি সুস্থ হয়ে উঠবেন।
এর জন্য আপনি ভালো যৌন বিষয়ক ডাক্তার দেখাতে পারেন কারন অভিজ্ঞ ছাড়া এসবের সমাধান দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ 


হস্থমৈথুন একে বারে ছেড়ে দিতে হবে ৷ মানে আর করাই যাবে না ৷ তার পর মধু  ডিম গরুর কলিজা  কালো জিরা কাজু বাদাম কাঠ বাদাম  আখরোট পাকা ফল রসুন  ইত্যাদি নিয়মিত খেলে আসতে আসতে ঠিক হয়ে যাবে ৷ সব থেকে ভালো হয় যৌন বিষয়ক ডাক্তার এর পরামৰ্শ নিলে ৷

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ