দিন।চলে যাইতাছে আমার অবস্থার উন্নতি হচ্ছে না?

দিন।চলে যাইতাছে আমার অবস্থার উন্নতি হচ্ছে না?

দিন ঠিকি চলে যাচ্ছে কিন্ত আমার অবস্থার উন্নতি হচ্ছে না।

পারছি না কিছুতেই আমি।

ভোর বেলা শীত করছে তাই নামায পড়তে উঠতে পারছি না।

কী করবো বুঝতে পারছি না.!!!!!!??

ফেসবুকের নেশা ছেড়ে দিয়েছি।

কিন্ত মন কে লেখা পড়ার প্রতি আগ্রহী করতে পারছি না।

সঠিক পরামর্শ দিন

কী ভাবে ভোর বেলা উঠতে পারি ৫ টার সময়।

এবং রাত ১০.৩০ পর্যন্ত পড়তে পারি কীভাবে

এর ভিতর যেনো কোন কিছু করতে ইচ্ছে না করে।

সঠিক পরামর্শ দিলে উপকৃত হতাম।

বিভাগ: 
Share

1 টি উত্তর

প্রাথমেই আপনাকে যে কাজটা করতে হবে আপনি যে সব জিনিজ নিয়ে সময় অতিবাহিত করেন সেগুলো কিছুদিন হাতের নাগালের বাইরে রাখুন। যেমন মোবাইল ফোন। মেবাই ফোন সাথে থাকলেই একটু পর পর মোবাইল খুলে দেখার ইচ্ছে করবে। তাই এই ধরনের জিনিসগুলোকে হাতের নাগালের বাইরে রাখুন। এগুলোকে এই কয়দিন পুরোপুরি বন্ধ রাখুন। অতিরিক্ত প্রয়োজন হলে বাবা মায়ের ফোন ব্যাবহার করুন শুধু কথা বলার জন্য। পরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত এই কয়দিন সকল কিছুকে বিসর্জন দিন। ঘুরোঘুরি বন্ধ করুন। টিভি প্রয়োজন ছাড়া দেখবেন না। নিয়মিত পড়ালেখার একটা রুটিন তৈরি করুন এবং সে অনুযায়ী নিয়মিত পড়ুন। কিছুদিন পড়ালেখা করলে আশা করা যায় পড়ালেখায় মন বসবে। অন্য কিছু নিয়ে চিন্তা করবেন না তাহলে পড়ালেখায় মনোযোগের ব্যাঘাত ঘটবে। নিয়মিত সময় অনুযায়ী পড়বেন এবং অভ্যাস গড়ে তুলবেন। একদিন যদি পড়া ছুটে যায় তাহলে পরে আবার পড়ায় সহজে মনোযোগ বসবে না। তাই নিয়মিত পড়ুন এবং সকল চিন্তা বাদ দিয়ে পড়ায় মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করবেন। কতটুকু সময় পড়বেন সেটা আপনার ওপর নির্ভর করবে। কিছু ছাত্র আছে ৫ ঘন্টায় পড়ে যেটা স্মরণ রাখতে পারে না সেটা কিছু ছাত্র ২ ঘন্টায় করতে পারে। তাই আপনি কতটুকু স্মরণ রাখতে পারবেন সেটা আপনাকে লক্ষ করে অধ্যায়ন করতে হবে। তবে নিয়মিত অন্তত ৪ থেকে ৫ ঘন্টা করে পড়ুন। আশা করা যায় ভালো ফলাফলের। বন্ধুবান্ধব, মোবাইল, টিভি, শখের জিনিসগুলোকে কিছুদিনের জন্য বিসর্জন দিন। এগুলোর জন্য পরে প্রচুর সময় পাবেন। ত্যাগ করতে শিখলে এবং কঠোর সাধনা করলে সফলতা পাবেন। মনে রাখবেন সময় এবং সমুদ্রের স্রোত কখনও কারও জন্য অপেক্ষা করে না। এটা যেনো পরে আফসোস করতে না হয় সেই জন্য কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে শখের জিনিসগুলোকে কিছুদিনের জন্য মুছে ফেলুন। শখের জিনিস ছাড়তে কষ্ট হলেও যখন ভালো রেজাল্ট অর্জন করবেন তখন এই সফলতার সুখের মাধ্যমে সেই কষ্ট প্রশমিত হবে এবং সেই কষ্ট ঘুচে যাবে। তাই নিজের মনকে কঠোর করুন। ধৈর্য্য ধারণ করুন। ইনশাআল্লা ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারবেন সেই কামনাই করি।

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ