2 টি উত্তর
দিয়েছেন

* অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণ করে গ্রহণযোগ্য ওজন বজায় রাখা।

* খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করা।

* নিয়মিত ব্যায়াম করা।

* রাতে সঠিকভাবে ঘুমানো।

* অতিরিক্ত মানসিক দুশ্চিন্তা এড়িয়ে চলা।

* ধূমপান থেকে বিরত থাকা।

ওপরের নিয়মগুলোর মধ্যে ডায়েটের গুরুত্ব অনেক বেশি। সঠিক ডায়েট শুধু রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণেই রাখে না, বরং রক্তচাপের মাধ্যমে তৈরি সমস্যাগুলো প্রতিরোধে সাহায্য করে থাকে।

ক্যালরি নিয়ন্ত্রণ, ওজন নিয়ন্ত্রণ ও সঠিক ওজন বজায় রাখার লক্ষ্যে উচ্চ রক্তচাপের রোগীকে খাদ্যের ক্যালরি যথাযথভাবে মেনে চলতে হয়। এ ক্ষেত্রে ফ্যাট বা চর্বিজাতীয় খাদ্য অবশ্যই কম গ্রহণ করতে হবে। চিনি, অতিরিক্ত ভাত, আলু, মিষ্টি—এই জাতীয় শর্করাযুক্ত খাবার কম খেতে হবে।

চর্বিজাতীয় খাবার অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে, যেমন : গরুর মাংস, খাসির মাংস, কলিজা, মগজ, বড় চিংড়ির মাথা, ডিমের কুসুম, বেকারির খাবার, বাটার, ঘি, ভাজা খাবার ইত্যাদি। ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডসমৃদ্ধ ফ্যাটজাতীয় খাবার ব্লাডপ্রেশার কমাতে সাহায্য করে, যেমন : জলপাইয়ের তেল, ফুলকপি, বাদাম, মাছ ইত্যাদি।

সোডিয়াম নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপ খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। লবণ হলো সোডিয়ামের খুব ভালো উৎস। প্রতিদিন রান্নায় চার থেকে পাঁচ গ্রাম (১ চা চামচ = ৫ গ্রাম) পর্যন্ত লবণ ব্যবহার করা ভালো। খাবারের সময় আলাদা লবণ পরিহার করতে হয়। লবণাক্ত খাবার, যেমন : চিপস, পাপড়, চানাচুর, আচার ইত্যাদি অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে।

পটাশিয়ামযুক্ত খাবার উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য অনেক জরুরি। পটাশিয়াম রক্তের সোডিয়ামের মাত্রা যথাযথভাবে বাড়িয়ে রাখতে সহায়তা করে। ডাবের পানি, কলা, টমেটো, গাঢ় সবুজ শসা, সবজি, সালাদ পটাশিয়ামের ভালো উৎস, যা উচ্চ রক্তচাপ রোগীর খাদ্যতালিকায় থাকলে তা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

প্রোটিনজাতীয় খাদ্য উচ্চ রক্তচাপের রোগীকে একটু হিসাব করে খেতে হয়। মুরগির মাংস, মাছ, ডিমের সাদা অংশ, লো ফ্যাট দুধ, টক দই, ডাল ইত্যাদি প্রোটিনের ভালো উৎস।

এ রোগ নিয়ন্ত্রণে লবণের সঙ্গে পান-জর্দা-তামাক পরিহার করতে হয়।

দিয়েছেন
কম চর্বি ও কম কোলেস্টেরল যুক্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে। যেমন খাশি বা গরুর গোস্ত, কলিজা, মগজ, গিলা, গুর্দা, ডিম কম খেতে হবে। কম তেলে রান্না করা খাবার এবং ননী তোলা দুধ, অসম্পৃক্ত চর্বি যেমন সয়াবিন, ক্যানোলা, ভুট্টার তেল অথবা সূর্য্যমুখীর তেল খাওয়া যাবে। বেশী আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করা ভালো। আটার রুটি এবং সুজী জাতীয় খাবার পরিমান মত খাওয়া ভালো। লবণ নিয়ন্ত্রণঃ তরকারিতে প্রয়োজনীয় লবণের বাইরে অতিরিক্ত লবণ পরিহার করতে হবে।
Download Bissoy Answers App Bissoy Answers