কেউ যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে 'মরণোত্তর চক্ষুদান বা দেহদান' করতে চায়,,, এতে কি শরীয়ত অনুযায়ী কোন বাধা আছে ?

কেউ যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে 'মরণোত্তর চক্ষুদান বা দেহদান' করতে চায়,,, এতে কি শরীয়ত অনুযায়ী কোন বাধা আছে ?
বিভাগ: 
Share

1 টি উত্তর

وعليكم السلام و رحمة الله و بركاته

ইসলামে মরোনত্তর চক্ষুদান, দেহ দান হারাম। কারো প্রতিটি অঙ্গের মালিক কেউ নন।

কিডনি/চোখ/ দেহ ইত্যাদির মালিক

আল্লাহরব্বুল আলামিন। সুতরাং যে জিনিসের মালিক আমরা না তাই দান করার অধিকার আমাদের নেই।

কেউ যদি দান করে বা বিক্রি তবে হাসরের মাঠে তাকে ঐ দান করা অঙ্গ ছাড়াই পুনরায় জীবিত

করা হবে।

তাই ইসলামের দৃষ্টিতে মরোণত্তর অঙ্গ দান জায়েজ নাই।

মরণোত্তর দেহ বা কোন অঙ্গ দান করা জায়েজ নাই। তেমনি গবেষণা বা নিজের মহত্ত্ব প্রকাশে কোন দাতব্য প্রতিষ্ঠান বা মেডিকেলে দান করাও একে বারেই জায়েয নাই, (কারণ বর্তমান প্রতিষ্ঠান গুলো সে রকম ই) আর এ ক্ষেত্রে অন্যদের জন্যও তা সংগ্রহ ও ব্যবহার করা জায়েজ নাই।

তবে কিছু ফুকাহে কেরাম কিছু শর্তের ভিত্তিতে এসব ব্যক্তিদের দান কৃত অঙ্গ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন। শর্ত হল,

১।দাতার জীবদ্দশায় অনুমতির পাশাপাশি মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশদেরও অনুমতি থাকতে হবে।

২। তার যে অঙ্গ নেয়া হবে তা জীবিত ব্যক্তির শরীরে স্থাপন করলে জীবিত ব্যক্তি তার থেকে উপকৃত হওয়ার ব্যপারে প্রবল ধারণা থাকতে হবে।

৩। বিজ্ঞ ডাক্তারের এ কথা বলা যে,এতে জীবিত রুগীর যথাযথ কাজ হবে।

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ