5 টি উত্তর

হ্যাকার হলে তার ব্যক্তিগত এবং আর্থিক লাভ হয়.

১. অনেকেই হ্যাকার হয় ভাল কাজ করার জন্য এবং নিজের মেধাকে কাজে লাগিয়ে দেশ ও দশের জন্য কাজ করে.

২. আবার অনেকে হ্যাকার হয় তার খারাপ কাজ করার জন্য যা যে কোনো ব্যক্তির জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়.

একজন হ্যাকার মানুষের উপকার করতে পারে আবার অপকার করতেও পারে। যেমন একজন হ্যাকার ভাল ও উপকারি সাইট গুলো হ্যাক করে সমাজের ক্ষতি করতে পারে। মানুষের ইমেইল, বিভিন্ন কমিউনিটি সাইটের আইডি হ্যাক করে হাতিয়ে নিতে পারে ব্যাংক একাউন্ট, ক্রেডিট কার্ডের সব তথ্য এবং তুলে নিতে পারে একাউন্টে জমানো সব টাকা। কিন্তু একজন হ্যাকার চাইলে মানুষের উপকার করতে পারে। বিভিন্ন পর্ণ সাইট, চটি সাইট, ফেসবুকের ফেক আইডি ইত্যাদি হ্যাক করে বন্ধ করে দিতে পারে। সমাজের গুরুতর অপরাধী, সন্ত্রাসীদের ধরিয়ে দিতেও তারা ভূমিকা রাখতে পারে।
হ্যাকারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয় যথা: হোয়াইট হ্যাকার, ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার এবং গ্রে হ্যাট হ্যাকার। এদের মধ্য গ্রে হ্যাট হ্যাকার হতে পারলে লাভ হয়। কারন এই হ্যাকাররা কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।
আপনি যদি হ্যাকার হতে পারেন তাহলে এক কথায় টাকাও উপার্জন করতে পারবেন। পৃথিবীর বিখ্যাত কিছু ওয়েবসাইট যেমন : গুগোল,ফেসবুক,টুইটার ইত্যাদি এইগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য লক্ষ টাকা খরচ করছে। শুধু বিখ্যাত ওয়েবসাইট না বরং সকল ওয়েবসাইটের মালিকই চাইবে তার ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠিন করতে। কিন্তু কোন হ্যাকার যদি ওয়েবসাইট হ্যাক করে ঐ ওয়েবসাইটের মালিককে জানিয়ে দেই আর কোন দিক দিয়ে নিরপত্তার অভাব রয়েছে সেই সম্পর্কে জানিয়ে দেই তবে যে হ্যাক করবে তাকে পুরষ্কার দেই এবং ঐ ওয়েবসাইটের মালিক তার নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে সচেতন হয়। যেমন আপনি যদি এখন ফেসবুকের নিরাপত্তা ব্যবস্থার কোন ভুল দেখিয়ে দিতে পারেন তাহলে সর্বনিম্ন ৪০০ মার্কিন ডলার পুরষ্কার পাবেন। এক কথায় হ্যাকিং শিখে যদি একজন সফল হ্যাকার হওয়া যায় তবে আপনার লাভ হবে।
হ্যাকিং মূলত শখের ব্যাপার ।তবে অনেকে পেশাগতভাবে হাকিং বেছে নেন ।এদের বলা হয় গ্রে হ্যাট হ্যাকার বা ক্রাকার ।অনেক সময় বড় বড় প্রতিষ্ঠান তাদের ফায়ার ওয়াল বা সুরক্ষা দেয়ালকে আরও সুরক্ষিত করার জন্য এবং ত্রুটিগুলো বের করার জন্য (যাতে হ্যাকিং না হয়) ক্রাকারদের সঙ্কে চ্যালেজ্ঞ করে ।এর মাধ্যমে পেশাগত ভাবে যারা হ্যাকার তারা বেশ উপার্জন করতে পারে ।তবে হ্যাকিং মূলত শখের বসে এবং তথ্য প্রযুক্তির গভীরে যাওয়ার জন্যই করা হয় ।