1 Answer

 (26847 পয়েন্ট) বিস্ময় ডট কম এর প্রতিষ্ঠাতা। দেশের জন্য বাংলা ভাষায় কিছু করার উদ্যোগেই যাত্রা শুরু করে বিস্ময় ডট কম।

উত্তরের সময় 

প্রথম প্রজন্ম (১৯৫১-১৯৫৯) * আকারে বড় বিধায় প্রচুর তাপ উৎপাদনকারী; * মেমরি অত্যন্ত অল্প; * ভ্যাকুয়াম টিউব দিয়ে তৈরি; * মেমরি চৌম্বকীয় ড্রামের; * কোড ব্যবহার করে প্রোগ্রাম চালানোর ব্যবস্থা; * এই কম্পিউটারের যান্ত্রিক গোলযোগ, রক্ষণাবেক্ষণ ও পাওয়ার খরচ বেশি এবং * এই প্রজন্মের কম্পিউটারে যান্ত্রিক ভাষায় প্রোগ্রাম লিখা হত। দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৫৯-১৯৬৫) * এটিতে মডিউল ডিজাইন ব্যবহার করে সার্কিটের প্রধান প্রধান অংশগুলো আলাদা বোর্ডে তৈরি করা যেত; * অধিক নির্ভরশীল, অধিক ধারণক্ষমতা এবং তথ্য স্থানান্তরের সুবিধা; * সাইজে ছোট, গতি বেশি এবং বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন কম; * ট্রানজিস্টর দ্বারা তৈরি ও মেমরি চুম্বক কোরের এবং * অ্যাসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রাম লিখা হত। তৃতীয় প্রজন্ম (১৯৬৫-১৯৭১) * বিভিন্ন প্রকার উন্নত মেমরি ব্যবস্থার উদ্ভাবন; * ব্যাপক একীভূত বর্তনীর ব্যবহার; * সাইজ ছোট বলে বিদ্যুৎ খরচ কম এবং * উচ্চ ভাষা দিয়ে প্রোগ্রাম লিখা তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার থেকে শুরু হয়। চতুর্থ প্রজন্ম (১৯৭১- বর্তমান) * উন্নত চিপ এর ব্যবহার ও ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটার; * বিশাল পরিমাণ মেমরি ও অত্যন্ত গতি এবং * টেলিযোগাযোগ লাইন ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান। পঞ্চম প্রজন্ম (ভবিষ্যৎ প্রজন্ম) * এই ধরণের কম্পিউটার প্রতি সেকেন্ডে ১০-১৫ কোটি যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। * শব্দের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যাবে। ফলে এই প্রজন্মের কম্পিউটার শুনতে পারবে এবং কথা বলতে পারবে। * এই প্রজন্মের কম্পিউটারের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থাকবে। ফলে কম্পিউটার অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে তা সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যবহার করতে পারবে। * ভিজুয়্যাল ইনপুট বা ছবি থেকে ডাটা গ্রহণ করতে পারবে।
সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ

Loading...

জনপ্রিয় বিভাগসমূহ

Loading...