1 টি উত্তর

কোন মানুষ যদি ক্বিরাণ হজ্জ করতে চায়, তবে তার তওয়াফে এফাযা বা হজ্জের তওয়াফ ও হজ্জের সাঈ ওমরা ও হজ্জ উভয়টির জন্য যথেষ্ট হবে। তখন তওয়াফে কুদূম তার জন্য সুন্নাত। সে ইচ্ছা করলে হজ্জের সাঈ তওয়াফে কুদূমের পরপরই আদায় করে নিতে পারে। যেমনটি নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) করেছিলেন। ইচ্ছা করলে সাঈ বাকী রেখে তওয়াফে এফাযার পর করতে পারে। কিন্তু পূর্বেই করে নেয়া উত্তম। কেননা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছিলেন। অতঃপর ঈদের দিন শুধুমাত্র তওয়াফে এফাযা করবে। সাঈ করবে না। ক্বিরাণকারীর হজ্জ ও ওমরার জন্য একটি মাত্র তওয়াফ ও সাঈ যথেষ্ট হওয়ার দলীল হচ্ছে, রাসূলুল্লাহ্‌ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর বাণী। তিনি আয়েশা (রাঃ)কে বলেন, طَوَافُكِ بِالْبَيْتِ وَبَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ يَكْفِيكِ لِحَجَّتِكِ وَعُمْرَتِكِ “আল্লাহ্‌র ঘরের তওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সাঈ তোমার হজ্জ ও ওমরার জন্য যথেষ্ট হবে।” আয়েশা (রাঃ) ছিলেন ক্বিরাণ হজ্জকারীনী। অতএব নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বর্ণনা করে দিলেন যে, ক্বেরাণকারীর তওয়াফ ও সাঈ হজ্জ ও ওমরা উভয়টির জন্য যথেষ্ট। বিষয়/প্রশ্নঃ (৫২৮) গ্রন্থের নামঃ ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম বিভাগের নামঃ কিতাবুল হজ্জ লেখকের নামঃ শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমীন (রহঃ) অনুবাদ করেছেনঃ আবদুল্লাহ শাহেদ আল মাদানি - আবদুল্লাহ আল কাফী

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ