আরামদায়ক শেভ করার পদ্ধতি জেনে নিন?
 (7772 পয়েন্ট)

জিজ্ঞাসার সময়

1 Answer

 (26734 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

#9 শেভ করার ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, শেভিং যেন আরামদায়ক হয়। অন্যথায় ত্বকের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। শেভ করার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় খেয়াল রাখুন।
 
* দাড়ি যদি বেশি ঘন হয়ে থাকে, তাহলে প্রথমে ট্রিমার দিয়ে যতটা পারা যায় ছেঁটে নিন।
 
* শেভ করার আগে পানি দিয়ে ভালো করে মুখ পরিষ্কার করে নিন। মুখ পরিস্কার করার ক্ষেত্রে প্রি-শেভ এক্সফোলিয়েটিং জেল ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের ময়লা দূর হয়ে রোমকূপগুলো উন্মুক্ত হবে। শেভ করতে সুবিধা হবে।
 
* তাড়াতাড়ি শেভ করার সুবিধার্তে অনেকেই ফোম ব্যবহার করেন। কিন্তু ফোম ত্বককে শুকনো করে দেয় তাই ত্বকে জ্বালা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ক্রিম শেভিং বরঞ্চ বেশি ভালো। ব্রাশে ক্রিম লাগিয়ে তা গালে ও গলায় ধীরে ধীরে লাগান। অন্তত ৩ মিনিট অপেক্ষা করুন, যাতে ত্বক তা ভালোভাবে শুষে নিতে পারে। ফলে দাড়ি অনেকটা নরম হবে।
 
* ক্লিন শেভিংয়ের জন্য দুই ব্লেডের, তিন ব্লেডের রেজারের চাহিদা তুঙ্গে। বেশি ব্লেডের রেজার দিয়ে নিঁখুতভাবে শেভ করা যায় অনায়াসে কিন্তু এই ধরনের ব্লেডে ত্বকের ওপর প্রচণ্ড চাপ পড়ে। নিয়মিত শেভিংয়ের ফলে ত্বক রুক্ষ হয়ে যাওয়ার এটিই মূল কারণ। তাই ব্যবহার করতে পারেন সিঙ্গল ব্লেড সেফটি রেজার।
 
* নিখুঁত শেভিংয়ের জন্য অনেকে দাড়ির রুটের উল্টোদিকে শেভ করে থাকেন, যা উচিত নয়। কেননা এর ফলে ত্বকে জ্বালা করার সম্ভাবনা বেশি থাকে এবং র‌্যাশ হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।
 
* লং স্ট্রোকে শেভিং করার চেয়ে ছোট ছোট স্ট্রোকই শেভিং করার সঠিক পদ্ধতি।
 
* আফটারশেভ ব্যবহার করলে ত্বকের জ্বালা বেড়ে যায়। এর কারণ রেজার বাম্প। এমনটা হলে স্প্ল্যাশ না লাগিয়ে সুদিং আফটার শেভ বাম ব্যবহার করুন।

সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ

Loading...

জনপ্রিয় টপিকসমূহ

Loading...