আমাকে কিছু মজার মজার জোকস বলুন?? যে গুলো শুনলে সবার হাসতে হাসতে পেট ব্যাথা হয়ে যাবে!? আমাকে কিছু মজার মজার জোকস বলুন?? যে গুলো শুনলে সবার হাসতে হাসতে পেট ব্যাথা হয়ে যাবে!?
জিজ্ঞাসা করেছেন
9 টি উত্তর
এক সাংবাদিক আর এক কৃষক এর সাক্ষাৎকার---- সাংবাদিক : তুমি ছাগল দুটোকে কি খেতে দাও ? কৃষক : কোন ছাগলটা কে, সাদা টা কে না কালো টা কে ? সাংবাদিক : কালো টা কে ? কৃষক : ঘাস। সাংবাদিক : আর সাদা টা কে ? কৃষক : ওটাকেও ঘাস খেতে দিই। সাংবাদিক : তুমি ছাগল দুটোকে কোথায় বেঁধে রাখো ? কৃষক : কোন ছাগলটা কে, সাদা টা কে না কালো টা কে ? সাংবাদিক : কালো টা কে ? কৃষক : গোয়ালে, একটা খুঁটির সাথে। সাংবাদিক : আর সাদা টা কে ? কৃষক : ওটাকেও গোয়ালে ওই একই খুঁটির সাথে। সাংবাদিক : তুমি ছাগল দুটোকে কি দিয়ে পরিস্কার রাখো ? কৃষক : কোন ছাগলটা কে, সাদা টা কে না কালো টা কে ? সাংবাদিক : কালো টা কে ? কৃষক : জল দিয়ে স্নান করাই। সাংবাদিক : আর সাদা টা কে ? কৃষক : ওটাকেও জল দিয়ে স্নান করাই। সাংবাদিক (প্রচন্ড রেগে গিয়ে) : শালা, হারামী...দুটো ছাগল এর সাথেই যখন সব কিছু একরকম হচ্ছে তখন বার বার আমাকে জিজ্ঞাসা করছো কেন যে সাদা ছাগল টা না কালো ছাগল টা ? কৃষক : কারন কালো ছাগল টা আমার। সাংবাদিক : আর সাদা ছাগল টা ? কৃষক : ওটাও আমার। এই শুনে সাংবাদিক অজ্ঞান। যখন জ্ঞান ফিরলো তখন কৃষক সাংবাদিককে বললো - এবার বুঝলি যখন টিভি তে একই খবর বারবার বলে আমাদের কানের পোকা মেরে দিস তখন আমাদের কেমন লাগে ? ========================================================== হঠাৎ করে একটি বাসে ডাকাতের আক্রমন। ডাকাত সবার কাছ থেকে সবকিছু নিয়ে যাচ্ছে। ডাকাত এক মেয়েকে জিজ্ঞেস করছে-- ডাকাতঃ এই মেয়ে তোমার নাম কি? মেয়েঃ জরিনা। ডাকাতঃ (একটু কেদে) আমার বোনের নাম জরিনা, তাই তোকে মাফ করে দিলাম। পাশের সিটে এক লোক বসা। ডাকাতঃ ওই তোর নাম কী? লোকঃ আমার নাম বল্টু। তবে বন্দুরা আদর করে জরিনা ডাকে!!!
♡♡অসাধারণ মাজার জোকস♡♡ ' বল্টুর বউয়ের একটা পুত্র সন্তান জন্ম হয়েছে । তাই বল্টু খুব খুশি হয়ে সর্বপ্রথম সাংবাদিকের অফিসে ফোন করে বললো :- আমি তিন কেজি ওজনের একটি সোনা পেয়েছি ,,,! সাংবাদিক ঐ খবর পাওয়া মাত্রই বল্টুর বাড়িতে গিয়ে ,,, বল্টু বাড়িতে আছে কি ,,,? বল্টুর বউ চৈতালী :- জি ,, না । উনি খুশির চোটে মিষ্টি খাওয়াইতে গিয়েছে ওনার বন্ধুদেরকে । সাংবাদিক :- অ ,,,! আমরা কি ঐ জায়গাটা দেখতে পারি ,,, যেখানে থেকে সোনা বেরিয়েছে ,,,? চৈতালী :- না ,,,! পারবে না । ঐটা প্রাইভেট জায়গা। সাংবাদিক :- আচ্ছা বলুনতো ,, বল্টু কত দিন ধরে চেষ্টা করেছিলেন এই সোনা বের করার জন্য ,,,? চৈতালী :- গত দুই বছর ধরে । সাংবাদিক :- কোন সময় বেশি চেষ্টা করেছিলেন ঐ সোনা পাওয়ার জন্য,,,? চৈতালী :- রাতের বেলা বেশিরভাগ চেষ্টা করেছিলেন । সাংবাদিক :- বল্টু মনে হয় খুবই কষ্ট এবং পরিশ্রম করেছিলেন তাইনা ,,,? চৈতালী :- অবশ্যই ,,,! পুরা শরীর ঘাম দিয়ে ভিজে যেত । সাংবাদিক :- আমরা কি ঐ সোনাকে দেখতে পারি ,,,? চৈতালী :- জি হ্যাঁ ,,,! তা অবশ্যই পারবে । সন্তানকে বিছানায় থেকে কোলে করে বাইরে এনে -- এইতো আমার সোনা ,,,! সাংবাদিক বেহুশ.....!!!!!
[1] বল্টু গেছে দোকানে বিষ কিনতে..... দোকানদার : ভাই বিষ দিয়া কি করবেন? বল্টু: আত্মহত্যা করব। দোকানদার: ক্যান ভাই? বল্টু:কিছু কিছু জিনিস আছে কাউকে বোঝানো যায় না দোকানদার: মানে? বল্টু:আজ সকালে আমি গরুর দুধ দোহাচ্ছিলাম। হঠা্ৎ করেগরুটা বাম পা দিয়ে লাথি মারতে লাগল। আমি বাধ্য হয়ে বাশের সাথে বাম পা বেধে রাখলাম, এরপর গরুটা ডান পা দিয়ে লাথি মারা শুরু করল। আমি এবার গরুর ডান পা ও বাশের সাথে শক্ত করে বাধলাম, অবশেষে লেজ দিয়ে বাড়ি মারতে লাগল। ভাবলাম লেজটাও বেধে রাখি, কিন্তু লেজ বাধার জন্য কিছু পেলাম না। শেষমেষ নিজের বেল্ট খুলে বাধতে লাগলাম বেল্ট খোলার কারণে আমার প্যান্ট হঠাৎ করে খুলে গেল, এমন সময় আমার বউ গোয়ালে এসে আমাকে ঐ অবস্থায় দেখলো। ……….এখন আপনিই বলেন আমি আমার বউকে কি করে তা বোঝাব???? বউ আমাকে ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে গেছে!! [2] দৌড়ে ডাক্তারের কাছে এসে এক ভদ্র মহিলা জানালেন তার স্বামীর পেটে একটা ইঁদুর ঢুকে গেছে ভয় নেই, ডাক্তার অভয় দিলেন। আপনার স্বামীর মুখের কাছে একটা শুঁটকি নাড়তে থাকুন, ইঁদুর বের হয়ে আসবে। আমিও এসে যাচ্ছি কিছেক্ষণের মধ্যে। বাড়ীতে গিয়ে ডাক্তার সাহেব দেখলেন ভদ্রমহিলা তার স্বামীর মুখের সামনে এক বাটি দুধ ধরে চুকচুক করছেন। কি ব্যাপার ? ডাক্তার বিরক্ত হয়ে বললেন, ইঁদুর কখনো দুধ খায় ? আপনাকে না শুঁটকি নাড়তে বলেছি। তা বলেছেন। ভদ্রমহিলার উত্তর, কিন্তু ইঁদুরটা ধরার জন্য যে ওর পেটে আমি বেড়াল ঢুকিয়ে দিয়েছি। আগে তো ওটা বের করি.....!!!! [3] এক ছেলে মেয়ে কে বলছে “আই লাভ ইউ” .. মেয়েঃ অই আয়নাতে নিজের চেহারা দেখছিস কখনো .. .. .. .. .. .. .. ছেলেঃ দেখছি বইলাই ত তোমার মত পেত্নির কাছে আসছি নাইলে তো ক্যাটরিনার কাছেই যাইইতাম৷৷৷৷
১। বল্টু : তুই তোর বউয়ের সাথে ঝগড়া করিস ? পল্টু : হ্যাঁ, করি। তবে প্রতিবার ঝগড়ার শেষে ও এসে হাঁটু গেড়ে আমার সামনে বসে পড়ে। বল্টু : বলিস কী ! তারপর ? পল্টু : তারপর মাথা ঝুঁকিয়ে বলে, ‘খাটের তলা থেকে বেরিয়ে আসো। আর মারব না।' ২। প্রথম পাগল : আমি আকাশের দিকে টর্চের আলো ফেলব, তুই যদি সেই আলো বেয়ে আকাশে উঠতে পারিস, তাহলে তোকে এক লাখ টাকা দেব। দ্বিতীয় পাগল : আমি উঠব না। প্রথম পাগল : তার মানে তুই পারবি না। দ্বিতীয় পাগল : অবশ্যই পারব। কিন্তু আমি অর্ধেক ওঠার পর যদি তুই আলো নিভিয়ে দিস, তাহলে তো আমি পড়ে যাব এবং আমার হাত-পা ভাঙবে। আমাকে তুই পাগল পেয়েছিস? ৩। প্রথম বন্ধু : জানিস, আমাদের বাসার সবাই বাথরুমে গান গায়! দ্বিতীয় বন্ধু : বলিস কী, স-বা-ই? প্রথম বন্ধু : সবাই, চাকর-বাকর পর্যন্ত। দ্বিতীয় বন্ধু : তোরা তাহলে সবাই খুব গানের ভক্ত! প্রথম বন্ধু : দূ-র-র, তা নয়, আসলে আমাদের বাথরুমের ছিটকিনিটা নষ্ট তো, তাই!
তিন টাউট বন্ধুর বহু দিন পর দেখা। তো তারা তিনজন রেস্টুরেন্টে খেতে গেল। একজন ওয়াশরুমে গেল। বাকি দুইজন আলাপ করছে। বল্টু : তারপর দোস্ত, বাচ্চাকাচ্চা কয়টা? পল্টু : আমার একটাই ছেলে। আমার মতোই বুদ্ধিমান। ভার্সিটিতে পড়ে। বিরাট বড়লোকের একমাত্র মেয়েকে পটাইছে। মেয়েকে ইম্প্রেস করার জন্য একটা গাড়ি গিফট করছে। একবার বিয়ে হয়ে গেলে মেয়ের বাপের সব প্রোপার্টি আমার। বল্টু : আমারও একটাই ছেলে। আমার মতোই বুদ্ধিমান। ভার্সিটিতে পড়ে। সেও বিরাট বড়লোকের একমাত্র মেয়েকে পটাইছে। মেয়েকে ইম্প্রেস করার জন্য ফ্ল্যাট গিফট করছে। ভালোয় ভালোয় বিয়েটা হয়ে গেলেই মেয়ের বাপের সব প্রোপার্টি আমার। এর মধ্যে তৃতীয় বন্ধু এলো। দুই বন্ধু তাকে জিজ্ঞেস করল_দোস্ত তোমার ছেলেমেয়ে কয়টা? মতলব : আমার এক মেয়ে, আমার মতোই ধান্দাবাজ। দুই পোলারে নাকে দড়ি দিয়া ঘুরাইতাছে। একজন দিছে গাড়ি আর একজন দিছে ফ্ল্যাট। ভবিষ্যতে আরো অনেক কিছু আদায় করার প্ল্যান আছে।
বাবা এবং মেয়ের এর মধ্যে কথা হচ্ছে– বাবাঃ তুই পালিয়ে বিয়ে করে আমার বংশ দাঁগ লাগিয়ে দিলি! মেয়েঃ দাঁগ থেকে যদি দারুন কিছু হয়, তবে তো দাঁগই ভালো। _______________________ স্যারঃ পড়া যখন পারনি মার তোমাকে খেতেই হবে। ছাত্রঃ তাহলে একটু ওয়াসরুমে যেতে হবে। স্যারঃ কেনো? ছাত্রঃ মা বলেছে কোন কিছু খাবার আগে সাবান দিয়ে ভালো ভাবে হাত ধুয়ে নিতে। _________________________ মেয়েঃ তোমাকে আমি খুব খুব খুব ভালোবাসি। ছেলেঃ তোমার এতো ভালৌবাসা আমি কোথায় রাখবো? মেয়েঃ রাখার জায়গা না পেলে ফেরত দিয়ে দাও অন্য কাওকে দিয়ে দিবো। _________________________ মেয়েঃ তুমি আমায় কতটা ভালোবাসো? ছেলেঃ সীমাহীণ। মেয়েঃ তাহলে তাজমহল বানাচ্ছ না কেনো? ছেলেঃ জমি কেনা হয়ে� গেছে, তোমার মরার অপেক্ষায় আছি। মেয়েঃ কি? ________________________ চালকঃ শালা পাগল, সরবি না তোর গায়ের উপর দিয়া চালামু? পাগলঃ আরে যা যা একটু আগে মাথার উপর দিয়া বিমান গেলো কিছুই হইলো না তোর তো হালার গাড়ি।
শামসু হোটেলের ম্যানেজারকে ফোন দিয়েঃ শামসুঃ দয়া করে ১২১ নম্বর রুমে একটু আসুনতো! ম্যানেজারঃ কেন, কি সমস্যা? শামসুঃ আমার স্ত্রী জানালা দিয়ে লাফ মেরে আত্বহত্যা করতে চাচ্ছে! ম্যানেজারঃ আপনি স্বামী হয়ে কিছু না করতে পারলে, আমি হোটেলের ম্যানেজার হয়ে কি করতে পারি? বলুন! শামসুঃ আরে ভাই এখন কথা বলার সময় নাই, তাড়াতাড়ি চলে আসুন, কারণ আমার স্ত্রী কিছুতেই জানালা খুলতে পারছেনা! জানালাটা খুলে দিয়ে যান!!
বল্টু : এক বোতল রক্ত দিন তো। নার্স : রক্তের group বল। বল্টু : যেকোন একটা group হলেই চলবে। নার্স : ( অবাক হয়ে ) কি করে চলবে...?? বল্টু : . . . . . . . . . . গার্লফ্রেন্ড কে রক্ত দিয়ে লাভ লেটার লিখবো। <>--------------------------------<> -----------------------------------<> বউ সন্দেহ করছে তার স্বামীর সাথে কাজের মেয়ের অবৈধ স্বম্পর্ক আছে। শিওর হওয়ার জন্য সে কাজের মেয়েকে ১ দিন ছুটি দিল কিন্তু স্বামীকে এটা বলল না। রাতে স্বামী বাসায় এসে ঘুমোতে যাওয়ার সময় স্ত্রী আদর পেতে চাইলে।... স্বামী বললো : আমার শরীর টা ভালো না। আজ থাক। এই বলে সে ঘুমিয়ে পড়লো। স্ত্রী ঘুমের ভান করে জেগে থাকলো। মাঝরাতে স্বামী উঠে পাশের রুমের সবার জন্য কমন টয়লেটে গেল। স্ত্রী তখন কাজের মেয়ের ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়লো এবং লাইট বন্ধকরে দিল। একটু পর একজন এসে কিছু না বলেই সরাসরি একশনে চলে গেল! কাজ শেষ হওয়ার পর লাইটজ্বালিয়ে।... স্ত্রী বললো : তুমি নিশ্চয় আমাকে এই বিছানায়আশা করোনি! 'অবশ্যই না ম্যাডাম' বললো কাজের ছেলে আবুইল্লা! ল্যাও ঠ্যালা... <>--------------------------------<> -----------------------------------<> না পড়লে মিস করবেন,,, বৌয়ের কাছে স্বামীর চিঠি... প্রিয়তমা, আমি এই মাসে অফিস থেকে এখনো বেতন পাইনি, তাই টাকা পাঠাতে পারলাম না। তার পরিবর্তে ১০০টা kiss পাঠালাম, আমার সুইট হার্ট রাগ কর না প্লিজ.... ইতি তোমার প্রিয়তমা স্বামি....... উত্তরে বৌ...... আমার প্রিয় জানু, তোমার ১০০টা kiss-এর জন্য ধন্যবাদ। খরচের বিস্তারিত নিচে জানালাম: ১। দুধওয়ালা ১ মাসে ২টা kiss-এ রাজি হয়েছে। ২। বিদ্যুৎ বিল বাবদ ৭টা kiss দিয়ে কোন রকম বিদায় করেছি। ৩। বাড়িওয়ালা প্রতিদিন এসে ২-৩টা করে kiss নিয়ে যাচ্ছে ভাড়ার পরিবর্ত। ৪। দোকানদার শুধু kiss-এ রাজি না হওয়ায় তাকে অন্য কিছু দিয়ে সন্তুষ্টা করতে হয়েছে। ৫।অনান্য খরচ বাবদ আরো ৪০টা kiss দিতে হয়েছে। তুমি একদম চিন্তা করো না। আমার কাছে এখনো তোমার দেয়া ৩৫ টা kiss আছে। আশা করি মাসের বাকিটা চালিয়ে নিতে পারব। আগামী মাসেওএভাবে চালিয়ে নিব কিনা জানাবে। ইতি YOUR SWEET HEART.. <>--------------------------------<> -----------------------------------<> এক মেয়ের কাছে একটি অপরিচিত নাম্বার থেকে কল আসল। মেয়ে : হ্যালো. ছেলে : তোমার কি কোন বয়ফ্রেন্ড আছে?? মেয়ে: হ্যাঁ আছে কিন্তু আপনি কে?? ছেলে : আমি তোর ভাই, দাঁড়া আজকে বাড়িতে আসি তোর খবর আছে!!! কিছুক্ষণ পর মেয়েটির নিকট আবার অপরিচিত নাম্বার থেকে আরেকটি কল আসল- মেয়ে : হ্যালো! ছেলে : তোমার কি কোন বয়ফ্রেন্ড আছে?? মেয়ে : না। ছেলে : তাহলে আমি কে?? মেয়ে: স্যরি স্যরি জান! আমি মনে করেছি এটা আমার ভাই। ছেলে : আমি তোর ভাই-ই, আজ তোর একদিন কি আমার একদিন!!!
এক মেয়ে ট্রেন এ টিকিট ছাড়া উঠছে.... ট্রেন এর গার্ড আসছে টিকিট চেক করতে। গার্ড - টিকিট দেখি। মেয়ে - আমার চেহারাই তো টিকিট। গার্ড্- জরিমানা লাগবে। জরিমানা দিন। মেয়ে - কেনো ? গার্ড - কারণ আপনি ফাস্ট ক্লাস এ বসেছেন আর আপনার চেহারা হলো থার্ডক্লাসের. রণন আর নাছের দুই বন্ধুতে কথা হচ্ছে। রণন: বুঝলি নাছের, সুলেখাকে আমি ভালোবাসতাম, কিন্তু এখন আর বাসি না। নাছের: কেন? রণন: মেয়েটা কানে কম শোনে। নাছের: কী করে বুঝলি? রণন: আমি ওকে বললাম, আমি তোমাকে ভালোবাসি। আর ও বলল, আমার পায়ের স্যান্ডেলটা নতুন!