1 টি উত্তর

ভেজাইনাতে চুলকানি ও মাত্রাতিরিক্ত রস নিঃসরণ থেকে প্রাথমিক ডায়াগনোসিস করা সম্ভব। তবে যোনিপথের নিঃসৃত রস পিপেটের সাহায্যে সংগ্রহ করে ব্যাকটিরিওলজিক্যাল পরীক্ষা করালে এবং কালচার ও সেনসিটিভিটি টেস্ট করালে জীবাণু সঠিকভাবে নিরুপণ করা সম্ভব। একই সঙ্গে ইউরেথ্রা বা মূত্রদ্বার থেকে নিঃসৃত রস ও পুঁজ সংগ্রহ করে টেস্ট করাতে হবে। কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একই সঙ্গে গনোরিয়া সংযুক্ত থাকে। ট্রাইকোমোনিয়াসিসের জন্য মেট্টোডাজল ২০০ মিলিগ্রামের একটি করে ট্যাবলেট দিনে তিনবার সাতদিন খেতে, হবে অর্থাৎ দৈনিক তিনটি করে সাতদিনে মোট ২১টি ট্যাবলেট খেতে হবে। একই চিকিৎসা স্ত্রী এবং স্বামী উভয়কে একসঙ্গে নিতে হবে অর্থাৎ স্বামীকেও একই সঙ্গে ওষুধ খেতে হবে, যদিও তার কোন রোগলক্ষণ নাই। তা নাহলে স্বামী বাহক থেকে যাবে এবং পুনরায় যৌনসঙ্গমের মাধ্যমে স্ত্রী সংক্রমিত হবে। ক্যাডিডিয়াসিসের বা ফাঙ্গাল ইনফেকশন হলে যোনিপথে নিসট্যাটিন পেসারি বা লোকাল অ্যাপলিকেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা করাতে হবে। এ ক্যানডিডিয়াসিসের সঙ্গে ডায়াবেটিস রোগ ওতপ্রোতভাবে যুক্ত থাকার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে দুটো চিকিৎসা পাশাপাশি চালাতে হবে।

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ