1 টি উত্তর
সাধারণত সপ্তাহখানেকের মধ্যে রোগটি ভালো হয়ে যায়। তবে রাইনো ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির বিশ্রাম নেওয়া প্রয়োজন। বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে পর্যাপ্ত। সর্দি নিয়মিত পরিষ্কার করে নাসারন্ধ্র খোলা রাখতে হবে। গরমপানির ভাপ বা নরমাল স্যালাইন, নাকের ড্রপ নাকের ছিদ্র খোলা রাখতে সহায়তা করে। ঘরে সিগারেটের ধোঁয়া বা রান্নার ধোঁয়া সর্দির রোগীদের জন্য বাড়তি উপদ্রব। ধূমপান সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। নাক ঝরা কমাতে অ্যান্টিহিস্টামিন আর ব্যথা ও জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল-জাতীয় ওষুধ সেবন করা যেতে পারে চিকিৎসকের পরামর্শে। শিশুদের ব্রংকিওলাইটিস, নিউমোনিয়াসহ যেকোনো জটিলতায় অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। প্রতিরোধ করা যায় সহজেইঃ ঘন ঘন হাত ধুয়ে ফেলা, নাক ঝেড়ে যেখানে সেখানে নাকের ময়লা না ফেলা, হাঁচি-কাশি দেওয়ার সময় রুমাল বা হাত দিয়ে নাক-মুখ ঢেকে রাখা, আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে না আসা-এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে রোগটি প্রতিরোধ করা যায় অনেকাংশেই। চিকিৎসাঃ সাধারণত সপ্তাহখানেকের মধ্যে রোগটি ভালো হয়ে যায়। তবে রাইনো ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির বিশ্রাম নেওয়া প্রয়োজন। বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে পর্যাপ্ত। সর্দি নিয়মিত পরিষ্কার করে নাসারন্ধ্র খোলা রাখতে হবে। গরমপানির ভাপ বা নরমাল স্যালাইন, নাকের ড্রপ নাকের ছিদ্র খোলা রাখতে সহায়তা করে। ঘরে সিগারেটের ধোঁয়া বা রান্নার ধোঁয়া সর্দির রোগীদের জন্য বাড়তি উপদ্রব। ধূমপান সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। নাক ঝরা কমাতে অ্যান্টিহিস্টামিন আর ব্যথা ও জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল-জাতীয় ওষুধ সেবন করা যেতে পারে চিকিৎসকের পরামর্শে। শিশুদের ব্রংকিওলাইটিস, নিউমোনিয়াসহ যেকোনো জটিলতায় অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। প্রতিরোধ করা যায় সহজেইঃ ঘন ঘন হাত ধুয়ে ফেলা, নাক ঝেড়ে যেখানে সেখানে নাকের ময়লা না ফেলা, হাঁচি-কাশি দেওয়ার সময় রুমাল বা হাত দিয়ে নাক-মুখ ঢেকে রাখা, আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে না আসা-এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে রোগটি প্রতিরোধ করা যায় অনেকাংশেই