Share

1 টি উত্তর

১৮৫৪ সালে ব্রিটিশ গবেষক চার্লস হুইটস্টোন এ সংকেতপদ্ধতি আবিষ্কার করেন | এ পদ্ধতিতে একটি আস্ত বাক্যের প্রতিটি বর্ণকে আলাদা করে এরপর জোড়ায় জোড়ায় বর্ণগুলোকে সাজানো হয় | তারপর ওই বর্ণগুলোকে প্লেফেয়ার ছকের নিয়মানুযায়ী উল্টেপাল্টে দেওয়া হয়। যারা প্লেফেয়ারের ছকটা জানবেন, তাঁরাই কেবল এই কোড ভাঙতে পারবেন | প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ান ও জার্মানরা এ কোড ব্যবহার করেছিল | ১৪৭০ সালে ইতালিয়ান গবেষক লিও বাতিস্তা আলবারতি সাইফার ডিস্ক আবিষ্কার করেন | খুব সহজে কোড ভাষা তৈরি করা যায় এতে | ছোট-বড় দুটো চাকতি ঘুরিয়ে তৈরি হয় এর কোড | ছোট চাকতিতে বর্ণমালা আর বড়টিতে থাকবে কোড | চাইলে যে কেউ নিজের মতো করে ঘরে বসেই এমন কোডযন্ত্র বানাতে পারবে | অনেক সাইফার আছে কোড লেখার | যেমন - ১) Reverse Alphabet– A এর স্থানে Z এবং Z এর স্থানে A বসিয়ে ২) Caesar’s Method – এই পদ্ধতিটা রোমান সম্রাট Julius Caesar প্রায়ই ব্যবহার করত বলে এটা Caesar’s Method নামে পরিচিত | ব্যাপারটা বেশ সোজা, ইংরেজি বর্ণমালা A থেকে শুরু না করে যত ঘর খুশি সরিয়ে দিয়ে A এর জায়গায় আরেকটি বর্ণ দিয়ে শুরু করেন | B হবে তার পরের বর্ণ, C হবে তার পরেরটা | ৩) Column Method – আপনার বার্তাতে কয়টি বর্ণ আছে তা হিসাব করেন | এদের সারি ও কলামে সাজাতে কয়টি সারি ও কলাম লাগবে তা হিসাব করে নেন | তারপর উপর থেকে নিচে বার্তাটি সারি-কলাম অনুযায়ী লিখে ফেলেন | ৪) Pigpen Cipher/Freemason’s Cipher মেথড |