বিজ্ঞাপন

ইসলামী ছাত্রশিবিরের সদস্য হতে কি কি যোগ্যতা লাগে?

প্রথম ধাপ থেকে শেষ ধাপ পর্যন্ত বর্ণনা করুন। কাদেরকে ইসলামি ছাত্রশিবিরের সদস্য ভুক্ত করা হয়?

এই সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকলে উত্তর করা থেকে বিরত থাকুন।

প্রথম ধাপ থেকে শেষ ধাপ পর্যন্ত বর্ণনা করুন। কাদেরকে ইসলামি ছাত্রশিবিরের সদস্য ভুক্ত করা হয়?

এই সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকলে উত্তর করা থেকে বিরত থাকুন।

জিজ্ঞাসা করেছেন
বিজ্ঞাপন
3 টি উত্তর
দিয়েছেন

বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের জনশক্তিদের মান অনুযায়ি ৪ টা ধাপ আছে,প্রথমে সমর্থক,তারপর কর্মী,তারপর সাথী, তারপর সদস্য। 


সংগঠনের ৩ নং ধারায় বর্ণিত আছে, "যে সব ছাত্র ইসলামি জীবন বিধান প্রঠিষ্টার সংগ্রামে অংশ নিতে প্রস্তুত, তাদেরকে এ সংগঠনের অধিনে সংঘবদ্ধ করা"।

তো আপনি যদি ৩ নং ধারা পালন করেন তাহলে সংগঠনের আপনি সমর্থক হিসেবে বিবেচিত হবেন।তবে অবশ্যই অফিশিয়ালি সমর্থক ফরম পূরণ করতে হয়।

এর পর সংগঠনের  সিলেবাস কর্তৃক কর্মী সিলেবাসের কুরআন ও হাদিসের নির্দৃষ্ট খন্ড এবং সিলেবাস কর্তৃক ১১ টি ইসলামি সাহিত্য অধ্যয়ন করেন তাহলে উর্ধতন দায়িত্বশিলের নিকট একটি কন্টাক্ট (পরিক্ষা) দিয়ে কর্মী শপথ নিতে হবে।

এরপর ৯নং ধারা-"যদি কোন শিক্ষার্থী সংগঠনের লক্ষ্য উদ্দেশ্যের সাথে ঐক্যমত পোষণ করেন,এ সংগঠনের কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতির সাথে সচেতন ভাবে একমত হন,ইসলামের প্রাথমিক দায়িত্ব সমূহ পালন করেন এবং সংগঠনের সামগ্রিক তৎপরতায় পূর্ণভাবে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতি দেন, তাহলে তিনি এ সংগগঠনের সাথী হতে পারবেন"।

ধারা -১০:সাথী হতে ইচ্ছুক কোন শিক্ষার্থী কেন্দ্রীয় সংগঠন কর্তৃক নির্ধারিত সাথী হবার আবেদনপত্র পূরণ করে তা কেন্দ্রীয় সভাপতি অথবা তার কোন স্থানীয় প্রতিনিধির কাছে জমা দেবেন এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি বা তার স্থানীয় প্রতিনিধি সে আবেদনপত্র মন্জুর করে নেবেন"।

যদি আপনি ৯ নং ধারা পালন করে থাকেন এবং সিলেবাসে বর্ণিত নির্ধারিত কুরআন,হাদিস এবং ৩০টি ইসলামি সাহিত্য অধ্যায়ন করেন, তাহলে স্থানীয় দায়িত্বশীলের মাধ্যমে সাথী কন্টাক্ট দেওয়ার জন্য আবেদনপত্র পূরণ করে জমা দিয়ে কন্টাক্ট দিতে হবে। কন্টাকে উত্তীর্ণ হলে আপনি সাথী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং আপনার আবেদন পত্র কেন্দ্রীয় সভাপতির কাছে যাবে। সভাপতি মন্জুর করলে, কিছুদিন পর আবার আপনাকে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধির কাছে কন্টাক্ট দিতে হবে। কন্টাক্টে উত্তীর্ণ হলে আপনাকে সাথী শপথ দেওয়া হবে।

তবে  সাথী প্রার্থী, সাথী কন্টাক্ট দেবার পূর্বে অবশ্যই আপনাকে ৯০ দিনের দৈনন্দিন রিপোর্ট স্থানীয়, কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীলকে দেখাতে হবে। অবশ্যই আপনাকে ছাত্র হতে হবে, নিয়মিত সাহিত্য অধ্যয়ন করতে হবে পাঠ্যসূচি অধ্যয়ন করতে হবে। কোরআন, হাদিস অধ্যয়ন করতে হবে। মিনিমাম ৪+ ওয়াক্ত নামাজ জামাআতের সাথে আদায় করতে হবে। এসকল নিয়ম পালন করলেই আপনি সাথী প্রার্থী হতে পারবেন সাথী শপত নেবার জন্য কন্টাক্ট দিতে পারবেন। তখন আপনি সাথী কন্টাক্ট এ পাশ করতে পারলে নিশ্চিত সাথী হতে পারবেন ইনশাল্লাহ।


সাথী হবার পর ৪ নং ধারা অনুযায়ী  "একজন শিক্ষার্থী যদি সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যেকে তার জীবনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য হিসেবে গ্রহণ করেন,এ সংগঠনের কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতির সাথে পূর্ণ ঐক্যমত পোষণ করেন ও তা বাস্তবায়নের প্রচেষ্টায় সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করেন,এ সংগঠনের সংবিধানকে সম্পূর্ণররূপে মেনে চলে,তার জীবনে ইসলাম নির্ধারিত ফরজ ও ওয়াজিবসমূহ যথাযথভাবে পালন করেন,কবিরা গুণাহসমূহ থেকে দূরে থাকেন এবং সংগঠনের লক্ষ্য ও কর্মসূচির বিপরীত কোন সংগঠনের সঙ্গে কোন সম্পর্ক না রাখেন,তাহলে তিনি এই সংগঠনের সদস্যপদ লাভ করেতে পারেন"।

ধারা-৫: সদস্য পদ লাভে ইচ্ছুক কোন কর্মী (সাথী) কেন্দ্রীয় সভাপতি হতে নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ করে তা যথাযথ ভাবে পূরণ করে কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত পন্থায় কেন্দ্রীয় সভাপতির কাছে পাঠিয়ে দেবেন এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি তা মন্জুর করবেন এবং তার সদস্য পদের শপথ নেওয়ার ব্যাবস্থা করবেন। মন্জুর করলে তার কারণ কার্যকরী পরিষদের নিকট ব্যাখ্যা করতে বাধ্য থাকবেন"।

যদি কোন সাথী ৪ নং ধারা পালন করে থাকেন এবং সংগঠনের সিলেবাস কর্তৃক কুরআন, হাদিসের অংশ এবং ৮৪ টি ইসলামি সাহিত্য অধ্যয়ন  করবে তাহলে তিনি স্থানীয় দায়িত্বশীলের মাধ্যমে সদস্য আবেদনপত্রের জন্য কন্টাক্ট দিতে হবে। উত্তীর্ণ হলে কেন্দ্ররীয় সেক্ররেটারির সাক্ষরিত আপনি আবেদনপত্র পাবেন।আবেদন পত্রের সাথে সংগঠন নির্ধারিত একটি ডায়েরী পাবেন।ডায়েরীতে প্রতিদিনের ২৪ ঘন্টার প্রতি মিনিটের কাজের বর্ণনা ও হিসাব লিখতে হবে। এ ডায়েরি লেখার বয়স ৩ মাস হলে,আবার প্রশ্ন পত্রের জন্য কন্টাক্ট দিতে হবে।উত্তীর্ণ হলে কেন্দ্র থেকে প্রশ্নপত্র আসবে। ৭২ ঘন্টার মধ্যে প্রশ্নগুলো লিখে দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে কেন্দ্রে পাঠাতে হবে। এরপর এর ১ মাস পরে লিখিত কন্টাক হবে। উত্তীর্ণ হলে কয়েক ঘন্টা পরে শপথ কন্টাক্ট দিতে হবে। উত্তীর্ণ হলে পরের দিন চূড়ান্ত শপথ হবে। এতে উত্তীর্ণ হলে। আপনি শপথ অনুষ্ঠানে যেতে পারবেন। শপথ অনুষ্ঠানে অফিস সম্পাদক একটু বাছাই করবে। বাছাইয়ে আপনি টিকে গেলে মুরতারাম কেন্দ্রীয় সভাপতি শপথ দেওয়ারর জন্য উপস্থিত হবেন। তিনি চাইলে কাউকে প্রশ্ন করতে পারেন। যদি উত্তর না দিতে পারেন, তাহলে আপনি বাদ পরতে পরেন। এরপর কেন্দ্রীয় সভাপতি শপথ দিবেন।

সদস্যপদই বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের সর্বোচ্চ সাংগঠনিক মানের পদ। কেন্দ্রীয় সভাপতিও একজন সদস্য।


বিস্তারিত আরো জান্তে ইসলামি ছাত্র শিবিরের একজন দায়িত্বশীলের কাছে পারামর্শ নিন। এবং ইসলামি ছাত্রশিবিরের সংবিধান বইটি পড়তে পারেন।


এই উত্তরের জন্য Armanhossainbd পেয়েছেন 1 টি উপহার
দিয়েছেন উপহার সংখ্যা অর্থ
JaberAhsan চকলেট 1 3 টাকা
দিয়েছেন

বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের জনশক্তিদের মান অনুযায়ি ৪ টা ধাপ আছে,প্রথমে সমর্থক,তারপর কর্মী,তারপর সাথী, তারপর সদস্য। 

সংগঠনের ৩ নং ধারায় বর্ণিত আছে, "যে সব ছাত্র ইসলামি জীবন বিধান প্রঠিষ্টার সংগ্রামে অংশ নিতে প্রস্তুত, তাদেরকে এ সংগঠনের অধিনে সংঘবদ্ধ করা"।

তো আপনি যদি ৩ নং ধারা পালন করেন তাহলে সংগঠনের আপনি সমর্থক হিসেবে বিবেচিত হবেন।তবে অবশ্যই অফিশিয়ালি সমর্থক ফরম পূরণ করতে হয়।

এর পর সংগঠনের  সিলেবাস কর্তৃক কর্মী সিলেবাসের কুরআন ও হাদিসের নির্দৃষ্ট খন্ড এবং সিলেবাস কর্তৃক ১১ টি ইসলামি সাহিত্য অধ্যয়ন করেন তাহলে উর্ধতন দায়িত্বশিলের নিকট একটি কন্টাক্ট (পরিক্ষা) দিয়ে কর্মী শপথ নিতে হবে।

এরপর ৯নং ধারা-"যদি কোন শিক্ষার্থী সংগঠনের লক্ষ্য উদ্দেশ্যের সাথে ঐক্যমত পোষণ করেন,এ সংগঠনের কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতির সাথে সচেতন ভাবে একমত হন,ইসলামের প্রাথমিক দায়িত্ব সমূহ পালন করেন এবং সংগঠনের সামগ্রিক তৎপরতায় পূর্ণভাবে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতি দেন, তাহলে তিনি এ সংগগঠনের সাথী হতে পারবেন"।

ধারা -১০:সাথী হতে ইচ্ছুক কোন শিক্ষার্থী কেন্দ্রীয় সংগঠন কর্তৃক নির্ধারিত সাথী হবার আবেদনপত্র পূরণ করে তা কেন্দ্রীয় সভাপতি অথবা তার কোন স্থানীয় প্রতিনিধির কাছে জমা দেবেন এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি বা তার স্থানীয় প্রতিনিধি সে আবেদনপত্র মন্জুর করে নেবেন"।

যদি আপনি ৯ নং ধারা পালন করে থাকেন এবং সিলেবাসে বর্ণিত নির্ধারিত কুরআন,হাদিস এবং ৩০টি ইসলামি সাহিত্য অধ্যায়ন করেন, তাহলে স্থানীয় দায়িত্বশীলের মাধ্যমে সাথী কন্টাক্ট দেওয়ার জন্য আবেদনপত্র পূরণ করে জমা দিয়ে কন্টাক্ট দিতে হবে।কন্টাকে উত্তীর্ণ হলে আপনি সাথী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং আপনার আবেদন পত্র কেন্দ্রীয় সভাপতির কাছে যাবে।সভাপতি মন্জুর করলে, কিছুদিন পর আবার আপনাকে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধির কাছে কন্টাক্ট দিতে হবে। কন্টাক্টে উত্তীর্ণ হলে আপনাকে সাথী শপথ দেওয়া হবে।

এরপর ৪ নং ধারা, "একজন শিক্ষার্থী যদি সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যেকে তার জীবনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য হিসেবে গ্রহণ করেন,এ সংগঠনের কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতির সাথে পূর্ণ ঐক্যমত পোষণ করেন ও তা বাস্তবায়নের প্রচেষ্টায় সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করেন,এ সংগঠনের সংবিধানকে সম্পূর্ণররূপে মেনে চলে,তার জীবনে ইসলাম নির্ধারিত ফরজ ও ওয়াজিবসমূহ যথাযথভাবে পালন করেন,কবিরা গুণাহসমূহ থেকে দূরে থাকেন এবং সংগঠনের লক্ষ্য ও কর্মসূচির বিপরীত কোন সংগঠনের সঙ্গে কোন সম্পর্ক না রাখেন,তাহলে তিনি এই সংগঠনের সদস্যপদ লাভ করেতে পারেন"।

ধারা-৫: সদস্য পদ লাভে ইচ্ছুক কোন কর্মী (সাথী) কেন্দ্রীয় সভাপতি হতে নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ করে তা যথাযথ ভাবে পূরণ করে কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত পন্থায় কেন্দ্রীয় সভাপতির কাছে পাঠিয়ে দেবেন এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি তা মন্জুর করবেন এবং তার সদস্য পদের শপথ নেওয়ার ব্যাবস্থা করবেন।মন্জুর করলে তার কারণ কার্যকরী পরিষদের নিকট ব্যাখ্যা করতে বাধ্য থাকবেন"।

যদি কোন সাথী ৪ নং ধারা পালন করে থাকেন এবং সংগঠনের সিলেবাস কর্তৃক কুরআন, হাদিসের অংশ এবং ৮৪ টি ইসলামি সাহিত্য অধ্যয়ন  করবে তাহলে তিনি স্থানীয় দায়িত্বশীলের মাধ্যমে সদস্য আবেদনপত্রের জন্য কন্টাক্ট দিতে হবে।উত্তীর্ণ হলে কেন্দ্ররীয় সেক্ররেটারির সাক্ষরিত আপনি আবেদনপত্র পাবেন।আবেদন পত্রের সাথে সংগঠন নির্ধারিত একটি

ডায়েরী পাবেন।ডায়েরীতে প্রতিদিনের ২৪ ঘন্টার প্রতি মিনিটের কাজের বর্ণনা ও হিসাব লিখতে হবে।এ ডায়েরি লেখার বয়স ৩ মাস হলে,আবার প্রশ্ন পত্রের জন্য কন্টাক্ট দিতে হবে।উত্তীর্ণ হলে কেন্দ্র থেকে প্রশ্নপত্র আসবে। ৭২ ঘন্টার মধ্যে প্রশ্নগুলো লিখে দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে কেন্দ্রে পাঠাতে হবে।এরপর এর ১ মাস পরে লিখিত কন্টাক হবে।উত্তীর্ণ হলে কয়েক ঘন্টা পরে শপথ কন্টাক্ট দিতে হবে।উত্তীর্ণ হলে পরের দিন চূড়ান্ত শপথ হবে।এতে উত্তীর্ণ হলে।আপনি শপথ অনুষ্ঠানে যেতে পারবেন।শপথ অনুষ্ঠানে অফিস সম্পাদক একটু বাছাই করবে।বাছাইয়ে আপনি টিকে গেলে মুরতারাম কেন্দ্রীয় সভাপতি শপথ দেওয়ারর জন্য উপস্থিত হবেন।তিনি চাইলে কাউকে প্রশ্ন করতে পারেন।যদি উত্তর না দিতে পারেন, তাহলে আপনি বাদ পরতে পরেন।এরপর কেন্দ্রীয় সভাপতি শপথ দিবেন।

সদস্যপদই বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের সর্বোচ্চ সাংগঠনিক মানের পদ।কেন্দ্রীয় সভাপতিও একজন সদস্য।

অশ্যই:-১.সহীহ কুরআন তেলাওয়াত জানতে হবে।

২.জামায়াতে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে হবে।

৩.মাদক থেকে মুক্ত হতে হবে।

৪.সকল প্রকার অনৈসলামিক কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।

৫.কবীরা গুনাহ থেকে মুক্ত থাকতে হবে।

৬.ছাত্র হতে হবে।

এছাড়াও আরও শর্ত আছে,যা সংবিধানের ধারার  মধ্যে নিহিত আছে।


আর কিছু জানতে চান.?

দিয়েছেন

বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের জনশক্তিদের মান অনুযায়ি ৪ টা ধাপ আছে,প্রথমে সমর্থক,তারপর কর্মী,তারপর সাথী, তারপর সদস্য। সংগঠনের ৩ নং ধারায় বর্ণিত আছে, "যে সব ছাত্র ইসলামি জীবন বিধান প্রঠিষ্টার সংগ্রামে অংশ নিতে প্রস্তুত, তাদেরকে এ সংগঠনের অধিনে সংঘবদ্ধ করা"। তো আপনি যদি ৩ নং ধারা পালন করেন তাহলে সংগঠনের আপনি সমর্থক হিসেবে বিবেচিত হবেন।তবে অবশ্যই অফিশিয়ালি সমর্থক ফরম পূরণ করতে হয়। এর পর সংগঠনের সিলেবাস কর্তৃক কর্মী সিলেবাসের কুরআন ও হাদিসের নির্দৃষ্ট খন্ড এবং সিলেবাস কর্তৃক ১১ টি ইসলামি সাহিত্য অধ্যয়ন করেন তাহলে উর্ধতন দায়িত্বশিলের নিকট একটি কন্টাক্ট (পরিক্ষা) দিয়ে কর্মী শপথ নিতে হবে। এরপর ৯নং ধারা-"যদি কোন শিক্ষার্থী সংগঠনের লক্ষ্য উদ্দেশ্যের সাথে ঐক্যমত পোষণ করেন,এ সংগঠনের কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতির সাথে সচেতন ভাবে একমত হন,ইসলামের প্রাথমিক দায়িত্ব সমূহ পালন করেন এবং সংগঠনের সামগ্রিক তৎপরতায় পূর্ণভাবে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতি দেন, তাহলে তিনি এ সংগগঠনের সাথী হতে পারবেন"। ধারা -১০:সাথী হতে ইচ্ছুক কোন শিক্ষার্থী কেন্দ্রীয় সংগঠন কর্তৃক নির্ধারিত সাথী হবার আবেদনপত্র পূরণ করে তা কেন্দ্রীয় সভাপতি অথবা তার কোন স্থানীয় প্রতিনিধির কাছে জমা দেবেন এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি বা তার স্থানীয় প্রতিনিধি সে আবেদনপত্র মন্জুর করে নেবেন"। যদি আপনি ৯ নং ধারা পালন করে থাকেন এবং সিলেবাসে বর্ণিত নির্ধারিত কুরআন,হাদিস এবং ৩০টি ইসলামি সাহিত্য অধ্যায়ন করেন, তাহলে স্থানীয় দায়িত্বশীলের মাধ্যমে সাথী কন্টাক্ট দেওয়ার জন্য আবেদনপত্র পূরণ করে জমা দিয়ে কন্টাক্ট দিতে হবে।কন্টাকে উত্তীর্ণ হলে আপনি সাথী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং আপনার আবেদন পত্র কেন্দ্রীয় সভাপতির কাছে যাবে।সভাপতি মন্জুর করলে, কিছুদিন পর আবার আপনাকে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধির কাছে কন্টাক্ট দিতে হবে। কন্টাক্টে উত্তীর্ণ হলে আপনাকে সাথী শপথ দেওয়া হবে। এরপর ৪ নং ধারা, "একজন শিক্ষার্থী যদি সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যেকে তার জীবনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য হিসেবে গ্রহণ করেন,এ সংগঠনের কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতির সাথে পূর্ণ ঐক্যমত পোষণ করেন ও তা বাস্তবায়নের প্রচেষ্টায় সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করেন,এ সংগঠনের সংবিধানকে সম্পূর্ণররূপে মেনে চলে,তার জীবনে ইসলাম নির্ধারিত ফরজ ও ওয়াজিবসমূহ যথাযথভাবে পালন করেন,কবিরা গুণাহসমূহ থেকে দূরে থাকেন এবং সংগঠনের লক্ষ্য ও কর্মসূচির বিপরীত কোন সংগঠনের সঙ্গে কোন সম্পর্ক না রাখেন,তাহলে তিনি এই সংগঠনের সদস্যপদ লাভ করেতে পারেন"। ধারা-৫: সদস্য পদ লাভে ইচ্ছুক কোন কর্মী (সাথী) কেন্দ্রীয় সভাপতি হতে নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ করে তা যথাযথ ভাবে পূরণ করে কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত পন্থায় কেন্দ্রীয় সভাপতির কাছে পাঠিয়ে দেবেন এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি তা মন্জুর করবেন এবং তার সদস্য পদের শপথ নেওয়ার ব্যাবস্থা করবেন।মন্জুর করলে তার কারণ কার্যকরী পরিষদের নিকট ব্যাখ্যা করতে বাধ্য থাকবেন"। যদি কোন সাথী ৪ নং ধারা পালন করে থাকেন এবং সংগঠনের সিলেবাস কর্তৃক কুরআন, হাদিসের অংশ এবং ৮৪ টি ইসলামি সাহিত্য অধ্যয়ন করবে তাহলে তিনি স্থানীয় দায়িত্বশীলের মাধ্যমে সদস্য আবেদনপত্রের জন্য কন্টাক্ট দিতে হবে।উত্তীর্ণ হলে কেন্দ্ররীয় সেক্ররেটারির সাক্ষরিত আপনি আবেদনপত্র পাবেন।আবেদন পত্রের সাথে সংগঠন নির্ধারিত একটি ডায়েরী পাবেন।ডায়েরীতে প্রতিদিনের ২৪ ঘন্টার প্রতি মিনিটের কাজের বর্ণনা ও হিসাব লিখতে হবে।এ ডায়েরি লেখার বয়স ৩ মাস হলে,আবার প্রশ্ন পত্রের জন্য কন্টাক্ট দিতে হবে।উত্তীর্ণ হলে কেন্দ্র থেকে প্রশ্নপত্র আসবে। ৭২ ঘন্টার মধ্যে প্রশ্নগুলো লিখে দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে কেন্দ্রে পাঠাতে হবে।এরপর এর ১ মাস পরে লিখিত কন্টাক হবে।উত্তীর্ণ হলে কয়েক ঘন্টা পরে শপথ কন্টাক্ট দিতে হবে।উত্তীর্ণ হলে পরের দিন চূড়ান্ত শপথ হবে।এতে উত্তীর্ণ হলে।আপনি শপথ অনুষ্ঠানে যেতে পারবেন।শপথ অনুষ্ঠানে অফিস সম্পাদক একটু বাছাই করবে।বাছাইয়ে আপনি টিকে গেলে মুরতারাম কেন্দ্রীয় সভাপতি শপথ দেওয়ারর জন্য উপস্থিত হবেন।তিনি চাইলে কাউকে প্রশ্ন করতে পারেন।যদি উত্তর না দিতে পারেন, তাহলে আপনি বাদ পরতে পরেন।এরপর কেন্দ্রীয় সভাপতি শপথ দিবেন। সদস্যপদই বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের সর্বোচ্চ সাংগঠনিক মানের পদ।কেন্দ্রীয় সভাপতিও একজন সদস্য। অশ্যই:-১.সহীহ কুরআন তেলাওয়াত জানতে হবে। ২.জামায়াতে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে হবে। ৩.মাদক থেকে মুক্ত হতে হবে। ৪.সকল প্রকার অনৈসলামিক কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। ৫.কবীরা গুনাহ থেকে মুক্ত থাকতে হবে। ৬.ছাত্র হতে হবে। এছাড়াও আরও শর্ত আছে,যা সংবিধানের ধারার মধ্যে নিহিত আছে। আর কিছু জানতে চান.?


N Site 24