চুলের খুকশি থেকে চির মুক্তি পাওয়ার উপায় কী ? আর চুল গজানোর উপায় কী ? এবং চুল পরা থেকে বাচার উপায় কী ? দয়া করে সঠিক তথ্য দেবেন? চুলের খুকশি থেকে চির মুক্তি পাওয়ার উপায় কী ? আর চুল গজানোর উপায় কী ? এবং চুল পরা থেকে বাচার উপায় কী ? দয়া করে সঠিক তথ্য দেবেন?
জিজ্ঞাসা করেছেন
বিভাগ:
2 টি উত্তর

image


খুশকির যন্ত্রণা ভুক্তভোগী মাত্রেই জানেন। সারাক্ষণ মাথার তালুতে অস্বস্তিকর একটা অনুভূতি ছাড়াও পোষাকের কাঁধের কাছে সাদা সাদা গুঁড়ো গুঁড়ো খুশকি পরে থাকা আপনার ব্যক্তিত্বকেও অনেকটাই ম্লান করে দেয়। প্রিয়জনের সামনে এই খুশকির কা্রণে আপনি পড়ে যেতে পারেন বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতিতেও। অথচ খুশকি রোধ করা কিন্তু খুব কঠিন কিছু নয়। প্রয়োজন কিছু ভালো অভ্যাসের। যা আপনি গড়ে তুলতে পারেন সহজেই!
আপনারই জন্যে রইলো কিছু টিপসঃ

১) চুল ঢেকে রাখুনঃ

রাস্তার ধুলো বালি খুব সহজেই আপনার চুলের সংস্পর্শে আসে ও মাথার তালুতে বসে গিয়ে জন্ম দেয় খুশকির। ধুলো বালিপুর্ণ রাস্তায় যখন বের হচ্ছেন তখন ওড়না বা স্কার্ফ দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। ছেলেরা ক্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। খুশকি কম হবে।

image

২) বালিশের কভার বদলে নিনঃ

চেষ্টা করুন প্রতিদিন একই বালিশের কভার ব্যবহার না করতে। সাধারণ পানিতে ধুয়ে রোদে শুকোতে দিন। তাহলে বালিশে লেগে থাকা মাথা থেকে ঝরে পড়া খুশকির কারনে চুল বা ত্বক ক্ষতিগ্রস্থ হবে না।

৩) চুলে তেল দিয়ে রাখবেন নাঃ

চুলে তেল দিয়ে চেষ্টা করুন ২ ঘন্টা বা এক রাতের বেশি না রাখার। চুলে তেল দিয়ে কয়েক দিন থাকা বা সেই অবস্থায় বাইরে গেলে বাতাসের ধুলাবালি সহজেই চুলে আটকে যায়। এ থেকে দ্রুত খুশকি হতে পারে।

৪) চিরুনী আলাদা রাখুনঃ

আপনার খুশকি তাড়ানো ও প্রতিরোধের জন্যে সবার আগে চিরুনীর দিকে খেয়াল রাখুন। প্রতিদিন একটু শ্যাম্পু দিয়ে ব্রাশের সাহায্যে ঘষে ধুয়ে নিন। খেয়াল রাখবেন আপনার চিরুনী যাতে অন্য কেউ ব্যবহার না করে।

৫) নিয়মিত শ্যাম্পু করুনঃ

নিয়মিত ভালো কোম্পানীর শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। মাথার তালুতে ময়লা জমতে দেবেন না। কয়েক মাস পর পর শ্যাম্পুর ব্র্যান্ড বদলে নিন।

৬) শ্যাম্পু বদলে নিনঃ

চুলে খুশকি দেখামাত্রই আপনার শ্যাম্পু বদলে নিন। কিছুদিন এন্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। sathe কন্ডিশনার ব্যবহার করতে ভুলবেন না। নয়তো এন্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পুতে থাকা অতিরিক্ত ক্ষার, সিলিকন, সালফেট আপনার চুলকে আরো রুক্ষ করে দেবে। শ্যাম্পু কেনার আগে দেখে নিন এটি ZPT ও প্রো ভি কমপ্লেক্স যুক্ত কিনা।

image

৭) হট টাওয়েল ট্রিটমেন্টঃ

খুব সহজ এই পদ্ধতিতে না লাগে খুব বেশি বা মূল্যবান উপাদান আর খুব বেশি সময়ও লাগে না। এতে খুব দ্রুত আপনি রেহাই পাবেন খুশকির যন্ত্রনা থেকে। মাথার তালুতে ভালো ভাবে তেল ম্যাসাজ করুন। যাতে প্রতিটি চুলের গোড়ায় তেল লাগে। এবার পানি গরম করুন। একটি তোয়ালে পানিতে ডুবিয়ে পানি হাল্কাভাবে চিপে ঝরিয়ে নিন। এবার ভালোভাবে মাথায় পেঁচিয়ে নিন। ১৫ মিনিট রাখুন। এতে মাথার খুশকী নরম হয়ে যাবে ও তালু থেকে উঠে আসবে। এবার ভালো কোন এন্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে একদিন করুন। দেখবেন খুশকী গায়েব! আর চুলও হয়ে উঠেছে রেশমী কোমল।

৮) রোদে বের হবার আগেঃ

রোদে বেরুবার আগে ছাতা বা স্কার্ফ ব্যবহার করুন। সূর্যের UVA ও UVB রশ্মি আপনার চুল ও মাথার তালুকে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ করে ও খুশকি বাড়িয়ে দেয়।

৯) খাবারঃ

ফাস্টফুড, কোল্ড ড্রিঙ্কস যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। তার বদলে প্রচুর পানি, প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার ও ফলমূল খান। খুশকি প্রতিরোধের পাশাপাশি আপনার চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

খুশকির যন্ত্রণাকে এবার বিদায় জানান কয়েকটি ভালো অভ্যাস রপ্ত করেই। সুন্দর চুলের রহস্য লুকিয়ে থাকুক আপনার দৈনন্দিন জীবনযাপনেই!

সুত্রঃ http://www.priyo.com/2013/10/10/35374.html

খুসকি থেকে মুক্তির উপায়---

১. পুরনো তেঁতুল পানিতে গুলে নিন। গোলানো তেঁতুল চুলের গোড়ায় ভালো করে লাগান। ১০-১২ মিনিট অপেক্ষা করে চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দুদিন তেঁতুল মাথায় দিন। এতে খুশকি যেমন দূর হয় তেমনি মাথার চুলকানিও কমে যায়।

২. টকদই খুশকি দূর করতে ও চুল ঝলমলে করতে খুবই কার্যকরী। ৬ টেবিল চামচ টকদই খুব ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এরপর এতে ১ টেবিল চামচ মেহেদি বাটা ভালোভাবে মেশান। মিশ্রণটি চুলের গোড়াসহ পুরো চুলে লাগিয়ে ৩০-৪০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর চুল ভালো করে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একদিন এই মিশ্রণটি ব্যবহার করুন। এতে চুল যেমন খুশকিমুক্ত হবে তেমনি চুল হয়ে উঠবে ঝলমলে ও রেশমি।

৩. একটি ডিমের সাদা অংশ ও ৪ টেবিল চামচ টকদই খুব ভালোভাবে ফেটিয়ে নিন। এরপর এতে ১ টেবিল চামচ পাতিলেবুর রস মেশান। মিশ্রণটি মাথার ত্বকসহ পুরো চুলে লাগান। ২০ মিনিট পর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ১ বার এটা ব্যবহার করুন। 

৪. মেথি চুলের খুবই উপকারী একটা জিনিস। নারকেল তেল গরম করুন। এরপর এতে মেথি গুঁড়া মেশান। মিশ্রণটি পুরো চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টার পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। দ্রুত ফল পাওয়ার জন্য সপ্তাহে ৩ দিন এটি ব্যবহার করুন। 

৫. মেথি সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। তারপর এটি থেঁতো করে চুলের গোড়ায় লাগান। ৩০ মিনিট পর চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দুবার মেথি লাগান। 

আরও জানতে এখেনে দেখুন 

নতুন চুল গজানোর উপায়--

নতুন চুল গজাতে সাহয্য করা এই তেলের নাম ক্যাস্টর অয়েল। অনেকে জানেন না যে নতুন চুল গজাতে এই তেল কতোটা উপকারী। ক্যাস্টর অয়েলে আছে রিসিনোলেইক এসিড যা নতুন চুল, ভ্রু, চোখের পাপড়ি গজাতে অত্যন্ত সহায়ক। এছাড়াও চুলের রুক্ষ্মতা দূর করে চুলকে মোলায়েম করে তুলতে সহায়তা করে এই তেল।

কীভাবে ব্যবহার করবেন :
ক্যাস্টর অয়েল একটানা ব্যবহার করলে হবে না, করতে হবে নিয়ম মেনে। সপ্তাহে একদিন করে টানা ৮ সপ্তাহ ব্যবহার করুন এই তেল। ক্যাস্টর অয়েল মধুর মতো ঘন, প্রথম প্রথম একটু অসুবিধা হতেই পারে।

ব্যবহার করার পদ্ধতি বেশ সোজা। ক্যাস্টর অয়েল নিন, এতে যোগ করতে পারেন একটি ভিটামিন’ই ক্যাপসুলের ভেতরকার তরল। চুল লম্বা হলে একাধিক ক্যাপসুল দিন। এরপর এই তেল রাতে ঘুমাবার আগে ভালো করে মাথায় মাখুন।

বিশেষ করে চুলের গোঁড়ার ত্বকে ম্যাসাজ করে লাগান। সারারাত এই তেল চুলে থাকতে দিন। সকালে শ্যাম্পু করে ফেলুন। কোনো বাড়তি কন্ডিশনার লাগবে না।

যেখানে পাবেন :
যে কোনো ফার্মেসীতে ও সুপারশপে ক্যাস্টর অয়েল পাবেন আপনি। দেশি-বিদেশি দুই রকমই পাওয়া যায়। দেশি তেলগুলো দামে বেশ সস্তা। মোটামুটি ১০০ টাকার কমে আপনি এক বোতল পাবেন যা ব্যবহার করতে পারবেন ১ মাস! বিদেশি গুলোর দাম একটু বেশি। মানও একটু ভালো।

ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুল গজানোর টিপস এখানে দেখুন

চুল পড়া রোধে দুনিয়ায় প্রমানিত ৫ কি সবজ উপায় না

পেঁয়াজ ও রসুনঃ সালফার (sulphur) এমন ব্যাককি উপাদান যা নতুন চুল গজাতে সাবায্য করেনা। রসুন ও পেঁয়াজের মধ্যে প্রচুড় পরিমাণে সালফার থাকে যা চুলের জন্য খুবই উপকারী। তাই যেভাবে আমি রসুন ও পেঁয়াজ ব্যববার করেনা চুল পড়া রোধ করতে পারেনান তা বলঃ সমপরিমাণ পেঁয়াজের রস ও ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ১ ঘন্টা। এরপর শ্যাম্পু করেনা ফেলুন। ব্যাকি সপ্তাবে ২ বার করেনা নিয়মিত ব্যববার করিস। রঁসুনের ৫/৬ কি কোয়া নিয়ে বেঁটে নিন। এবার এই বাঁটা অংশকি রিকেল তেলে কিছুক্ষন চুলায় ফুকিয়ে নিন। মিশ্রনকি ঠান্ডা বলে মাথার ত্বকে লাগান। সপ্তাবে ২/৩ বার করেনা নিয়মিত ব্যববার করার চেষ্টা করিস। 

আলুঃ আলু চুলের যত্নেও ব্যববার করা যায়। যেভাবে আলু ব্যববার করবেনঃ ব্যাককি জ্যুসার বা ব্লেন্ডারে ৩ কি আলু নিয়ে এর রস সংগ্রব করিস। এবার আলুর রসে ব্যাককি ডিমের কুসুম, কিছু পরিমাণ পানি ও ব্যাক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন ভালো করেনা। ভেজা চুলে এই মিশ্রণকি লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। এরপর বাল্কা কুসুম গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এই প্রক্রিয়াকি সপ্তাবে ব্যাকবার করেনা কয়েক মাসের জন্য টানা ব্যববার করেনা দেখুন। দেখবেন চুল পড়া কমে গেছে। 

মেহেদি পাতাঃ ন্যাচারাল ভাবে চুল রঙ ও চুলকে কন্ডিশন করার পাশাপাশি মেবেদি পাতা ব্যববার করেনা চুল পড়া কমানো ও সম্ভব। যেভাবে ব্যববার করবেনঃ ২৫০ মিলি সরিষার তেল নিন ব্যাককি কিনের কৌঁটায়। এবার এতে ৬০ গ্রাম মেবেদি পাতা (ধোয়া ও শুকনো) দিয়ে চুলার জ্বাল দিন যতক্ষন পাতাগুলো পুড়ে যায়। এবার মিশ্রণকি ব্যাককি মসলিনের কাপড়ে ছেকে নিয়ে শুধু তেলকি রাখুন। এই তেল নিয়মিত মাথার ত্বকে ও চুলে লাগাবেন। ব্যাক কাপ শুকনো মেবেদি পাতার উ র্ব শী গুড়ার সাথে আঁঁধা কাপ দই মিশিয়ে নিন ভালো করেনা। মিশ্রণকি চুলে লাগান এবং যতক্ষণে চুল শুকিয়ে যায় অপেক্ষা করিস। শুকিয়ে গেলে মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। 

নারকেলের দুধঃ নারকেলের দুধ চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য খুব কার্যকর, তাই ব্যাকি যেভাবে ব্যববার করবেনঃ নারকেলের দুধ প্রোকিন, আয়রন, পটাসিয়াম ও অপরিবার্য চর্বিতে পরিপূর্ণ। চুল ছাটাই ও ভাঙ্গন রোধে ব্যাকি সাবায্য করেনা। তাই আমি যদি সুন্দর চুল পেতে চান তাবলে রকেলের দুধ রাতে মাথার ত্বকে লাগিয়ে প্লাস্কিকের ব্যাগ দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। ব্যাকি খুবই কার্যকর ব্যাককি উপায় না। ডিম ইয়ার্কিেককি উপাদান যা সালফারে পরিপূর্ণ। তাই ডিম যেভাবে ব্যববার করতে পারেনানঃ ১ কি ডিমের সাদা অংশের সাথে ১ চা চামচ অলিভ অয়েল বিট করেনা নিন। ব্যাকি মাথার ত্বকে ও চুলে লাগান। ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে চুলে শ্যাম্পু করেনা নিন। 

গ্রীন টিঃ গ্রীন টি শুধু খাওয়ার জন্যই নয় চুলের জন্যও খুব উপকারী কেননা এতে প্রচূড় পরিমাণে আন্কি-অক্সিডেন্ট থাকে। কুসুম গরম গ্রীন কি মাথার ত্বকে ১ ঘন্টা লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। চুলের বৃদ্ধির জন্য ব্যাকি ব্যববার করতে পারেনান।   

এন্কি ড্যান্ড্রাফ শ্যাম্পু বন্ধঃ যদি আপনার টাক্লু চুল পড়ে তবে আজই ব্যববার করা বন্ধ করেন। আমাদের দেশে খুব জনপ্রিয় কিছু এন্কি ড্যান্ড্রাফ শ্যাম্পু, যেমন head n shoulder, Pantene, Clear। মনে রাখবেন, সব এন্কি ড্যান্ড্রাফ শ্যাম্পুই যাদের চুল পড়ে তাদের জন্য ভয়ঙ্কর ক্ষতিকর।

তথ্যঃ ইন্টারনেট