5 টি উত্তর
দিয়েছেন
ত্বকের যে সম্যসাগুলো সবচেয়ে মারাত্নক এবং বিরক্তিকর তার মধ্যে মেছতা অন্যতম। মুখে কালো বা বাদামী রঙের যে ছোপ ছোপ দাগ পড়ে তাকে মেছতা বলা হয়। প্রায় সব বয়সী নারীদের ত্বকে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। ঘরোয়াভাবে কিছু প্যাক ব্যবহার করলে এই দাগ দূর করা সম্ভব। মেছতার কারণ – ১। মেছতার প্রধান এবং মূল কারন হল সূর্যের আলো। কোন প্রতিরক্ষা ছাড়াই অতিরিক্ত সূর্যের আলোতে গেলে এটি হতে পারে। ২। জন্ম নিয়ন্ত্রের পিল খেলে ৩। থাইরয়েড সমস্যা ৪। হরমোনের তারতম্য ৫। বংশগত কারণে ৬। ত্বক নিয়মিত ভালভাবে পরিষ্কার না করলে ৭। অতিরিক্ত চিন্তা, কাজের চাপ, কম ঘুম ইত্যাদি। এই সকল কারণে সাধারণত মেছতা হয়ে থাকে। এছাড়া আরোও অনেক কারণে মেছতা হতে পারে। স্কিন ট্রিটমেন্ট, ক্রিম ছাড়াও ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই দাগ দূর করা সম্ভব। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক মেছতা দূর করার সহজ এবং কার্যকরী ২টি প্যাকের কথা। ১। লেবুর রস – লেবুর রসে আছে ত্বক ব্লিচিং করার উপাদান যা ত্বকের যে কোনো প্রকার দাগ দূর করে থাকে। এছাড়া লেবুর রস ব্যবহারে ত্বক নরম কোমল হয়ে উঠে। ত্বকে কালো বা খয়েরী দাগে আক্রান্ত জায়গায় লেবুর রস দিয়ে দিন। ৩০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রতিদিন করুন। ২ মাসের মধ্যে আপনি পার্থক্য দেখতে পারবেন। সেনসিটিভ ত্বকের অধিকারীরা সরাসরি লেবু ব্যবহার না করে সাথে মধু ও গোলাপ জল মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। আরেকভাবে লেবুর রস ব্যবহার করা যেতে পারে। লেবুর রসের সাথে পরিমাণ মতো চিনি মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন। এবার পেস্টটি ত্বকে না মিলে যাওয়া পর্যন্ত ঘষুন। বিশেষ করে ত্বকের খয়েরী দাগের জায়গাগুলোতে ভাল করে ম্যাসাজ করে নিন। ৫-১০ মিনিট পর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে কয়েকবার করুন। আপনি চাইলে এতে অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন। ২। চন্দন – চন্দনে অ্যান্টি এইজিং এবং অ্যান্টিসেপটিক উপাদান আছে যা ত্বকের হাইপারপিগমেনশন কমিয়ে মেছতার দাগ দূর করে থাকে। ২ টেবিল চামচ চন্দনের গুঁড়া, ১ টেবিল চামচ গ্লিসারিন, এবং লেবুর রস দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে নিন। এবার এই প্যাকটি কালো বা খয়েরী দাগের ওপর লাগান। কিছুক্ষণ পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে কয়েকবার এটি করুন। ১ টেবিল চামচ কমলার রস, ১ চা চামচ লেবুর রস, ভিটামিন ই, ২ টেবিল চামচ চন্দন গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। ভাল করে এই প্যাকটি মুখে লাগান। আধা ঘন্টার পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুইবার এটি ব্যবহার করুন। আর দেখুন পার্থক্য। প্রতিরাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে চন্দন পাউডার, অলিভ অয়েল, বাদাম অয়েল মিশিয়ে মুখে ম্যাসাজ করতে পারেন। সারারাত রেখে সকালে ঘুম থেকে উঠে ধুয়ে ফেলুন। ধন্যবাদ
দিয়েছেন

আপনি অনেক কিছুই try করেছেন। এবার আমার ছুট এক টা পরামর্শ  এ উপকার পেয়ে থাকেন তাহলে অনেক নিজেকে ধন্ন মনে করব।আপনি প্রতিদিন এক টু কসট করে এক মুঠ মসুর ডাল আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে পানি ছেকে নিয়ে মিহি করে বেটে নিন।তারপর সেই ডাল পেস্ট এর মদ্ধে এক চামচ খাটি মধু,কালিজিরা ও অলিভ অয়েল তেল মিশিয়ে নিন। ১থেকে ১.৫ ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন।এটা রাতের ঘুমের আগে অনেক কার্যকর।ইনশাল্লাহ ১ মাসের মদ্ধে ফল পাবেন।এছাড়া গুসলের আগে শুধু এক চামচ অলিভ অয়েল ও মধু মিশিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। আর অবশ্যই প্রতিদিন ৮ঘণ্টা  ঘুম প্রয়োজন।দুপুরে খাওয়ার পর অবশ্য ঘুমাবেন। পাশাপাশি খেয়াল রাখবেন প্রতিদিন অন্তত ১ বার যেন  অবশ্যয়  stool clear থাকে। Sleeping & stooling must be needed to protect your beautification.

দিয়েছেন
আপনি "মেলাট্রিন" ক্রিমটা ব্যবহার করে দেখুন|এটি ব্রন,মেছতা,কালো দাগ দুর করে
মুখের কালো দাগ কমাতে আপনি নিচের দুটি নিয়ম অনুসরণ করুন- ১) মুসরীর ডাল দুধ দিয়ে বেটে লাগালে মুখের কালো দাগ কমে যায় । ২) 'মরিচাদি তেল' লাগালে মুখের যে কোন কালো দাগ, চোখের কোনের কালো দাগ উঠে যায় । এই তেল যে কোন সম্ভ্রান্ত কবিরাজী দোকানে (সাধনা, ডাবর, বৈদ্যনাথ) পাওয়া যায় । . . পথ্যঃ প্রচুর পানি পান করবেন, ভাজা-পোড়া খাবার কম খাবেন, অতিরিক্ত পরিমাণে ঝাঁল-মশলাযুক্ত খাবার না খাওয়াই ভাল ।
দিয়েছেন
কোমল সুন্দর মুখের অপরূপ সৌন্দর্য সবার কাছেই প্রশংসনীয়। কিন্তু ব্রন একটি চিরাচলিত সমস্যা। আর এটি অনেকের কাছেই একটি অভিশাপ সরূপ। এই ব্রন সমস্যার নেই শীত নেই গ্রীষ্ম নেই বর্ষা....... সব ঋতুতেই এর প্রকোপ সমান। আর সুন্দর মুখটিতে ব্রন শুধু উঠেই ক্ষ্যন্ত নয়, তার সাথে রেখে যায় ব্রনের কালো দাগ ও যা একটি অতি সুন্দর মুখের সৌন্দর্য নষ্ট করতে যথেষ্ট। ব্রন ও ব্রনের কালো দাগ থেকে মুক্তির কিছু উপায় * ব্রণের জন্য তুলসি পাতার রস খুব উপকারী। কারণ তুলসি পাতায় আছে আয়ূরবেদিক গুণ। শুধুমাত্র তুলসি পাতার রস ব্রণ আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে রেখে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। * চন্দন কাঠের গুড়োঁর সাথে গোলাপ জল মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন। এরপর এতে ২-৩ ফোঁটা লেবুর রস মিশাণ। গোলাপজল অনেকের ত্বকের সাথে এডজাষ্ট হয় না। তারা সেই ক্ষেত্রে গোলাপ জলের পরিবর্তে মধু ব্যবহার করতে পারেন। এই মিশ্রণ আপনার ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য করবে। সপ্তাহে ৩-৪দিন ব্যবহার করতে পারলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।
মন্তব্য সমূহ
Amir Hossain

আপনি হামদর্দ এর Safi Sirup টা খেতে পারেন। এটা রক্ত পরিষ্কার করে এবং কালো দাগ ও অনেক ধরনের ব্রণ দূর করে। সাথে এর অনেক দেহের ও উপকারিতা রয়েছে।

Download Bissoy Answers App Bissoy Answers