পশুর খুটে খাওয়া মাচ বিয়ার গ্রিলস এর সাথে ভাগাভাগি করে খেলেন বারাক ওবামা?
 (26632 পয়েন্ট) 

জিজ্ঞাসার সময়

পশুর খুটে খাওয়া মাচ বিয়ার গ্রিলস এর সাথে ভাগাভাগি করে খেলেন বারাক ওবামা 

1 Answers

 (7772 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

বেয়ার গ্রিলস একজন সারভাইবাল এক্সপার্ট। ডিসকভারি চ্যানেলে বেয়ারের দুঃসাহসী ও পাগলাটে কর্মকাণ্ডই তাকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। সভ্যতার বাইরে প্রতিকূল প্রাকৃতিক পরিবেশে কিভাবে বেঁচে থাকতে হয় সেটাই তিনি তুলে ধরেন তার নিত্যনতুন কৌশল আর দুঃসাহসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে। ডিসকভারি চ্যানেলে বেয়ারের টিভি শো 'ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড' সর্বশ্রেণির দর্শকের কাছে তুমুল জনপ্রিয়। এই শোতে মাঝে মধ্যে বিভিন্ন মানুষকে নিয়ে তিনি বনেবাদাড়ে চলে যান বেঁচে থাকার চ্যালেঞ্জ নিয়ে। সেই সঙ্গীদের মধ্যে তেমনি একজন পৃথিবীর মহাশক্তিধর দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা!


 এর আগে বেয়ার যখন হোয়াইট হাউস থেকে ফোন পান তখন বিশ্বাস করতে পারেননি। ভেবেছিলেন কেউ দুষ্টুমি করছে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ওবামা যখন নিজে তার সাথে কথা বলেন তখন তিনি আকাশ থেকে পড়েন! বেয়ার গ্রিলস মানেই বিছে, পোকামাকড়, বহু দিনের মৃত পশুর মাংস, রক্ত, মল, কাঁচা মাছ এমনকি প্রাণ বাঁচাতে নিজের প্রস্রাব পান সহ খাওয়ার যোগ্য অযোগ্য যেকোনো কিছুই অবলীলায় খেয়ে ফেলার গা শিরশির করা দৃশ্য। নিত্যনতুন কৌশলে পাহাড় নদী জঙ্গল পার হয়ে তিনি ঠিকই পৌছে যান সভ্য জগতে। বেয়ার গ্রিলস-এর সঙ্গে বারাক ওবামার অ্যাডভেঞ্চারের শুটিং মাস দুয়েক আগেই শেষ হয়েছিল। এই পর্বে আদিম প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই চালিয়ে সভ্যতায় পৌঁছানোর চ্যালেঞ্জে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সঙ্গী করেই বেয়ার পাড়ি দিয়েছেন আলাস্কার প্রত্যন্ত অঞ্চলে। এবার ক্যামেরায় ধারণকৃত সেই অ্যাডভেঞ্চারের দৃশ্য আসছে টিভি পর্দায়। ডিসকভারি চ্যানেলের ঘোষণা অনুযায়ী এ বছরের শেষ দিনটিতে অর্থাৎ আগামী ৩১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৯টায় 'পাগলা' বেয়ারের সাথে পৃথিবী সবচে' শক্তিধর ব্যক্তিটির অ্যাডভেঞ্চার দেখতে পাবে দর্শকরা। কড়া নিরাপত্তার ভেতর এই অ্যাডভেঞ্চারের শুটিং হয়েছিল। শুটিংয়ের পরপরই বেয়ার বলেছিলেন ওবামার সাথে তিনটি দিন খুব উপভোগ্য ছিল। 


যুক্তরাজ্যের নাগরিক বেয়ার গ্রিলসের পুরো নাম এডওয়ার্ড মাইকেল গ্রিলস। জন্ম জুন ৭, ১৯৭৪। পিতা কনজারভেটিভ পার্টির প্রয়াত রাজনীতিবিদ স্যার মাইকেল গ্রিলস। পরিবারে স্ত্রী সারা এবং তিন সন্তান। তিনি পড়াশোনা শেষ করে দুনিয়া জয়ের নেশায় ভারতীয় সেনাবাহিনী, যুক্তরাজ্যের স্পেশাল ফোর্স এবং স্পেশাল এয়ারফোর্সে চাকরি করেন। মানবসেবায় অবদান রাখার জন্যে ২০০৪ সালে গ্রিলসকে সম্মানসূচক পদ লেফটেন্যান্ট কমান্ডারে পদোন্নতি দেওয়া হয়। 


১৯৯৮ সালের ১৬ মে মাত্র ২৩ বছর বয়সে সর্বকনিষ্ট এভারেস্টজয়ীর গৌরব অর্জন করেন। পরিবেশ দূষণের ফলে কী ভাবে পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে, তারই প্রচারে এই বেয়ারের সঙ্গে সারভাইবাল চ্যালেঞ্জে সঙ্গী হয়েছেন ওবামা। 


https://www.youtube.com/watch?v=DslPYTrQhO8

Recent Questions
Loading interface...