কিভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা হয় জেনে নিন।

আসলে ভিন্ন ভিন্ন পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতির সুবিধা ও অসুবিধাগুলোও ভিন্ন। আপনার সঙ্গি, অন্যান্য নারী, বা একজন স্বাস্থ্যকর্মীর সাথে বিভিন্ন পদ্ধতির বিষয়ে কথা বললে হয়তো আপনার জন্য কোনটা সঠিক তার সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য হতে পারে। পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি বাছাই করার সময় কয়েকটি বিষয় আপনি বিবেচনা করতে পারেন

  • এটি কত ভালভাবে গর্ভধারণ রোধ করে
  • কত ভালভাবে এটি যৌনবাহিত সংক্রামণ রোধ করে
  • আপনার সঙ্গি পরিবার পরিকল্পনা ব্যবহার করতে চায় কিনা, বা বিষয়টি আপনার তার কাছ থেকে লুকিয়ে রাখতে হবে কিনা
  • পদ্ধতিটি পাওয়া সহজ কিনা, এবং কত দিন পরপর আপনার তা ব্যবহার করতে হবে
  • পদ্ধতিটির খরচ ক
  • এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কিনা

আপনার অন্যান্য চাহিদা বা উদ্বেগের বিষয় আছে কিনা।  গর্ভধারণ রোধ যৌনবাহিত রোগ রোধ কতদিন পর পর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ  ভাল সবথেকে ভাল প্রতিবার যদি শুক্রাণুনাশক এবং জলভিত্তিক পিচ্ছিলকারকের সাথে ব্যবহার করা হয় তবে সবথেকে ভাল কাজ করে। প্রতিবার যৌনসঙ্গম করার সময় কনডম ব্যবহার করতে হবে।

  • জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি -সমন্বিত বড়ি   প্রতিদিন প্রতিদিন যদি একই সময়ে সেবন করা হয় তবে সবথেকে ভাল কাজ করে। যে নারীদের নীচে তালিকাবদ্ধ করা স্বাস্থ্য সমস্যাগুলো আছে তাদের এই পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত নয়
  • জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি -ছোট বড়ি প্রতিদিন যদি প্রতিদিন একই সময়ে নেয়া হয় তবেই তা শুধুমাত্র কাজ করবে। বুকের দুধ দেয়ার সময়েও ব্যবহার করা যায় (শিশুটির বয়স ৬ সপ্তাহ হয়ে যাবার পর)
  • ইঞ্জেকশন ১, ২, বা ৩ মাস প্রতি ১, ২, বা ৩ মাস পরপর পুনরাবৃত্তি করতে হবে (ধরনের উপর নির্ভর করে)
  • আইইউডি সবথেকে  ৫ বা ১২ বছর ৫ বা ১২ বছরের জন্য কার্যকর (ধরনের উপর নির্ভর করে)। বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মী দ্বারা অবশ্যই প্রথিত ও অপসারণ করতে হবে
  • পেনিস বের করে আনা (প্রত্যাহার করা)  আপনি প্রতিবার যৌনসঙ্গম করার সময় আপনার সঙ্গিকে তার পুরুষাঙ্গ বের করে আনতে হবে। সে যদি বের করে আনেও যৌনসঙ্গমের সময় পুরুষাঙ্গ থেকে কিছু পরিমাণ তরল পদার্থ যোনিপথে প্রবেশ করতে পারে, যার ফলে গর্ভধারণ হয়ে যেতে পারে, বা যৌনবাহিত রোগ ছড়াতে পারে

এছাড়াও বুকের দুধ খাওয়ানো (শুধু প্রথম ৬ মাসের জন্য) খুব ভাল মোটেই না দিনে ও রাতে বেশ কয়েকবার এই পদ্ধতিটি কার্যকর হবে শুধুমাত্র নারীটি যদি তার শিশুকে প্রতিদিন শুধু বুকের দুধ খাওয়ায় এবং ফলে তার মাসিক শুরু না হয় এতে গর্ভধারণক্ষমতার সচেতনতা প্রতিবার যাদের মাসিকচক্র অনিয়মিত তাদের জন্য এই পদ্ধতি ভাল কাজ করে না

সঙ্গম ছাড়া যৌনক্রিয়া (পুরুষাঙ্গ স্ত্রীযোনির ভিতরে যায় না) সবথেকে ভাল নির্ভর করে প্রতিবার একটি পুরুষাঙ্গ যদি স্ত্রীযোনি স্পর্শ না করে তবে সে গর্ভবতী হতে পারবে না। পায়ুপথে যৌনক্রিয়া সহজেই যৌনরোগ ছড়াতে পারে, মুখমৈথুন সহজে যৌনরোগ ছড়ায় না, এবং যৌনস্পর্শের মাধ্যমে যৌনরোগ ছড়ানোর ঘটনা বিরল।

উক্ত উপায়ে জন্মনিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। ধন্যবাদ। 


আসলে ভিন্ন ভিন্ন পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতির সুবিধা ও অসুবিধাগুলোও ভিন্ন। আপনার সঙ্গি, অন্যান্য নারী, বা একজন স্বাস্থ্যকর্মীর সাথে বিভিন্ন পদ্ধতির বিষয়ে কথা বললে হয়তো আপনার জন্য কোনটা সঠিক তার সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য হতে পারে। পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি বাছাই করার সময় কয়েকটি বিষয় আপনি বিবেচনা করতে পারেন

  • এটি কত ভালভাবে গর্ভধারণ রোধ করে
  • কত ভালভাবে এটি যৌনবাহিত সংক্রামণ রোধ করে
  • আপনার সঙ্গি পরিবার পরিকল্পনা ব্যবহার করতে চায় কিনা, বা বিষয়টি আপনার তার কাছ থেকে লুকিয়ে রাখতে হবে কিনা
  • পদ্ধতিটি পাওয়া সহজ কিনা, এবং কত দিন পরপর আপনার তা ব্যবহার করতে হবে
  • পদ্ধতিটির খরচ ক
  • এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কিনা

আপনার অন্যান্য চাহিদা বা উদ্বেগের বিষয় আছে কিনা।  গর্ভধারণ রোধ যৌনবাহিত রোগ রোধ কতদিন পর পর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ  ভাল সবথেকে ভাল প্রতিবার যদি শুক্রাণুনাশক এবং জলভিত্তিক পিচ্ছিলকারকের সাথে ব্যবহার করা হয় তবে সবথেকে ভাল কাজ করে। প্রতিবার যৌনসঙ্গম করার সময় কনডম ব্যবহার করতে হবে।

  • জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি -সমন্বিত বড়ি   প্রতিদিন প্রতিদিন যদি একই সময়ে সেবন করা হয় তবে সবথেকে ভাল কাজ করে। যে নারীদের নীচে তালিকাবদ্ধ করা স্বাস্থ্য সমস্যাগুলো আছে তাদের এই পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত নয়
  • জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি -ছোট বড়ি প্রতিদিন যদি প্রতিদিন একই সময়ে নেয়া হয় তবেই তা শুধুমাত্র কাজ করবে। বুকের দুধ দেয়ার সময়েও ব্যবহার করা যায় (শিশুটির বয়স ৬ সপ্তাহ হয়ে যাবার পর)
  • ইঞ্জেকশন ১, ২, বা ৩ মাস প্রতি ১, ২, বা ৩ মাস পরপর পুনরাবৃত্তি করতে হবে (ধরনের উপর নির্ভর করে)
  • আইইউডি সবথেকে  ৫ বা ১২ বছর ৫ বা ১২ বছরের জন্য কার্যকর (ধরনের উপর নির্ভর করে)। বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মী দ্বারা অবশ্যই প্রথিত ও অপসারণ করতে হবে
  • পেনিস বের করে আনা (প্রত্যাহার করা)  আপনি প্রতিবার যৌনসঙ্গম করার সময় আপনার সঙ্গিকে তার পুরুষাঙ্গ বের করে আনতে হবে। সে যদি বের করে আনেও যৌনসঙ্গমের সময় পুরুষাঙ্গ থেকে কিছু পরিমাণ তরল পদার্থ যোনিপথে প্রবেশ করতে পারে, যার ফলে গর্ভধারণ হয়ে যেতে পারে, বা যৌনবাহিত রোগ ছড়াতে পারে

এছাড়াও বুকের দুধ খাওয়ানো (শুধু প্রথম ৬ মাসের জন্য) খুব ভাল মোটেই না দিনে ও রাতে বেশ কয়েকবার এই পদ্ধতিটি কার্যকর হবে শুধুমাত্র নারীটি যদি তার শিশুকে প্রতিদিন শুধু বুকের দুধ খাওয়ায় এবং ফলে তার মাসিক শুরু না হয় এতে গর্ভধারণক্ষমতার সচেতনতা প্রতিবার যাদের মাসিকচক্র অনিয়মিত তাদের জন্য এই পদ্ধতি ভাল কাজ করে না

সঙ্গম ছাড়া যৌনক্রিয়া (পুরুষাঙ্গ স্ত্রীযোনির ভিতরে যায় না) সবথেকে ভাল নির্ভর করে প্রতিবার একটি পুরুষাঙ্গ যদি স্ত্রীযোনি স্পর্শ না করে তবে সে গর্ভবতী হতে পারবে না। পায়ুপথে যৌনক্রিয়া সহজেই যৌনরোগ ছড়াতে পারে, মুখমৈথুন সহজে যৌনরোগ ছড়ায় না, এবং যৌনস্পর্শের মাধ্যমে যৌনরোগ ছড়ানোর ঘটনা বিরল।

উক্ত উপায়ে জন্মনিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। ধন্যবাদ। 


জিজ্ঞাসা করেছেন
bissoy.com এ মানসম্মত উত্তর দিয়ে জিতে নিন উপহার। উপহারের অর্থমূল্য নিয়ে নিন মোবাইল ব্যাংকিং এ। বিস্তারিত দেখুন এখানে