যোনি চুলকানি কারন ও সমাধান জেনে নিন।?

ভেজাইনা চুলকানি বা যোনি চুলকানি হতে পারে যা স্ত্রীযোনীর চারপাশে, উরুর উপর বা যেখান থেকে মূত্র বের হয়ে আসে তা ঈষ্টের সংক্রমণ হতে পারে বা, নারীর ক্ষেত্রে, তা ট্রিকোমোনাস-এর লক্ষণ হতে পারে।চুলকানো জননেন্দ্রীয় হয়তো পিউবিক উকুন বা খোস-পাঁচড়া হতে পারে, এগুলো ত্বকের উপর বাস করা খুবই ছোট ছোট পোকা, যেগুলোর চিকিৎসার জন্য ত্বকের উপর ঔষধ মাখানো হয়, যেমন পারমেথ্রিনযুক্ত ঔষধ (ত্বকের সমস্যা অধ্যায় দেখুন, সংকলিত হচ্ছে)। খোস-পাঁচড়া সহজেই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ছড়ায়, এবং শিশুদের মধ্যে সচরাচর দেখা যায়, এবং দেহের অনেক অংশেই ক্ষতি করে। সাবান, সুগন্ধি, বা রাসায়নিক দ্রব্য জননেন্দ্রীয়ের উপর বা ভিতরে লাগালে চুলকানি হতে পারে। যোনি বাইরের অংশটি শুধু জল দিয়ে ধুয়ে দেখুন যে চুলকানি যায় কিনা।।

যোনী থেকে তরল পদার্থ (স্রাব)মাসিকের অন্তর্বতীকালীন যোনী ভিজা থাকা এবং এর থেকে তরল পদার্থ বের হয়ে আসা একজন নারীর ক্ষেত্রে স্বাভাবিক। এইভাবে স্ত্রীযোনী নিজেকে পরিষ্কার করে। এই তরল পদার্থ মাসিকের সময়ের দিনগুলোতে এবং গর্ভধারণকালীন পরিবর্তন হয়। যে তরল পদার্থ পরিষ্কার, দুধের মতো সাদা বা সামান্য হলুদ সেগুলো স্বাভাবিক, কিন্তু যদি তা স্বাভাবিকের থেকে বেশী হয় বা এটির রঙ গাঢ় হলুদ, সবুজ বা ঘন সাদা হয়, খারাপ গন্ধ থাকে বা চুলকানি বা জ্বালা করে তখন তাকে 'স্রাব' বলে, এবং তা একটি এসটিআই হতে পারে। অস্বাভাবিক লক্ষণ বা অস্বস্তির ক্ষেত্রে সাহায্য গ্রহণ করুন।

স্ত্রীযোনীকে সুস্বাস্থ্যে রাখতে এতে অনেক ভাল ধরনের জীবাণু জন্মে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ, জীবাণুনাশক নেয়া, গর্ভবতী হওয়া, এবং অন্যান্য অবস্থা জীবাণুগুলোকে প্রভাবিত করে এবং যৌনাঙ্গের সংক্রমণের সম্ভাবনা আরও বাড়িয়ে তোলে। প্রতিদিন ধোয়া, এবং জননেন্দ্রীয় এলাকার উপর বা স্ত্রীযোনীর ভিতরে সুগন্ধি, সুগন্ধি সাবান, ডুশ বা স্প্রে না করার মাধ্যমে যোনীপথের সংক্রমণ এড়িয়ে চলুন। কফি, মদ এবং চিনিযুক্ত খাবার বা পানীয়ের পরিমাণ সীমিত করার মাধ্যমে স্ত্রীযোনী সংক্রান্ত সংক্রমণ কমানো যায়। 

এছাড়াও প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ সবসময়ই ভালো। তাই কিছু ব্যাপারে খেয়াল রাখবেন-

  • - সুষম খাবার খেতে হবে সবসময়।
  • - সবসময় ন্যাচারাল ফাইবারের প্যান্টি পড়ুন । 
  • - মাঝেমধ্যে টকদই খাবেন।
  • - সুগন্ধিযুক্ত স্যানিটারি সামগ্রী ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
  • - আন্ডারওয়্যার গরম জলে ধুতে হবে।
  • - ভেজা কাপড়ে বেশিক্ষণ থাকবেন না।
  • আপনি লবন মিশানো হালকা গরম পানি দিয়ে দিনে দুইবার যোনি পরিস্কার করবেন (সকাল ও রাতে)
  • রঙীন ও বেশি সুগন্ধিযুক্ত টয়লেট টিস্যু ও সাবান যৌনাঙ্গে ব্যবহার করবেন না।
  •  ভেজা কাপড় পরে বেশিক্ষণ থাকবেন না। গোসল বা ব্যায়ামের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভেজা কাপড়টি পাল্টে নিবেন। 
  • আপনার যৌনাঙ্গ পরিষ্কার রাখুন সবসময়। আর প্রসাব বা পায়খানা করার সময় হাত দিয়ে সামনে থেকে পেছনে এই নিয়মে পরিষ্কার করতে হবে। খেয়াল রাখবেন পায়খানার রাস্তার জীবাণু যেন যোনিতে না লাগে।
  • সুতির কাপড় দিয়ে তৈরি অন্তর্বাস বা পেন্টি পরুন। 
  • ওজন কমান।
  •   যোনি আর্দ্র ও ভেজা রাখবেন না।
  • মাসিকের সময় নোংরা কাপড় ব্যবহার করবেন না। পরিষ্কার প্যাড ব্যবহার করুন।
  •  নিয়মিত গোসল করুন।
  • রাতে প্যাড পরে ঘুমাবেন না ও রাতে হালকা গরম পানি দিয়ে যোনি পরিস্কার করে ঘুমাবেন
  • - সবসময়ে যৌনাঙ্গ শুঁকনো রাখার চেষ্টা করুন।
  • - প্রয়োজনে নারকেল তেল বা টি- ট্রি অয়েল ব্যাবহার করুন কিছুটা 
  • জ্বালার উপশম হবে।

ইনফেকশনকে হেলাফেলা না করে গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। কোনোভাবেই এসব এর ঔষধ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করবেন না। সুস্থ্য থাকুন সচেতন থাকুন।ধন্যবাদ। 

ভেজাইনা চুলকানি বা যোনি চুলকানি হতে পারে যা স্ত্রীযোনীর চারপাশে, উরুর উপর বা যেখান থেকে মূত্র বের হয়ে আসে তা ঈষ্টের সংক্রমণ হতে পারে বা, নারীর ক্ষেত্রে, তা ট্রিকোমোনাস-এর লক্ষণ হতে পারে।চুলকানো জননেন্দ্রীয় হয়তো পিউবিক উকুন বা খোস-পাঁচড়া হতে পারে, এগুলো ত্বকের উপর বাস করা খুবই ছোট ছোট পোকা, যেগুলোর চিকিৎসার জন্য ত্বকের উপর ঔষধ মাখানো হয়, যেমন পারমেথ্রিনযুক্ত ঔষধ (ত্বকের সমস্যা অধ্যায় দেখুন, সংকলিত হচ্ছে)। খোস-পাঁচড়া সহজেই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ছড়ায়, এবং শিশুদের মধ্যে সচরাচর দেখা যায়, এবং দেহের অনেক অংশেই ক্ষতি করে। সাবান, সুগন্ধি, বা রাসায়নিক দ্রব্য জননেন্দ্রীয়ের উপর বা ভিতরে লাগালে চুলকানি হতে পারে। যোনি বাইরের অংশটি শুধু জল দিয়ে ধুয়ে দেখুন যে চুলকানি যায় কিনা।।

যোনী থেকে তরল পদার্থ (স্রাব)মাসিকের অন্তর্বতীকালীন যোনী ভিজা থাকা এবং এর থেকে তরল পদার্থ বের হয়ে আসা একজন নারীর ক্ষেত্রে স্বাভাবিক। এইভাবে স্ত্রীযোনী নিজেকে পরিষ্কার করে। এই তরল পদার্থ মাসিকের সময়ের দিনগুলোতে এবং গর্ভধারণকালীন পরিবর্তন হয়। যে তরল পদার্থ পরিষ্কার, দুধের মতো সাদা বা সামান্য হলুদ সেগুলো স্বাভাবিক, কিন্তু যদি তা স্বাভাবিকের থেকে বেশী হয় বা এটির রঙ গাঢ় হলুদ, সবুজ বা ঘন সাদা হয়, খারাপ গন্ধ থাকে বা চুলকানি বা জ্বালা করে তখন তাকে 'স্রাব' বলে, এবং তা একটি এসটিআই হতে পারে। অস্বাভাবিক লক্ষণ বা অস্বস্তির ক্ষেত্রে সাহায্য গ্রহণ করুন।

স্ত্রীযোনীকে সুস্বাস্থ্যে রাখতে এতে অনেক ভাল ধরনের জীবাণু জন্মে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ, জীবাণুনাশক নেয়া, গর্ভবতী হওয়া, এবং অন্যান্য অবস্থা জীবাণুগুলোকে প্রভাবিত করে এবং যৌনাঙ্গের সংক্রমণের সম্ভাবনা আরও বাড়িয়ে তোলে। প্রতিদিন ধোয়া, এবং জননেন্দ্রীয় এলাকার উপর বা স্ত্রীযোনীর ভিতরে সুগন্ধি, সুগন্ধি সাবান, ডুশ বা স্প্রে না করার মাধ্যমে যোনীপথের সংক্রমণ এড়িয়ে চলুন। কফি, মদ এবং চিনিযুক্ত খাবার বা পানীয়ের পরিমাণ সীমিত করার মাধ্যমে স্ত্রীযোনী সংক্রান্ত সংক্রমণ কমানো যায়। 

এছাড়াও প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ সবসময়ই ভালো। তাই কিছু ব্যাপারে খেয়াল রাখবেন-

  • - সুষম খাবার খেতে হবে সবসময়।
  • - সবসময় ন্যাচারাল ফাইবারের প্যান্টি পড়ুন । 
  • - মাঝেমধ্যে টকদই খাবেন।
  • - সুগন্ধিযুক্ত স্যানিটারি সামগ্রী ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
  • - আন্ডারওয়্যার গরম জলে ধুতে হবে।
  • - ভেজা কাপড়ে বেশিক্ষণ থাকবেন না।
  • আপনি লবন মিশানো হালকা গরম পানি দিয়ে দিনে দুইবার যোনি পরিস্কার করবেন (সকাল ও রাতে)
  • রঙীন ও বেশি সুগন্ধিযুক্ত টয়লেট টিস্যু ও সাবান যৌনাঙ্গে ব্যবহার করবেন না।
  •  ভেজা কাপড় পরে বেশিক্ষণ থাকবেন না। গোসল বা ব্যায়ামের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভেজা কাপড়টি পাল্টে নিবেন। 
  • আপনার যৌনাঙ্গ পরিষ্কার রাখুন সবসময়। আর প্রসাব বা পায়খানা করার সময় হাত দিয়ে সামনে থেকে পেছনে এই নিয়মে পরিষ্কার করতে হবে। খেয়াল রাখবেন পায়খানার রাস্তার জীবাণু যেন যোনিতে না লাগে।
  • সুতির কাপড় দিয়ে তৈরি অন্তর্বাস বা পেন্টি পরুন। 
  • ওজন কমান।
  •   যোনি আর্দ্র ও ভেজা রাখবেন না।
  • মাসিকের সময় নোংরা কাপড় ব্যবহার করবেন না। পরিষ্কার প্যাড ব্যবহার করুন।
  •  নিয়মিত গোসল করুন।
  • রাতে প্যাড পরে ঘুমাবেন না ও রাতে হালকা গরম পানি দিয়ে যোনি পরিস্কার করে ঘুমাবেন
  • - সবসময়ে যৌনাঙ্গ শুঁকনো রাখার চেষ্টা করুন।
  • - প্রয়োজনে নারকেল তেল বা টি- ট্রি অয়েল ব্যাবহার করুন কিছুটা 
  • জ্বালার উপশম হবে।

ইনফেকশনকে হেলাফেলা না করে গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। কোনোভাবেই এসব এর ঔষধ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করবেন না। সুস্থ্য থাকুন সচেতন থাকুন।ধন্যবাদ। 

জিজ্ঞাসা করেছেন
bissoy.com এ মানসম্মত উত্তর দিয়ে জিতে নিন উপহার। উপহারের অর্থমূল্য নিয়ে নিন মোবাইল ব্যাংকিং এ। বিস্তারিত দেখুন এখানে