কোন ধরনের মেয়েকে বিয়ে করা উচিত?
 (26640 পয়েন্ট) 

জিজ্ঞাসার সময়

10 Answer

 (11039 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

.....................

 (290 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

যে মেয়ে পড়ালেখায় দ্ক্ষ যে মেয়ের মন ভালো যার চরিত্র ভালো এবং যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে যে সংসার চালাতে পারবে বলে মনে হয় আপনি সেই সকল মেয়েকে বিবাহ করতে পারেন।
 (44 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

রাসুল সাঃ বলেছেন,মহিলাদের বিবাহ করা হয় চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ করে ১ তার সম্পদের কারণে। ২ তার বংশ আভিজাত্যের কারণে। ৩ তার রূপের কারণ। ৪ তার দ্বীনদারির কারণে। অতএব তুমি দ্বীনদারিকে প্রাধান্য দাও। অন্যথায় তোমার হাত ধুলিমলিন হোক। মেশকাত শরিফ,বিবাহ অধ্যায়। অন্য হাদিছে তিনি বলেন, তোমরা অধিক সন্তান প্রসাবকারিনিকে বিবাহ করো। কেননা আমি কেয়ামতের দিনে উম্মাতদের নিয়ে গর্ব করবো। মেশকাত শরিফ.বিবাহ অধ্যায়
 (952 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

যেমন মেয়েকে বিয়ে করা উচিত। ১/মেয়ে যেন অবশ্যই দ্বীনদার হয়। ২/বিনয়ী ও নম্র স্বভাবের হয়। ৩/স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়। ৪/বেশি চাহিদা শীলা না হয়। এগুলোর জন্যে মেয়ের মা দাদিকে দেখা উচিত কারণ সর্বদা যেহেতু তাদের সঙ্গে উঠাবসা হয় তাই তাদের গুনাগুণ মেয়ের ভিতর আসা অস্বাভাবিক কিছু নয়।
 (500 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

.উত্তরঃ-  ইসলামের দৃষ্টিতে কেমন নারীকে বিবাহ করতে হবে। তা আমরা নিম্নোক্ত হাদীসগুলো থেকে বুঝতে পারব। নিচে এ ব্যাপারে বর্ণিত হাদীস ও তার সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দেয়া হল। হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- নারীকে চার কারণে বিবাহ করা হয় (১) তার সম্পদের কারণে। (২) তার বংশ মর্যাদার কারণে। (৩) তার সৌন্দর্যের কারণে এবং (৪) তার ধর্মের কারণে। সুতরাং তুমি ধার্র্মিক নারী লাভ করে কামিয়াব হও। তোমাদের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক অর্থাৎ- তুমি ধ্বংস হও। (যদি অন্য নারী চাও)। [দেখুনঃ বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ] এ হাদীসের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা – সাধারণতঃ মানুষ বিবাহের সময় হাদীসে উল্লেখিত দিক লক্ষ্য রাখে। কিন্তু হাদীস থেকে জানা গেল যে, দ্বীনদার লোকদের ধার্মিকতাকে অর্থাৎ ধার্মিক নারীকে প্রাধান্য দেয়া উচিত। তোমার হস্তদ্ব ধ্বংস হোক কথাটি মূলত বদদোয়া হলেও এখানে বদদোয়া করা উদ্দেশ্য নয়, বরং ধর্মিক নারীর প্রতি অধিক আগ্রহান্বিত করাই মূল উদ্দেশ্য। হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- গোটা দুনিয়াই হলো সম্পদ, আর দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ সম্পদ হলো নেককার স্ত্রী। (দেখুনঃ মুসলিম শরীফ, মেশকাত শরীফ) কারণ নেক স্ত্রী আখেরাতের ব্যাপারে সাহায্যকারী হয়। তাই বিবাহের সময় দেখতে হবে নেককার কি না। হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- যখন তোমাদের নিকট এমন লোক বিবাহের প্রস্তাব দেয়, যার দ্বীনদারী ও আখলাক তোমরা পছন্দ কর। তখন বিবাহ দিয়ে দিও (মাল-সম্পদের দিকে আর লক্ষ্য করো না।) যদি তা না কর তবে দেশে ফিৎনা ও ব্যাপক ফাসাদ দেখা দিবে। (তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ) এ হাদীসের ব্যাখ্যা হল, ফিৎনা-ফাসাদ দেখা দেয়ার কারণ হলো- যখন মানুষের দ্বীনদারী ও আখলাক দেখে বিয়ে না দেয়া হবে বরং তার অর্থ সম্পদ কেমন আছে, সমাজে প্রভাব প্রতিপত্তি কেমন আছে, এসব দেখতে যাওয়া হবে তখন সংগত কারণেই অধিকংশ মেয়ে স্বামীহীন এবং অধিকাংশ পুরুষ স্ত্রীহীন থেকে যাবে। ফলে যিনা-ব্যভিচার ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাবে। বর্তমান সমাজের অবস্থার দিকে দৃষ্টিপাত করলেই এর সত্যতা ষোল আনা মেলে। ছোট-বড়, কিশোরী-যুবতী, বালিগা-নাবালিগা, বিধবা-সধবা এমনকি অবুঝ কচি শিশুরা পর্যন্ত আজ যত্রতত্র ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। বর্তমানে ধর্ষণ একটি দৈনন্দিন স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ। হযরত মাকাল বিন ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- তোমরা বিবাহ কর অতি সোহাগিনী ও অধিক সন্তান প্রসবিনী নারীকে। কেননা আমি তোমাদের (সংখ্যাধিক্যের দ্বারা অন্যান্য উম্মতের উপর গর্বকরব। (দেখুন ঃ আবু দাউদ শরীফ) আলোচ্য হাদীস থেকে আমরা দুটি বিষয় জানতে পারলাম। (১) বিবাহ করার জন্য এমন মেয়ে অনুসন্ধান করা মুস্তাহাব, যার প্রকৃতিতে মহব্বত করার যোগ্যতা রয়েছে অর্থাৎ যে মন উজাড় করে ভালবাসতে পার। (২) ঐ মহিলাকে প্রাধান্য দেয়া উচিত যার বংশে বেশি বেশি সন্তান হওয়ার ধারাবহিকতা রয়েছে। অন্য হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, তোমাদের উপর কুমারী রমণীদের বিবাহ করা অপিরিহার্য। (অর্থাৎ তোমরা কুমারী মেয়ে বিবাহ কর)। কেননা তাদের মুখ খুব মিষ্ট (অর্থাৎ মিষ্ট মিষ্ট কথা বলে) তাদের গর্ভাশয় অধিক গর্ভধারিণী। অর্থাৎ সন্তান বেশি বেশি হয় এবং তারা অল্পতে সন্তুষ্ট থাকে। কুমারী অধিক গর্ভধারীণীর কারণ হলো তার গর্ভাশয় অধিক পরিমাণ বীর্যকে গ্রহণ করে। অবশ্য সেক্ষেত্রে আল্লাহর হুকুম পূর্বশর্ত। কুমারী অল্পতে তুষ্ট হয় অর্থাৎ সে ধন-সম্পদ এবং সহবাসের ক্ষেত্রে অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকে। কেননা সে স্বামীর মাল সম্পর্কে বেশী জানেন এবং সহবাস সম্পর্কীয় বিষয়েও সে থাকে অজ্ঞ বিধায় কুমারী মহিলা যেটুকুই লাভ করে সেটুকুই যথেষ্ট মনে করে।।
 (3731 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

মেয়েদের রূপ বা সৌন্দর্য দেখে নয় আমল দেখে বিয়ে করা উচিত। যদি মেয়ে দীনের উপর অটল থাকে তবে আখিরাতেও যেমন সফল হতে পারে তেমনি দুনিয়াতেও। আর একটু হলেও শিক্ষিত হওয়া। কারণ একজন শিক্ষিত মা পারেন একটি শিক্ষিত জাতি গড়তে ।।
 (8631 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

যেমন মেয়ে বিয়ে করা উচিতঃ ১। অল্পতে সন্তুষ্ট থাকে। ২। স্বামীর সুখেরও সাথী হবে, আবার দুঃখেরও সাথী হবে। ৩। নামাজী। ৪। কুরআন তিলাওয়াত ক্বারী। ৫। পরহেজগার। ৬। আল্লাহভীরু ও আল্লাহওয়ালা। ৭। রাগ-অভিমান করে না। ৮। স্বামীকে কষ্ট দিবে না। ৯। বদমেজাজি বা ঝগড়াটে নয়। ১০। সুন্দর মন ও সুন্দর চরিত্রের অধিকারী। ১১। সুশিক্ষিত। ১২। বুদ্ধিমতী। ১৩। নিঃস্বার্থভাবে সংসারের জন‍্য কাজ করবে। ১৪। জিহ্বা ও লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। ১৫। লাজুক। ১৬। ধৈর্যশীল, যে গুণ দিয়ে বিপদের সময়ও স্থির থাকা যায়। ১৭। সহ‍্যশক্তি, যে গুণ দিয়ে সকল দুঃখ-কষ্ট সহ‍্য করে নেয়া যায়। ১৮। রোজা রাখে। ১৯। স্বামীর ভালোর জন‍্য দোয়া করবে। ২০। স্বামীর আসার জন‍্য অপেক্ষায় থাকবে। ২১। স্বামীকে জ্ঞান আহরণ ও জ্ঞান বিতরণে সাহায‍্য করবে। ২২। স্বামীকে বিপদে বা কষ্টে সান্ত্বনা দিবে। ২৩। স্বামীর দুঃসময়ে কখনো স্বামীকে ছেড়ে চলে যাবে না। ২৪। স্বামীকে নামাজের তাগিদ দিবে। নামাজ কায়েম করবে। ২৫। মাদ্রাসা পড়ুয়া বা স্কুল পড়ুয়া পর্দানশীল মেয়ে। ২৬। স্বামী-স্ত্রীর গোপন বিষয় অন‍্য কারো কাছে প্রকাশ করবে না। ২৭। স্বামীর গায়ে কখনো হাত তুলবে না। ২৮। ফিঙ্গারিং, সমকামিতা, পরকীয়া, যিনা, ব‍্যভিচার থেকে দূরে থাকে। ২৯। ইসলামী হামদ-নাত, ওয়াজ-মাহফিল শুনতে পছন্দ করে। ৩০। অক্ষম ভিক্ষুককে কখনো খালি হাতে ফিরিয়ে দেয় না। ৩১। লোভ, হিংসা, অহংকার, অলসতা থেকে দূরে থাকে। ৩২। নিজে সতী স্ত্রী হয়ে স্বামীকে সৎ স্বামী রাখতে চেষ্টা করবে। ৩৩। অল্প কথা বলে, কিন্তু মিষ্টি ও ইসলামিক কথা বলে। ৩৪। স্বামীর সাথে খোশগল্প বা দুষ্টুমি করবে। ৩৫। কখনো মিথ‍্যা কথা বলে না। ৩৬। পরনিন্দা বা গীবত করে না। ৩৭। সদা হাসি-খুশি ও লাবণ‍্যময়ী থাকে। ৩৮। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বামীর কাছে সদা সুন্দর সাজে থাকবে। ৩৯। কষ্ট পেলে নীরবে কান্না করে। ৪০। স্বামীর মঙ্গল কামনা করবে এবং পরস্পরের ভালোর জন‍্য যা যা করা দরকার, তার সবই করবে। এমন মেয়েকেই বিয়ে করা উচিত। ধন‍্যবাদ।
 (1116 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

দ্বীনদার বিনয়ী ও নম্র ভদ্র এবং স্বামীর প্রতি ভক্তি সম্বলিত মেয়েকে বিবাহ করা উচিত।
 (6842 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

একজন মেয়ের মধ্যে নিচের গুণগুলো আছে এমন মেয়েকে বিয়ে করা উচিত • মেয়ে যেন অবশ্যই ধার্মিক হয় • বিনয়ী এবং নম্র স্বভাবের এবং চারিত্রিক গুণাবলি সম্পন্ন হয় • সুশিক্ষিত হতে হবে • পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হতে হবে • মেয়ে যেন অবশ্যই লাজুক, সহ্যশীল, ধৈর্যশীল হয় • মেয়ে যেন বড়দের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয় • সাংসারিক কাজে যেন দক্ষ হয় • মেয়ে যেন মিতব্যয়ী হয় • লোভ, হিংসা, অহংকার, অলসতা, মিথ্যা বলা থেকে বিরত থাকবে এমন মেয়ে • সদা হাসিখুশি এবং লাবণ্যময়ী উক্ত গুণ সম্পন্ন মেয়েকে আপনি বিবাহ করতে পারেন।
 (4272 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

যে মেয়ে আল্লাহভিতু পরহেযগার।এবং দ্বিনি জ্ঞানে পরিপক্ব সেই মেয়েকে বিয়ে করা উত্তম এবং উচিত।আর আপনি যেমন মেয়েকে পছন্দ করেন তেমন মেয়েকে বিয়ে করাই যথার্থ হবে।কারণ আমাদের পরামর্শ মতে আপনি যদি বিয়ে করেন তাহলে আপনার বউকে ভালো না ও লাগতে পারে।তাই আপনার পছন্দ যেমন মেয়েকে ঠিক তেমন মেয়েকেই বিয়ে করুন।আর যদি আপনার পছন্দ মতে বিয়ে না করে অন্য কারো পছন্দ মতে, বিয়ে করেন।তাহলে পরবর্তীতে সংসারে বা বৈবাহিক জিবনে বিপর্যয় সৃষ্টি হতে পারে।
Recent Questions
Loading interface...