কোন কোন সময় এমন হয় যে, জোরপূর্বক বর বা কনেকে বিবাহের কাবিন নামা বা তালাক পত্রে সই করিয়ে বিবাহ বা তালাক দেওয়া হয়। কিন্তু জোরপূর্বক বিবাহ বা তালাক কি গণ্য?

Asked on

2 Answer

Answered on 

জোরপূর্বক বিবাহ বা তালাক গণ্য নয়। ভয় দেখিয়ে বা হুমকির মুখে কাউকে বিয়ে করে সংসার করলে ব্যভিচার করা হয়। অনুরূপ তালাকও। জোরপূর্বক মুসলিম বানানো হলে যেমন কেউ মুসলিম হয়ে যায় না, জোরপূর্বক কুফরী করলে যেমন কেউ কাফের হয় না, তেমন বিবাহ ও তালাকও। মহান আল্লাহ বলেছেন, “কেউ বিশ্বাস করার পরে আল্লাহকে অস্বীকার করলে এবং অবিশ্বাসের জন্য হৃদয় উন্মুক্ত রাখলে তার উপর আপতিত হবে আল্লাহ্‌র ক্রোধে এবং তার জন্য রয়েছে মহাশাস্তি; তবে তার জন্য নয়, যাকে অবিশ্বাসে বাধ্য করা হয়েছে, অথচ তার চিত্ত বিশ্বাসে অবিচল।” (নাহলঃ ১০৬) রাসূল (সঃ) বলেছেন, “নিশ্চয় আল্লাহ আমার উম্মতের ভুল, বিস্মৃত এবং যার উপর তাকে নিরুপায় করা হয়, তার (পাপ)কে অতিক্রম (ক্ষমা) করেন।” ৫৫৩ (ইবনে মাজাহ ২০৪৫ নং)

Answered on 

কাউকে জোর পূর্বক তালাক বা বিবাহের জন্য কাবিন নামা বা তালাকের কাগজে সহি করানো ইসলামে একদম হারাম । যে বিবাহ করবে তার কিছু পছন্দ ও অপছন্দের ব্যাপার আছে । তাই সে নিজের পছন্দ অনুযায়ী বিয়ে করবে । এবং বিয়েটি পরিবারের মাধ্যমে সম্পাদন করা হবে । আর কোনো স্বামী স্ত্রী যদি দুজন দুজনের কাউকে তালাক দিতে না চান তাহলে কেউ জোর পূর্বক তালাকের কাগজে সহি করতে দিতে পারবেন না । কারণ এটি সম্পূর্ণ ইসলামে নিষিদ্ব । তাই এটি গন্য নহে ।
Recent Questions
Loading interface...