যে ব্যক্তির কোরবানী দেয়ার নিয়ত থাকে জিল্হজ্জ্ব মাস শুরু হলে তার চুল, নখ কাটা না জায়েজ কেন?
বিভাগ:
1 টি উত্তর
জিলহজ্বের চাঁদ দেখার পর হতে কুরবানীর আগ পর্যন্ত নিজের নখ, চুল, মোচ, নাভীর নিচের পশম ইত্যাদি না কাটা মুস্তাহাব। হযবরত উম্মে সালমা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসুল (সাঃ) ইরশাদ করেন, “তোমরা যদি জিলহজ্ব মাসের চাঁদ দেখতে পাও আর তোমাদের কেউ কুরবানী করতে ইচ্ছে করে তবে যেন স্বীয় চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে।” (সহীহ মুসলীম ১৯৭৭, আবু দাওদ শরীফ ২৪৩৭), । যে ব্যাক্তি কুরবানী দিতে সক্ষম নয় সে ব্যাক্তিও এ আমল করলে তার ফজিলত পাবে। ফজিলত হল, ”যে ব্যাক্তি এই আমল করবে সে আল্লাহ তায়ালার পক্ষ হতে পূর্ন এরটি কুরবানীর সওয়াব পাবে। (মুসনাদে আহমাদ ৬৫৭৫, আবু দাউদ শরীফ ২৭৮৯, নাসায়ী শরীফ ৪৩৬৫) । অতএব মুসলিম হাদিস অনুযায়ী যারা কুরবানী করার ইচ্ছে পোষণ করছেন, তারা জিলহজ্ব মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার পর থেকে হাত পায়ের নখ, মাথার চুল ও অবাঞ্ছিত চুল ইত্যাদি কাটবে না, যদি ৪০ দিন না হয়ে থাকে এগুলো না কাটার মেয়াদ। যদি ৪০ দিনের বেশি হয়ে থাকে, তাহলে এসব কেটে ফেলা আবশ্যক। নতুবা ১০ দিন পর কুরবানীর পর পরিস্কার করবে। এ কাজটি সুন্নাত।