লাইট হাউস রিহ্যাব এন্ড সাইকোটিক ট্রিটমেন্ট সেন্টারে থাকতে খরচ কত হয়?
 (26584 পয়েন্ট) 

জিজ্ঞাসার সময়

1 Answers

 (26584 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

টেস্ট এখানে রোগীর বিভিন্ন টেষ্ট সুবিধা না থাকলেও ডাক্তারগণ টেস্ট করানোর জন্য পপুলার ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, মেডিনোভা ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে রেফার করে থাকে। বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও ফি এখানে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বসেন দুইজন। তাদের দেখানোর ফি নতুন রোগী- ৫০০ টাকা এবং পুরাতন রোগী- ৩০০ টাকা। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগন হলেন- প্রফেসর ডাঃ জুনু শামছুল নাহার এম.বি.বি.এস, এফ.সি.পি.এস (মাইক) প্রফেসর মাইক্রোয়াট্রি ডাঃ শামছুল হাসান (মাকসুদ) এম.বি.বি.এস, এম.পি.এইচ.এল সহকারী পরিচালক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যায়ল। কেবিন এখানে এসি ও নন এসি সিঙ্গেল ও ডাবল কেবিন রয়েছে। ২০ টি নন এসি সিঙ্গেল কেবিন, ১০ টি নন এসি ডাবল কেবিন, ১৫ টি এসি সিঙ্গেল কেবিন এবং ১৫ টি এসি ডাবল কেবিন রয়েছে। এছাড়া ১০ টি ডিলাক্স রুম রয়েছে। নিরিবিলি পরিবেশ এবং পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা রয়েছে। ভাড়ার হার প্রতিদিনের ভাড়ার হার নন এসি সিঙ্গেল কেবিন ২০০০ টাকা নন এসি ডাবল কেবিন ১০০০ টাকা এসি সিঙ্গেল কেবিন ৩০০০ টাকা এসি ডাবল কেবিন ২০০০ টাকা ডিলাক্স ৫০০০ টাকা অগ্রীম রোগী ভর্তির সময় চিকিৎসা খরচ বাবদ অগ্রীম ৫০,০০০ টাকা প্রদান করতে হয়। রোগীর খাবার মেনু প্রতিদিন একজনের তিনবেলা খাওয়ার খরচ ২৯০ টাকা। এখানে ভর্তি হওয়া রোগীদের তিন বেলা খাবার মেনু নিম্নরুপ- সকালে রুটি/পরোটা, ডিম ভাজি, সবজি। দুপুরে ভাত, বড় মাছ/ খাসীর মাংস, ডাল, শাকের তরকারী বিকেলে মৌসুমী ফল রাতের খাবারে ভাত, ছোট মাছ/ মুরগীর মাংস, ডাল, সবজি। নার্স ও ব্রাদার এখানে থাকা রোগীর পরম যত্নে সেবা করার জন্য ২৫ জন নার্স এবং ১২ জন ব্রাদার রয়েছে। এই নার্স ও ব্রাদারা শিফট অনুসারে দায়িত্ব পালন করে থাকে। ক্যাচিং টিম মাদকাসক্ত ব্যক্তি যদি নিজ ইচ্ছায় সেন্টারে আসতে আগ্রহী না হয় তবে সেন্টারে জানালে সেখান থেকে প্রশিক্ষিত সদস্যরা এসে মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে নিয়ে যায়। এর জন্য একটি ফরম পূরণ ও ফি বাবদ ৫০০০ টাকা প্রদান করতে হয়। সদস্যরা সাধারণত ভোর বেলা বা রাত ১২ টার দিকে এসে মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে নিয়ে যায়। বিবিধ এখানে ১০ টি গাড়ী পার্ক করার ব্যবস্থা রয়েছে। পার্কিং সুবিধা রয়েছে। রয়েছে পর্যাপ্ত অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা। সেন্টারটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। রয়েছে কঠিন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য মূল গেইটে সর্বদা তালা লাগানো থাকে। রোগী ও দর্শনার্থীদের জন্য বিনোদন ব্যবস্থা রয়েছে। টেলিভিশনে ডিশ লাইন দেওয়া রয়েছে। নামাজের স্থানে এক সাথে ১৪ জন নামাজ পড়তে পারে। এখানে বহির্বিভাগ নেই। ভাগের কোন ব্যবস্থা নেই।
Recent Questions
Loading interface...