করোনাকালীন সময়ে

সবাই যে যার মতো হয়ে থাকতে পছন্দ করছে,প্রতিবেশীরা কেউ কারো খবর নিচ্ছে না,হাসছে না, মিশছে না…! মুখ গোমড়া করে পাশ কেটে চলে যাচ্ছে,পাছে কিছু বলতে হবে বলে।মনেহচ্ছে নিজ দেশে নির্বাসনে আছি।সবার মাঝে কেবল হিংসুটে ভাব,
এসব কেবলই মহামারির প্রভাব। কিন্তু যারা প্রকৃতই হিংসুক তারা কি করছে এই সময়ে??
জানেন কি তারা কি করছে???
তাদের তো এই মহামারীর জন্য বিশাল আয়োজন। দেখে মনেহয় পৃথিবীতে তারাই একমাত্র স্বাস্থ্য সচেতন,পৃথিবীর সব প্রাণী মরে গেলেও যেন তাদেরই বাঁচতে হবে,আর চাল চলনের ভাবে মনেহয় তারাই পৃথিবীর একমাত্র শিক্ষিত ব্যক্তি…
শিক্ষার কিছু সংজ্ঞা হলো…
উপনিষদে বলা হয়েছে, শিক্ষা মানুষকে সংস্কারমুক্ত করে তোলে।
ঋগবেদে বলা হয়েছে– শিক্ষা হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা ব্যক্তিকে আত্মবিশ্বাসী এবং আত্মত্যাগী করে তোলে।
কৌটিল্যের মতে— শিক্ষা হলো শিশুকে দেশ বা জাতিকে ভালোবাসার প্রশিক্ষণ দেওয়ার কৌশল।
এই মহামারীতে কত হাজারো লোক কষ্টে আছে,
কত হাজারো মানুষ হতাশার অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে তাদের খোঁজ কেউ রাখছে না।হিংসুটে আবহাওয়া সবাইকে আলাদা করে দিচ্ছে।জানিনা কবে সব স্বাভাবিক হয়ে সকলের মুখে হাসি ফুটবে।হতাশা থেকে বেরিয়ে জীবনের জয়গান করবে।সেই দিনের অপেক্ষায় আছি……