1 টি উত্তর

কি কি সমস্যা থাকলে সেনাবাহিনীর চাকরি হয় না, এ প্রসঙ্গে বলার পূর্বে আপনাকে অবগত করে রাখতে চাই যে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদে বিভিন্ন সময়ে নিয়োগ দেয়া হয় এবং নিয়োগে উল্লেখিত যোগ্যতা থাকলে তবেই আবেদন করা যায়। যেমন সৈনিক পদে আবেদন করার জন্য আপনাকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ 3.00 পেতে হবে এবং অবিবাহিত হতে হবে, উচ্চতা কমপক্ষে 5 ফিট 6 ইঞ্চি থাকতে হবে, বুকের মাপ 32 ইঞ্চি হতে হবে ইত্যাদি।
ধরে নিলাম যে সার্কুলার অনুযায়ী সকল শর্ত আছে এমতাবস্থায় কি কি সমস্যার কারণে সেনাবাহিনীর চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হয় তা নিচে উল্লেখ করা হলোঃ
( সাধারণত যে সমস্যার কারণে বেশি বাদ যায় সেগুলো উল্লেখ করা হলো)
১।  দুই হাটু একসাথে মিশে যাওয়াঃ সোজা হয়ে দাঁড়ানোর পর আপনার দুই পায়ের গোড়ালি এক জায়গায় করলে এমতাবস্থায় যদি দুই হাটু এর মাঝে ফাঁকা না থাকে সেক্ষেত্রে আপনাকে বাদ দেওয়া হবে।
২। কালার ব্লাইন্ড অথবা আপনার দৃষ্টি শক্তির কোন সমস্যা থাকলে।
৩। উচ্চতা অনুযায়ী আপনার ওজন অতিরিক্ত কম অথবা অতিরিক্ত বেশি থাকলে
৪। অন্ডকোষে  কোন প্রকার অস্বাভাবিকতার লক্ষণ গেলে বাদ দেয়া হয়
৫। আপনার শরীরে এমন কোন কাটা দাগ যা স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য অসঙ্গত বিশেষ করে যারা প্রেম ভালোবাসায় ছেকা খাওয়ার পর অথবা গার্ল ফ্রেন্ড বয় ফ্রেন্ড কে নিয়ে শরীরে চামড়া কেটে নাম লেখে এমন চিহ্ন পেলে বাদ দেয়া হয়।
৬। নাকে পলিপাস থাকলেও বাদ দেওয়া হয়
৭। দাঁতভাঙ্গা অথবা দাঁত নেই বা দাঁতের যে কোন প্রকার সমস্যা থাকলে ডাক্তার কর্তৃক অযোগ্য মনে করলে বাদ দেয়া হবে।
৮। প্রার্থী নিজে অথবা প্রার্থীর পিতা-মাতা যদি রাষ্ট্রদ্রোহী কোন কাজে জড়িত ছিল বা জড়িত থাকলে বাদ দেয়া হয়
৯। লিখিত পরীক্ষায় ও ভাইবা পরীক্ষায় ন্যূনতম পাস নম্বর না পেলে/ যথেষ্ট ভালো নম্বর না পেলে অন্যান্য শারীরিক যোগ্যতা থাকলেও সবকিছু মিলিয়ে যারা বেশি নম্বর পাবে এবং ঐদিন যতগুলো লোকের ভ্যাকেন্সি থাকবে তত গুলো প্রার্থীকেই নিয়োগ দেয়া হবে, এই বিবেচনায় অনেক  প্রার্থী মেডিকেল ফিট হওয়ার পরেও পরীক্ষায় কম নম্বর পাওয়ার কারণে বাদ হয়ে যায়,  এছাড়াও অনেক সময় একদিনে অধিক সংখ্যক ফিট লোক হওয়ার কারণে সবথেকে বেশি ফিট যারা তাদেরকে নিয়োগ দেওয়া হয়।