পেটে গ্যাস বেড়ে গেলে করণীয় কি?

পেটে গ্যাস বেড়ে গেলে করণীয় কি?
বিভাগ: 

2 টি উত্তর

গ্যাস হলে করনীয় :

•  ঘুমাবেন না :  খাবার খাওয়ার সাথে সাথে ঘুমিয়ে পড়বেন না। কারণ  খাবার হজম না হলে পেটে গ্যাস তৈরি করে।

•  ডাল জাতীয় খাবার খাবেন না :  গ্যাস হলে যেকোনো ধরণের ডাল যেমন, মসুরের ডাল, বুট, ছোলা, বীণ, সয়াবিন ইত্যাদি খাবেন না। কারণ এগুলোতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, সুগার ও ফাইবার যা সহজে হজম হতে চায় না এবং গ্যাসের সমস্যা সৃষ্টি করে।

•  তেল জাতীয় খাবার : ডুবো তেলে ভাজা যেকোনো ধরণের তৈলাক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

•  শাক-সবজি : যে সবজিগুলো সহজে হজম হয় না যেমন, ব্রকলি, ফুলকপি, বাঁধাকপি, পালং শাকে থাকা রাফিনোজ নামক উপাদান পেটে গ্যাস তৈরি করে।  

গ্যাস নিরাময়ের উপায় :

•  ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি করুন : নিয়মিত ব্যায়াম কিংবা সময় নিয়ে হাঁটাহাঁটির অভ্যাস করুন। এতে পেটের মধ্যে গ্যাস জমতে পারবে না।

•  দই বা মাঠা : দইয়ের মধ্যে রয়েছে প্রোবায়টিক উপাদান যা হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে গ্যাসের ব্যথা কমিয়ে আনে। এছাড়া মাঠাতে থাকা ল্যাক্টিক এসিড গ্যাসকে স্বাভাবিক করে।তাই প্রতিদিন নিয়মিত মাঠা বা দই খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।

•  শসা : পেট ঠাণ্ডা রাখতে শসার তুলনা হয় না। এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা পেটে গ্যাসের চাপ কমিয়ে আনে এবং বুকের জ্বালা দূর করে।

•  আদা : আদা সবচাইতে কার্যকরী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার যা গ্যাসের সমস্যা দূর করে। আদা চুষে খেলে কিংবা চা বানিয়ে খেলে এই কষ্ট থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

•  লবঙ্গ : লবঙ্গ তাৎক্ষণিক গ্যাসের ব্যথা কমিয়ে আনে। ২/৩ টি লবঙ্গ মুখে নিয়ে চুষলে কিংবা সমপরিমাণ এলাচ ও লবঙ্গ গুঁড়া খেলে অ্যাসিডিটির জ্বালা এবং মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়।

সাময়িক গ্যাসের ব্যথার জন্য উল্লেখিত উপায়গুলো অবলম্বনের পরও যদি ব্যথা না কমে তবে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী পদক্ষেপ নিন। 

আমি ঠিক জানি না আপনার বয়স কত?
তবে আপনার সমস্যার জন্য বয়স বেদে কম-বেশী দামের গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ পাবেন বাজারে।
সেগুলো ডাক্তার এর পরামর্শ অনুযায়ী খেতে পারেন।
তবে তৈল জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকবেন,ধন্যবাদ।

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ