বিজ্ঞাপন

গোপনে কোনো নেয়েকে বিয়ে করে তার সাথে সম্পর্ক রাখা যাবে কি? আমি অতিতে ইসলাম ভাল করে বুঝতাম না। তখন একটি মেয়েকে আমি পরিবারকে না জানিয়ে বিয়ে করে ফেলি এবং গোপনে আমারা স্বামী স্ত্রী এর মত চলতে থাকি। কিন্তু এখন আমি আল্লাহর রহমতে ইসলাম বুঝা শুরু করেছি এবং জানতে পারিছি যে বাবা মাকে না জানিয়ে বিয়ে করা ইসলাম সমর্থন করে না। আর আমি এখন পরিবারকেও আমার বিয়ের বিষয়ে জানাতে পারছি না। কারন তারা আমার এই বিয়ে মেনে নিবেন না। এখন আমি কি করবো? আমি কি এখনো মেয়েটির সাথে সম্পর্ক আগের মতো চালিয়ে যাবো নাকি এখন আমর উচিত মেয়েটি থেকে দূরে থাকা?  আমি অতিতে ইসলাম ভাল করে বুঝতাম না। তখন একটি মেয়েকে আমি পরিবারকে না জানিয়ে বিয়ে করে ফেলি এবং গোপনে আমারা স্বামী স্ত্রী এর মত চলতে থাকি। কিন্তু এখন আমি আল্লাহর রহমতে ইসলাম বুঝা শুরু করেছি এবং জানতে পারিছি যে বাবা মাকে না জানিয়ে বিয়ে করা ইসলাম সমর্থন করে না। আর আমি এখন পরিবারকেও আমার বিয়ের বিষয়ে জানাতে পারছি না। কারন তারা আমার এই বিয়ে মেনে নিবেন না। এখন আমি কি করবো? আমি কি এখনো মেয়েটির সাথে সম্পর্ক আগের মতো চালিয়ে যাবো নাকি এখন আমর উচিত মেয়েটি থেকে দূরে থাকা? 
জিজ্ঞাসা করেছেন
বিভাগ:
2 টি উত্তর
আপনি যেহেতু মেয়েটিকে বিয়ে করেছেন সেহেতু ইসলামি শরিয়ত সেই মেয়েটি আপনার স্ত্রী। এখন আপনি যদি তার থেকে দূরে থাকেন তাহলে তার হক থেকে তাকে বঞ্চিত করার দরুণ গুনাহগার হবেন। আর মা বাবাকে যেহেতু জানাননি সেহেতু ইতোমধ্যেই আপনি তাদের হক নষ্ট করেছেন। আবার অন্যদিকে তাদের হক আদায়ও করেছেন। কেননা আপনি বিয়ে করেছেন তার অর্থ হচ্ছে আপনার বিয়ের বয়স হয়েছে কিন্তু আপনার মা-বাবা আপনার বিয়ে দেননি। অথচ এটা তাদের হক বা দায়িত্ব ছিল, সন্তান উপযুক্ত হলে বিয়ে দেয়া। যাই হোক, আপনার এখন উচিত হবে আল্লাহর উপর ভরসা করে মা-বাবাকে জানানো। মনে রাখবেন, আপনার মা বাবা আপনাকে অনেক ভালবাসেন। তারা আপনার কোন ক্ষতির চিন্তা করবেন না। তাই নিজের ভুল স্বীকার করে মা-বাবার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করুন এবং আল্লাহ ব্যতিত কাউকে ভয় পাওয়ার প্রশ্নই আসে না। খেয়াল রাখবেন ম-বাবার সাথে বেয়াদবি করা যাবে না। আর হুট করে কিছু না করে ধৈর্য্য ধরে বুঝান ও বুঝুন। কোন অবস্থাতেই রাগ করা যাবে না। ধন্যবাদ
অবশ্য হ্যা কেননা এখন সে আপনার জন্য হলাল ।
বিজ্ঞাপন