বিজ্ঞাপন

গান লেখা অথবা কবিতা লিখা সংক্রান্ত প্রশ্ন? স্বাভাবিকভাবে গান লেখা অথবা কবিতা লেখার যে সকল নিয়মকানুন গুলো রয়েছে সেগুলো একি। যেমন গান বা কবিতা লিখতে গেলে মাত্রা, পর্ব, অতি পর্ব, স্বরবৃত্ত ছন্দ কিংবা অক্ষরবৃত্ত ছন্দ কিংবা মাত্রাবৃত্ত ছন্দ এসমস্ত নিয়মকানুনগুলো লক্ষ্য করা হয়ে থাকে। কিন্তু এখন আমি যেটা জানতে চাইছি সেটা হচ্ছে পেশাগতভাবে বা প্রফেশনালি গান লিরিক লেখার বিষয়টি। আমি ছোটবেলা থেকেই গান লিখি কিংবা কবিতা লিখতে ভালো লাগে। কিন্তু এরকম হাবিজাবি যে ধরাবাঁধা নিয়ম কানুন এর মধ্যে থাকতে ভালো লাগে না। যেমন আপনি একটি গান লিখলেন, সেটা পর্ব কিংবা মাত্রা কিংবা বিভিন্ন ছন্দ এত সমস্ত বিষয় গুলো কখনোই আমার মনে হয় শতভাগ নিশ্চিত করা সম্ভব নয় যেটা আমার মনে হলো এত দিনের অভিজ্ঞতা থেকে। যেমন আপনি প্রথম চরণে 4 4 মাত্রার এবং অতিপর্বের মাত্রা নিয়ে স্বরবৃত্ত ছন্দে একটি গান লিখলেন,ঠিক একই রকম কাঠামো ফলো করে পুরো গানটা স্বরবৃত্ত ছন্দে লেখাটা অনেকাংশেই কষ্টসাধ্য এবং সেটা শতভাগ স্বরবৃত্ত ছন্দ লেখা সম্ভব নয়,যারা বড় গীতিকার তাদের ক্ষেত্রে হয়তো হতে পারে কিন্তু সকলের বিষয়টি বিবেচনা করলে মধ্যমানের গীতিকারদের জন্য এটা অনেক কষ্টসাধ্য হবে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে যারা একদম পেশাগতভাবে অনেক অভিজ্ঞ গীতিকার, যেমন প্রিন্স মাহমুদ স্যার, বর্তমান সময়ে মেহেদি হাসান লিমন কিংবা রবিউল ইসলাম জীবন ভাই, কিংবা সমস্যাবলী এরকম যারা আধুনিক সাম্প্রতিক সময়ের গানগুলো লিখেন পেশাগতভাবে,তারা কি সত্যিকারভাবে এত এত নিয়মকানুনের ভিতরে লিখেন নাকি নিজের চিন্তা শক্তি এবং অভিজ্ঞতা দিয়ে সুরের সাথে লিরিক তৈরি করে ফেলেন। এবং বর্তমান সময়ে আরমান আলিফ কিংবা শামস ভাই আপনারা যে লিরিক লিখে নাকি এত কিছু ফলো করে লিখেন। অর্থাৎ মূল প্রশ্নটা হল পেশাগতভাবে গীতিকার হিসেবে কাজ করলে নিজের অভিজ্ঞতা এবং চিন্তা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে লিখতে হবে নাকি শতভাগই নিয়মের ভেতর থাকতে হবে? স্বাভাবিকভাবে গান লেখা অথবা কবিতা লেখার যে সকল নিয়মকানুন গুলো রয়েছে সেগুলো একি। যেমন গান বা কবিতা লিখতে গেলে মাত্রা, পর্ব, অতি পর্ব, স্বরবৃত্ত ছন্দ কিংবা অক্ষরবৃত্ত ছন্দ কিংবা মাত্রাবৃত্ত ছন্দ এসমস্ত নিয়মকানুনগুলো লক্ষ্য করা হয়ে থাকে। কিন্তু এখন আমি যেটা জানতে চাইছি সেটা হচ্ছে পেশাগতভাবে বা প্রফেশনালি গান লিরিক লেখার বিষয়টি। আমি ছোটবেলা থেকেই গান লিখি কিংবা কবিতা লিখতে ভালো লাগে। কিন্তু এরকম হাবিজাবি যে ধরাবাঁধা নিয়ম কানুন এর মধ্যে থাকতে ভালো লাগে না। যেমন আপনি একটি গান লিখলেন, সেটা পর্ব কিংবা মাত্রা কিংবা বিভিন্ন ছন্দ এত সমস্ত বিষয় গুলো কখনোই আমার মনে হয় শতভাগ নিশ্চিত করা সম্ভব নয় যেটা আমার মনে হলো এত দিনের অভিজ্ঞতা থেকে। যেমন আপনি প্রথম চরণে 4 4 মাত্রার এবং অতিপর্বের মাত্রা নিয়ে স্বরবৃত্ত ছন্দে একটি গান লিখলেন,ঠিক একই রকম কাঠামো ফলো করে পুরো গানটা স্বরবৃত্ত ছন্দে লেখাটা অনেকাংশেই কষ্টসাধ্য এবং সেটা শতভাগ স্বরবৃত্ত ছন্দ লেখা সম্ভব নয়,যারা বড় গীতিকার তাদের ক্ষেত্রে হয়তো হতে পারে কিন্তু সকলের বিষয়টি বিবেচনা করলে মধ্যমানের গীতিকারদের জন্য এটা অনেক কষ্টসাধ্য হবে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে যারা একদম পেশাগতভাবে অনেক অভিজ্ঞ গীতিকার, যেমন প্রিন্স মাহমুদ স্যার, বর্তমান সময়ে মেহেদি হাসান লিমন কিংবা রবিউল ইসলাম জীবন ভাই, কিংবা সমস্যাবলী এরকম যারা আধুনিক সাম্প্রতিক সময়ের গানগুলো লিখেন পেশাগতভাবে,তারা কি সত্যিকারভাবে এত এত নিয়মকানুনের ভিতরে লিখেন নাকি নিজের চিন্তা শক্তি এবং অভিজ্ঞতা দিয়ে সুরের সাথে লিরিক তৈরি করে ফেলেন। এবং বর্তমান সময়ে আরমান আলিফ কিংবা শামস ভাই আপনারা যে লিরিক লিখে নাকি এত কিছু ফলো করে লিখেন। অর্থাৎ মূল প্রশ্নটা হল পেশাগতভাবে গীতিকার হিসেবে কাজ করলে নিজের অভিজ্ঞতা এবং চিন্তা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে লিখতে হবে নাকি শতভাগই নিয়মের ভেতর থাকতে হবে?
জিজ্ঞাসা করেছেন
বিভাগ:
0 টি উত্তর
bissoy.com এ মানসম্মত উত্তর দিয়ে জিতে নিন উপহার। উপহারের অর্থমূল্য নিয়ে নিন মোবাইল ব্যাংকিং এ। বিস্তারিত দেখুন এখানে
বিজ্ঞাপন