আযানের সময় দুয়া করলে নাকি কবুল হয়। আমার মনে মনে আযানের সময় খারাপ দুয়া, বদদোয়া চলে আসে নাহ চাইলেও। এগুলা কি কবুল হবে?
বিভাগ:
4 টি উত্তর
কেউ যদি ভুল করে নিজের ক্ষতি, অন্যের ক্ষতি, পরিবারের ক্ষতি চেয়ে ফেলে, এসব দুআ আল্লাহ কবুল করবেন না। আল্লাহর বাণীঃ এ ব্যাপারে তোমাদের ত্রুটি-বিচ্যুতি হলে তোমাদের কোন গুনাহ নেই। [সূরাহ আহযাবঃ ৩৩/৫]
আল্লাহ তায়ালা অন্যত্র বলেন, যে গুনাহ করে কিংবা নিজের অনিষ্ট করে, অতপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, সে আল্লাহকে ক্ষমাশীল, করুণাময় পায়। [সূরা আন-নিসাঃ ৪:১১০] মনে এসব চিন্তা আসলে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন, আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তাছাড়া বেশি বেশি 'তাবুজ' পাঠ করুন।
উচ্চারণঃ আ‘ঊযু বিল্লা-হি মিনাশ শাইত্ব-নির রজীম।
অনুবাদঃ আমি অভিশপ্ত শয়তান হতে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
এগুলো ভুল কথা। আজানের সময় আমাদেরকে আজানের জবাব দিতে হবে। রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আজানের সময় সকল কাজ করা হারাম। এসময় আমাদেরকে মনোযোগ দিয়ে আজান শুনে তার উওর দিতে হবে। 
আযানের সময় মনে মনে যদি খারাপ দুয়া, বদদোয়া চলে আসে এগুলি কবুল হবে না। মনে মনে সং কল্প করলে, ভুলে গিয়ে বা ভুল করে কৃত অপরাধ ক্ষমার্হ; কেউ অনিচ্ছাকৃত ভুল করলে তাদের কোন অপরাধ নেই; কিন্তু অন্তর যা স্বেচ্ছায় করেছে তা অপরাধ, আর আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। যেমন হাদীসেও বলা হয়েছে, আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ কথা বা কাজে পরিণত না করা পর্যন্ত আল্লাহ তাআলা আমার উম্মতের জন্য তাদের মনে কল্পনা গুলোকে মাফ করে দিয়েছেন। (সহীহ মুসলিম হাঃ একাডেমী, হাদিস নম্বরঃ ২৩০ ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩১, ইসলামিক সেন্টারঃ ২৩৯ হাদিসের মানঃ সহিহ)।
আপনি বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়েন ।