2 টি উত্তর
বিপরীতে লিঙ্গের মানুষের প্রতি আকর্ষণ দিয়েই, আল্লাহ্ তায়ালা মানুষ সৃষ্টি করেছেন। ফলস্বরূপ, মানুষ প্রেমে পড়ে, কারো প্রতি ভালোলাগা সৃষ্টি হয়। বিজ্ঞান অনুযায়ী, কিছু হরমোন এর জন্য দ্বায়ী। যাই হোক, এটা আল্লাহ্ তায়ালার একটি বড় নেয়ামত।

মানুষ প্রেম করার বা প্রেমে পরার বেশ কয়েকটি কারণ হতে পারে৷

তার মধ্যে... শারীরিক চাহিদা অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।সৃষ্টিগত ভাবে মানুষ বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণবোধ করে, পরিস্থিতিগত কারণে দুজন মানুষ যদি দুজনের প্রতি শারীরিক চাহিদাবোধ করে, তবে তাপিটুইটারি গ্রন্থিকে উদ্দীপ্ত করে মানসিক আকর্ষণেরও জন্ম দেয়।আর এথেকে মানুষ একে অপরের প্রেমে পড়ে৷ 

জৈবিক যেসব কারণে কোনো মানুষের প্রতি আকর্ষণ তীব্র হতে পারে, তার অন্যতম চেহারা। সাধারণত, রূপের চেয়েও শরীরের গঠন, উচ্চতা, পেশীবহুল চেহারা এ সব মানুষের হাইপোথ্যালামাসে ভালোলাগার বার্তা পৌঁছায়। তখনই ডোপামিন হরমোন মস্তিষ্কে প্রেমের বার্তা পৌঁছায়।

আরও একটি কারণ,যা বেশ মজারও বটে৷ কোনো মানুষের সঙ্গে তীব্র বিবাদ বা লাগাতার ছোটখাটো বিষয়ে সমস্যা লেগেই থাকে? সাবধান! এখান থেকেও প্রেমে পড়া অস্বাভাবিক নয় মোটেই। বরং এইসব খিটিমিটি কখনো কখনো ডোপামিনকে উত্তেজিত করে। তাই ঝগড়ার মানুষটার প্রতিও কোথাও মায়া কাজ করে কোনো কোনো মানুষের মনে।আমরা বহু সিনেমাও গল্পে এমনটা দেখতে পায়৷

প্রেমে পড়ার বেশির ভাগ কাজটাই হরমোনের খেলা। তাই ‘বিপরীত মেরু একে অন্যকে টানে’- এমন তত্ত্বে খুব একটা ভরসা জোগাচ্ছেন না বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, আধুনিক জীবনযাত্রা, কর্মব্যস্ত সময়ে মানুষ খুব সংঘাতে যেতে রাজি নন। তাই অনেক সময় মতান্তরে ডোপামিন ক্ষরণ হয় না। বরং মতে মেলে এমন মানুষকেই সে বেছে নিতে চায়।

আমার মতে এসবের ছেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো-বর্তমান সবখানে নগ্নতা আর অশ্লীলতার ছড়াছড়ি, যদিও যে কোন মানুষ বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষিত হয়ে প্রেমে পড়তে পারে এটা স্বাভাবিক কিন্তু... বর্তমান বেশির ভাগ ছেলে-মেয়েরা প্রেম ভালোবাসা বলতে যা বেচে নিয়েছে তা অধিকাংশ নোংড়া পরিবেশ, নগ্ন, অশ্লীল সিনেমা/গল্প ইত্যাদি থেকে উদ্ভুদ্ধ হয়ে৷