কয়েকটি জোকস লাগবে, প্লিজ কেউ দেন? চরম কয়েকটি জোকস দরকার। প্লিজ সবাই জোকস গুলো দিন।
8 টি উত্তর
ক্লাসে শিক্ষক বল্টুকে প্রশ্ন করছে - শিক্ষক : বল্টু তোর স্কুলে আসতে এত দের হলো কেন? বল্টু : বাহিরে অনেক বৃষ্টি হচ্ছিলতো তাই। শিক্ষক : তো বাকিরা কিভাবে ঠিক সময়ে আসলো? বল্টু : স্যার হরিণেরা তো সব সময় দল বাইধা চলে আর বাঘ সব সময় একলাই শিকার করে।
* জোকস-১ শিক্ষক: এমন এক প্রজাতির প্রাণীর নাম বলো, যারা আকাশে ওড়ে কিন্তু বাচ্চা দেয় মাটিতে। বল্টু: স্যার, এয়ার হোস্টেজ! শিক্ষক: বলো কী? বল্টু: জ্বি স্যার, তারা সারা বছর আকাশে উড়ে বেড়ায়। কিন্তু বাচ্চা হওয়ার সময় ঠিকই হাসপাতালে দৌড়ায়। * জোকস-২ লঞ্চে করে একবার বাড়ি যাচ্ছিল বৃদ্ধ মকফর। হঠাৎ করে লঞ্চ থেকে এক তরুণী নদীতে পড়ে গেল। তা দেখে সবাই চিৎকার শুরু করল, ‘বাঁচাও, মেয়েটাকে কেউ বাঁচাও’। অথচ কেউ নামল না। নামল বৃদ্ধ মকফর। সবাই অবাক হয়ে গেল ৬০ বছরের বৃদ্ধের কাণ্ড দেখে। মকফর মেয়েটিকে নিয়ে লঞ্চে উঠলে সবাই তার প্রশংসা করতে লাগল। মকফর রেগেমেগে বলল, ‘আমারে ধাক্কা দিয়া নিচে ফালাইছে কোন শালা’? * জোকস-৩ স্ত্রী: পাশের বাসার ছেলেটা আমার জানালায় শুধু উঁকি মারে। স্বামী: তা কী করবো এখন? স্ত্রী: একটা পর্দা লাগানোর ব্যবস্থা কর। স্বামী: ভালোভাবে একবার তোমাকে দেখতে দাও। স্ত্রী: তাহলে কী হবে? স্বামী: তারপর আর পর্দা লাগাতে হবে না। * জোকস-৪ শিক্ষক : এই ছেলে, দাঁড়াও। বল্টু: জ্বি স্যার। শিক্ষক : এইচএসসির পূর্ণরূপ কী? বল্টু: এক্কেরে সোজা! হেডমাস্টার স্যান্ডেল চোর। শিক্ষক : হারামজাদা শয়তান ছেলে! বল্টু: স্যার আপনারটাও ঠিক আছে।
বাবা ও ছেলের কথোপকথন  ছেলে:বাবা ভাইয়া একটি পোকা খেয়ে ফেলেছে। বাবা:কি বলিস । ছেলে:তুমি চিন্তা করো না, আমি ভাইয়াকে পোকা মারার বিষ খাইয়ে দিয়েছি ।

★বিয়ের পর শশুরবাড়িতে নতুন বউকে-

শাশুড়ি বলছে: মা আজ থেকে তুমি এ বাড়িরই একজন সদস্য। আমার

মেয়ে তুমি, আমাকে তুমি মা ডাকবে।

নতুন বউ : আচ্ছা মা।

সারা দিনের কাজ শেষে জামাই বাসায় আসছে কলিংবেল বেজে উঠলো।

শাশুড়ি : এই কে এলো, দেখোতো বউ মা ?

নতুন বউ : মা! মা!! ভাইয়া এসেছে।

★মগের মুখ ও তলা নেই

এক সৈন্য ভুল করে তার মগ উল্টে রেখে গেল টেবিলে। এমন সময় জেনারেলের তৃষ্ণা পেয়েছে। তিনি পেয়াদাকে হুকুম করলেন পানি আনার জন্য।

পেয়াদা অনেকক্ষণ দেখে ফিরে এসে রিপোর্ট করলো, ‘স্যার পানি আনতে পারবো না, মগের কোনো মুখ নেই।’

জেনারেল গেলেন টেবিলের কাছে। তিনিও অনেকক্ষণ গবেষণা করে বললেন, ‘কী আশ্চর্য, এটার তো তলাও নেই।’

★দাদা-নাতীর কথোপকথন- 

দাদা : তার নাতীকে বলছে, যা পালা তাড়াতাড়ি তুই আজকে স্কুলে যাস নাই তাই তোর

টিচার বাড়িতে আসছে।

নাতী : আমি পালাবো না, তুমি বরং পালাও কারণ আমি স্যারকে বলেছি আমার দাদা মারা গেছে তাই স্কুলে যাইনি।


আবুলঃ বন্ধু বলতো কষ্ট কাকে বলে ?


বল্টুঃ যখন মোবাইল চার্জে দিয়ে কিছুক্ষণ ঘুরে এসে দেখি সুইচ দিতে ভুলে গেছি ।


এক ভিক্ষুক লাল্লুদের বাসায় এসে লাল্লুকে বলল- বাবু মাকে বলো ১০ টা টাকা ভিক্ষা দিতে।
-ভিক্ষা করছ কেন? কাজ করতে পারো না?
-কে কাজ দিবে বাবু?
-যান আপনেরে আজকে থেকে আমি কাজ দিলাম। আপনি পুরো এলাকাতে ভিক্ষা করে এনে আমাকে দেবেন, আমি ১৫০ টাকা মাসে বেতন দিব আপনেরে।
বল্টুর বউ বল্টুকে বলছে-
-- পাশের ফ্ল্যাটের রাজুকে দেখো; সে তার বউকে সবসময় কিস করে, তুমি করতে পারো না???
-- বিশ্বাস করো, আমি চেষ্টা করছিলাম কিন্তু সে আমারে থাপ্পর মারছে।
থানার ওসি আর কনস্টেবল কথা বলছে...
ওসি: চোরকে ধরতে পারলে না?
কনস্টেবল: না স্যার, তবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট রেখে দিয়েছি।
ওসি: কই?
কনস্টেবল: এই যে আমার গালে।
স্ত্রীর ডেলিভারি হচ্ছে। এ সময় তার পাশে তার স্বামীর থাকার কথা। কিন্তু তার স্বামী গত দুই বছর ধরে বিদেশ। হায়রে প্রবাস জীবন!
আধুনিক যুগের মেয়েদের ড্রেস
এই দিকে লেস; ওই দিকে লেস; কখনো স্লিভ লেস; কখনো ব্যাক লেস
কিন্তু ছেলেরা তাকাইলেই- সেই ছেলে ক্যারেক্টার লেস।
সুপুরুষ হতে হলে একটা দণ্ড শক্ত হতে হয়!! আর তা হলো মেরুদণ্ড।
প্রথম বন্ধু: ভাবছি,  ছেলেকে মেডিকেল কলেজে ভর্তি করাবো ।                    (কিছুক্ষণ ভেবে ) দ্বিতীয় বন্ধু:বন্ধু কোনো চিন্তা করিস না । কালকে গলির চার-পাঁচটা গুন্ডা কে ধরে তোর ছেলেকে মারপিট করিয়ে মেডিকেলে ভর্তি করে দেব । 
জোকস-১ জজ: একদম চুপ! এরপর কেউ টুঁ শব্দটি করলে কোর্ট থেকে বের করে দেওয়া হবে। সঙ্গে সঙ্গে আসামি বিকট সুরে চেঁচাতে লাগল। জোকস-২ জজ: তুমি বলছ তুমি ক্ষুধার্ত ছিলে বলে ব্যাংক থেকে ক্যাশ ডাকাতি করেছ। কিন্তু হোটেলের খাবার ডাকাতি করাটাই স্বাভাবিক ছিল না? ডাকাত: খেয়ে পয়সা না দেওয়াটা আমার জন্য অপমানজনক.......মহামান্য আদালত।