6 টি উত্তর

কোরআন শরীফ বড়। কেননা, মানবজাতির হেদায়াতের জন্য আল্লাহ্ তা'য়ালা পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ (কোরআন শরীফ) অবতীর্ণ (নাযিল) করেছেন। সে জন্য কোরআন বড়।

'মানুষ বড় ' কারণ পৃথিবীতে আল্লাহর বাণী কোরান পাঠানো হয়েছে মূলত মানুষের কল্যাণের উদ্দেশ্যে৷কোরানের জন্য মানুষকে নয়৷ 

এ পৃথিবীতে যা কিছু সৃষ্টি করা হয়েছে, তার সবই মানুষের কল্যাণের জন্য। মহান আল্লাহ আপন কৃপায় সেসব সৃষ্টিজীবকে মানুষের অনুগত ও বশ্য করে দিয়েছেন। যদিও তারা আকার-আকৃতিতে, শক্তি ও দেহাবয়বের দিক থেকে মানুষের চেয়ে অনেক বড়। এ মর্মে তিনি ইরশাদ করেন: ‘‘তুমি কি লক্ষ্য কর না যে, আল্লাহ তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করেছেন পৃথিবীতে যা কিছু আছে তৎসমূদয়কে।’’ 

মানুষ হলো আশরাফুল মাকলুকাত অর্থ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব,কিন্তু সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ হলেও মানুষ অনেক ভুল কাজ করে পাপ করে, এজন্য আল্লাহ তায়ালা মানব জাতির হেদায়েতের জন্য আল কোরআন নাজিল করেছেন।এতে তারা পাপ কাজ থেকে বিরত থাকতে পারে,এদিক থেকে চিন্তা করলে আল কোরআন বড়।কারন মানুষ পাপ কাজ করলেও আল কোরআন মানুষকে পাপ কাজ করা থেকে দূরে রাখে।
এই প্রশ্নের উত্তর দুই রকম হয়ে যায়.যেমন একদিকে কোরআন বড়.আবার অন্যদিকে মানুষ বড়.কারণ মানুষের উপরই তো কোরআন নাজিল হয়.এ দিক থেকে মানুষ বড়.আবার কোরআন মানুষসহ সকল প্রাণীর সব সমস্যার সমাধান দেওয়া আছে.সবদিক থেকে বিবেচনা করেও বলা যায় কোরআন বড়.

এখানে পূর্বের উভয়ের উত্তরের সাথেই আমার দ্বিমত রয়েছে। 

এ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে আমাদের "তুলনা" শব্দের মানে জানতে হবে। তুলনা শব্দের অর্থ হলো একই জাতীয় দুই বা ততোধিক ব্যাক্তি বা বস্তুর মাঝে সাদৃশ্য/বৈসাদৃশ্য/উৎকর্ষ বিচার করা। 

এক্ষেত্রে কোরআন কোন মাখলুক(সৃষ্টি) নয়। কোরআন হলো আল্লাহর বাণী। আর আমরা হলাম মাখলুক বা আল্লাহর সৃষ্টি।

যেহেতু দুটি বিষয় সম্পূর্ণ আলাদা, তাই এদের মাঝে তুলনা করার চেষ্টা করে অযথা ফিতনা সৃষ্টি করা ঠিক নয়। দুটোই নিজ নিজ ক্ষেত্রে সর্বোত্তম।

আশা করি বুঝতে পেরেছেন। 

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ