নাসার লোকেরা যখন চাঁদে অবতরণ করে তারা কি চাদের মাঝে কোনো ফাটল দেখতে পায়?কারণ প্রিয়নবী (সঃ) তো চাঁদকে দুই ভাগ করে দিয়েছিলেন?

  • এ প্রশ্নে এপোলো ১১ নিয়ে বিতর্ক না করার অনুরোধ রইলো(চাইলে আলাদা প্রশ্নে করতে পারেন)
  • প্রমানঃ
  • (১) নাসার এপোলো ১১ যদি নাটক হয়ে থাকে তাহলে লুনার লেজার রেন্জিং এক্সপেরিমেন্ট সফল হয় কীভাবে ( উল্লেখ্য নীল আর্মস্ট্রং লেজার রিফ্লেক্টর বসানোর পরেই আমরা চাদের নিখুঁত দুরত্ব জানতে পারি।
  • সূত্র(WikiPedia) - https://en.m.wikipedia.org/wiki/Lunar_Laser_Ranging_experiment
  • এপোলো ১৫ দ্বারা চন্দ্র বিজয়৷ https://www.nasa.gov/mission_pages/LRO/multimedia/lroimages/lroc-20100413-apollo15-LRRR.html (নাসা)
  • (২) এপোলো ১১ মিথ্যা নাটক হলে ৬০ বছর আগে একটা কার্টুন বানাতে হাজার হাজার ছবি তুলে লাখ লাখ টাকা খরচ করা লাগতো আর এরকম নিখুত গ্রাফিক্স বানানো কীভাবে সম্ভব তখন কম্পিউটার মোটেও উন্নত ছিল না যে এরকম গ্রাফিক্স বানাতে পারবে।অতএব এপোলো ১১ যে সাক্সেসফুল মিশন সন্দেহই নেেimage
7 টি উত্তর

শুনেছি,

চন্দ্র অভিযান-এর অধিনায়ক নীল আর্মস্ট্রং মুসলমান হওয়ার কারণ (যদিও বিজাতীরা এটা গোপন রাখতে চায়) হল, তিনি চন্দ্রের মাঝে ফাটল দেখে তা নিয়ে গবেষণা করে জানতে পারেন যে, এটা ঐ সময়ের ফাটল যখন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চন্দ্র দ্বিখণ্ডিত করে ছিলেন।
কিন্তু, বিজাতীরা (নিজেদের সম্মানহানির ভয়ে) এটা প্রকাশ না করায় অস্পষ্ট রয়ে গেছে।
বর্তমানে রাশিয়ার বিঙ্গানীরা চাদে যাওয়ার ব্যাপারটিকে সম্পুর্ন গুজব বলেছে কারন চাদে অবতরনের কোন সঠিক প্রমান তাদের কাছে নেই তাই ফাটল দেখার বিষয়ে কোন নির্দিষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি
ভাই কথা সত্য কিন্তু আল্লাহর কুদরতে তা সম্পুর্ন জোড়া লাগে।তাই কোনো ফাটল দেখা যায়নি।ইন্টারনেটের এরকম কথা পাবেন যে দেখা গিয়ছিল ছবিও আছে তা ভুয়া

অনেকে হয়তো আমাকে অতি পণ্ডিত ভাববেন, ধমকাধমকি আর তামাশাও করবেন অনেকে, কিন্তু বাস্তব ঘটনা হলো আমরা এতদিন ধরে নীল আর্মস্ট্রং এর চাঁদে যাওয়ার ঘটনা শুনে এসেছি, তা একই সাথে মিথ্যা ও বানোয়াট। সোভিয়েত ইউনিয়নকে চমকে দিতে আমেরিকা এই জঘন্য নাটক সাজিয়েছিল। আর পশ্চিমা নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ার প্রভাবে আমরা ঘটনাটিকে ধ্রুব সত্য হিসেবে বিশ্বাস করছি। যেখানে নীল আর্মস্ট্রং এর চাঁদে যাওয়ার ঘটনাই বাস্তব নয়, সেখানে তাদের ফাটল দেখার ঘটনা কিভাবে বাস্তব হতে পারে? 

নিচে প্রমাণসহ উল্লেখ করছিঃ-

প্রমাণ - ১।

প্রমাণ - ২।

প্রমাণ ৩।

বিঃদ্রঃ- এখানে বিভিন্ন ধরনের চিন্তাধারার মানুষ আছেন।আমি সবার মতকে শ্রদ্ধা করি। বাংলাদেশ মার্কিন প্রভাবিত দেশ হওয়ায় এদেশে এদেশে চন্দ্রজয়ের ব্যাপারে একরকম তথ্য দেওয়া হয়, আর অন্যদিকে রুশ,চীনপন্থী দেশসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আমার বলা কথাটিই পড়ানো হয়।(বাস্তব সূত্রে পাওয়া)।অতএব, কেউ অযথা তর্ক করবেন না। 

আপনাদের মধ্যে অনেকেই চাঁদে যাওয়াটাকে মিথ্যা বলছেন।অনেক বাংলাদেশী পত্রিকার তথ্যসূত্র দিয়েছেন।যারা তথ্যসূত্রগুলো দেখে চাঁদে যাওয়াটাকে মিথ্যা ভেবে নিয়েছেন তারা এই লিংকটিতে যানঃ http://news.bbc.co.uk/2/hi/south_asia/8237558.stm
মক্কা জীবনে মুহাম্মাদের (স) জীবনে যে তিনটি প্রধান অলৌকিক ঘটনা ঘটে যায়, তাঁর মধ্যে এটা একটা... মিরাজ, সাওর পর্বতের গুহায় মাকড়সার জাল আর এই চন্দ্রদিখন্ডন।
হাদিস মতে, মক্কার কুরাইশরা মুহাম্মাদ (স) কে মানতে চায়নি। তারা মিরাকল দাবি করে। তখন মুহাম্মাদ (স) জিজ্ঞেস করেন, আল্লাহ যদি তাঁকে দিয়ে কোন অলৌকিক কাজ করান তাহলে তারা কি বিশ্বাস করবে? মুসলিম হবে? তারা হ্যাঁ বলল। এরপর রাসুল (স) দু রাকাত নামায আদায় করে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করলেন, আর এরপর আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করলেন চাঁদের দিকে। চাঁদ দু ভাগ হয়ে গেল এবং এত দূরে অবস্থান করল টুকরোদুটো যে মাঝে নূর পর্বত (হেরা) দেখা যাচ্ছিল... এর পরেই আবার PERFECTLY জোড়া লেগে যায় চাঁদ। কিন্তু কুরাইশরা বলল, “আমরা মানব না। এটা তো স্পষ্ট জাদু।” তখন থেকে মুহাম্মাদ (স)কে জাদুকর বলেও গালি দেয়া হত... পরে, মক্কার আশপাশ থেকে কাফেলা আসলে বেদুইনদের জিজ্ঞেস করা হয়, তারা কি চাঁদ দুভাগ হতে দেখেছে? তারা স্বীকার করে যে, তারা দেখেছে।
ইসলামিক স্কলাররা এ ব্যাপারে একমত না, যে, এটা actual split ছিল নাকি optical illusion দেখানো হয়েছিল, কিন্তু, এটা সিওর একটা অস্বাভাবিক কিছু হয়েছিল। মিরাকল। কিন্তু, মক্কার মানুষ বিশ্বাস করেনি।
কুরআনে এটাকে আসল ঘটনাই বলা হয়েছে... এ ঘটনার পরে সুরা ক্বামার (চাঁদ) নাজিল হয় যার প্রথম ২ আয়াত...
...চন্দ্র বিদীর্ণ হয়েছে... তারা যদি কোন নিদর্শন (মিরাকল) দেখে তবে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, এটা তো ক্ষণিক জাদু।” (ক্বামার, ৫৪:১-২)
POINT MUST BE NOTED, মুহাম্মাদ (স)কে নিজস্ব কোন মুজেজা দেয়া হয়নি। অলৌকিক ক্ষমতা দেয়া হয়নি। তিনি সাধারণ এক মানুষ ছিলেন, আল্লাহ তাঁকে সাধারন থেকে অসাধারণ করে তোলেন। এটাই তাঁর অসাধারণত্ব। মুজেজা বলতে মিন করছি, কোন পাওয়ার যেটা always কোন নবী ইউজ করতে পারতেন। যেমন, ঈসা (আ) সর্বদা অসুস্থকে সুস্থ করে তুলতে পারতেন, আল্লাহর ইচ্ছায়। মুসা (আ) সর্বদা সেই লাঠিকে সাপে পরিণত করতে পারতেন আল্লাহ ইচ্ছায়, তিনি বগলে হাত রেখে বের করে আনলে তাঁর হাত থেকে প্রচণ্ড আলো বিচ্ছুরিত হত, আল্লাহর ইচ্ছায়। এগুলো Past INDEFINITE tense এ, “করতেন”; Past PERFECT tense না, “করেছিলেন” না। কিন্তু, মুহাম্মাদ (স) কে মুজেজা দেয়া হয়নি এই অর্থে যে তাঁর জন্য কোন Past INDEFINITE পাওয়ার ছিল না। তবে Past PERFECT ঘটনা ছিল।
যাই হোক, চন্দ্র-দিখন্ডন এর ঘটনার অনেক প্রুফ দেখানোর চেষ্টা করা হয় নেট-এ, নাসার কিছু ছবি থেকে... এটা নিয়ে অতিরিক্ত ইমোশন দেখানো হয়েছিল... এতে ক্ষতি হয়েছে ইসলামেরই, কারণ ছবির ব্যাখ্যা ভুল ছিল... ছবিটা এমন, এখানে দেখা যাচ্ছে চাঁদের যে জায়গায় দু ভাগ জোড়া লেগেছিল সে জায়গা, এখনও ফাটলের চিহ্ন দেখা যাচ্ছে... এসব পোস্ট ফেসবুকে ছড়িয়ে পরে।
আসলে যে ছবি আপনারা দেখছেন নাসার, সেটা আসলে Moon Rilles নামে পরিচিত। অর্থাৎ গিরিখাদ।
“যদি কোন পাপাচারী ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোন সংবাদ আনয়ন করে, তবে তোমরা পরীক্ষা করে দেখবে, যাতে অজ্ঞতাবশতঃ তোমরা কোন সম্প্রদায়ের ক্ষতিসাধনে প্রবৃত্ত না হও এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্যে অনুতপ্ত না হও।” (হুজুরাত, ৪৯:৬)
প্রিয়নবী (সাঃ) চাঁদকে দুই ভাগ করে দিয়েছিলেন এই কথাতে আমাদের কোন সন্দেহ নেই। কেননা, চন্দ্র বিদীর্ণ হয়ে দুই খণ্ড হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে কোরআন হাদিসে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে।

জুবাইর ইবন মুতইম রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলের যুগে চাঁদ ফেটে গিয়ে দুভাগে বিভক্ত হয়েছিল। এর এক অংশ ছিল এ পাহাড়ের উপর অপর অংশ অন্য পাহাড়ের উপর। তখন মুশরিকরা বলল, মুহাম্মাদ আমাদেরকে জাদু করেছে। তারপর তারা আবার বলল, যদি তারা আমাদেরকে জাদু করে থাকে তবে সে তো আর দুনিয়াসুদ্ধ সবাইকে জাদু করতে পারবে না। (মুসনাদে আহমাদঃ ৪/৮১-৮২)

আনাস ইবনে মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু বৰ্ণনা করেনঃ মক্কাবাসীরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে নবুওয়তের কোন নিদর্শন দেখতে চাইলে আল্লাহ তা'আলা চন্দ্রকে দ্বিখণ্ডিত অবস্থায় দেখিয়ে দিলেন। তারা হেরা পর্বতকে উভয় খণ্ডের মাঝখানে দেখতে পেল। (বুখারীঃ ৩৮৬৮, মুসলিমঃ ২৮০২)

আব্দুল্লাহ ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস ওয়া সাল্লামের যুগে চাঁদ ফেটেছিল। (বুখারীঃ ৪৮৬৬)

কিন্তু প্রশ্নের মূল কথা হচ্ছে, নাসার লোকেরা যখন চাঁদে অবতরণ করে তারা কি চাঁদের মাঝে কোনো ফাটল দেখতে পায়?

জবাব! এব্যারে কোরআন হাদিসে স্পষ্ট কোন প্রমাণ নেই। তবে তারীখে ফিরিশতায় যা বর্ণিত হয়েছে না নিম্নরুপ আলোচনা করা হলোঃ

চাঁদ দ্বিখন্ডিত করণের প্রস্তাব সবকিছুতে ব্যর্থ হয়ে সবশেষে ইহূদী পন্ডিতেরা কুরায়েশ নেতাদের একটা বিস্ময়কর কৌশল শিখিয়ে দিল। তারা বলল, মুহাম্মাদ জাদুকর কিনা, যাচাইয়ের একটা প্রকৃষ্ট পন্থা এই যে, জাদুর প্রভাব কেবল যমীনেই সীমাবদ্ধ থাকে। আসমানে এর কোন প্রতিক্রিয়া হয় না। অতএব তোমরা মুহাম্মাদকে বল, সে চাঁদকে দ্বিখন্ডিত করুক। সম্ভবতঃ হযরত মূসা (আঃ) কর্তৃক লাঠির সাহায্যে নদী বিভক্ত হওয়ার মুজেযা থেকেই চন্দ্র দ্বিখন্ডিত করার চিন্তাটি ইহূদীদের মাথায় এসে থাকবে। অথচ নদী বিভক্ত করার চাইতে চন্দ্র দ্বিখন্ডিত করা কতই না কঠিন বিষয়। কেননা এটি দুনিয়ার এবং অন্যটি আকাশের। কুরায়েশ নেতারা মহা খুশীতে বাগবাগ হয়ে গেল এই ভেবে যে, এবার নির্ঘাত মুহাম্মাদ কুপোকাৎ হবে। তারা দল বেঁধে রাসূল (সাঃ)-এর কাছে গিয়ে এক চন্দ্রোজ্জ্বল রাত্রিতে উক্ত প্রশ্ন করল। ঐ সময় সেখানে হযরত আলী, আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ, জুবায়ের ইবনু মুত্ব‘ইম (রাঃ) প্রমুখ সাহাবীগণ উপস্থিত ছিলেন। এতদ্ব্যতীত বহু সাহাবী উক্ত বিষয়ে হাদীস বর্ণনা করেছেন।

কুরায়েশ নেতাদের দাবী মোতাবেক আল্লাহর হুকুমে রাসূল (সাঃ)-এর উক্ত মুজেযা প্রদর্শিত হল। মুহূর্তের মধ্যে চাঁদ দ্বিখন্ডিত হয়ে পূর্ব ও পশ্চিমে ছিটকে পড়ল। উভয় টুকরার মাঝখানে ‘হেরা’ পর্বত আড়াল হয়ে গেল। অতঃপর পুনরায় দুই টুকরা এসে যুক্ত হল। এ সময় আল্লাহর রাসূল (সাঃ) মিনা-তে ছিলেন।

এত বড় ঘটনা চাক্ষুষ দেখা সত্ত্বেও কুরায়েশ নেতারা ঈমান আনলেন না। পরে বিভিন্ন এলাকা হতে আগত লোকদের কাছেও তারা একই ঘটনা শোনেন। ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেন, তারা বললেন, এটা আবু কাবশার পুত্রের (মুহাম্মাদের) জাদু। সে তোমাদের জাদু করেছে। অতএব তোমরা বহিরাগত লোকদের জিজ্ঞেস কর। কেননা মুহাম্মাদ একসঙ্গে সবাইকে জাদু করতে পারবে না। অতএব বহিরাগতরা বললে সেটাই ঠিক। নইলে এটা স্রেফ জাদু মাত্র। অতঃপর চারদিক থেকে আসা মুসাফিরদের জিজ্ঞেস করলেন। তারা সবাই এ দৃশ্য দেখেছেন বলে সাক্ষ্য দেন। কিন্তু যিদ ও অহংকার তাদেরকে ঈমান আনা হতে বিরত রাখলো।

তারীখে ফিরিশতায় বর্ণিত হয়েছে যে, চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হওয়ার এই দৃশ্য ভারতের মালাবারের জনৈক মহারাজা স্বচক্ষে দেখেন এবং তা নিজের রোজনামচায় লিপিবদ্ধ করেন। পরে আরব বণিকদের মুখে ঘটনা শুনে তখনকার রাজা ‘সামেরী’ উক্ত রোজনামচা বের করেন। অতঃপর তাতে ঘটনার সত্যতা দেখে তিনি মুসলমান হয়ে যান। যদিও সামরিক নেতা ও সমাজনেতাদের ভয়ে তিনি ইসলাম গোপন রাখেন।

১৯৬৯ সালের ২০শে জুলাই চন্দ্রে প্রথম পদাপর্ণকারী দলের নেতা নেইল আর্মষ্ট্রং স্বচক্ষে চন্দ্রপৃষ্ঠের বিভক্তি রেখা দেখে বিস্ময়াভিভূত হন এবং ইসলাম কবুল করেন। কিন্তু মার্কিন প্রশাসনের ভয়ে তিনি একথা কয়েক বছর পরে প্রকাশ করেন।