2 টি উত্তর

ইব্রাহিম আঃ জীবনির উপর বাজারে ভালো বই পাওয়া যায়।৷ এত বড় জীবনি অল্প সময়েে বলা সম্ভব না।          
হযরত ইব্রাহীম (আঃ) তাহার-  (আনুমানিক জন্ম: ১৯০০ খৃষ্ট পূর্বাব্দ থেকে ১৮৬১ খৃষ্ট পূর্বাব্দে জন্ম – মৃত্যু: ১৮১৪ খৃষ্ট পূর্বাব্দ থেকে ১৭১৬ খৃষ্ট পূর্বাব্দ), ইসলাম ধর্মের একজন গুরুত্বপূর্ণ নবী ও রাসূল।পবিত্র কুরআনে তাঁর নামে একটি সূরাও রয়েছে। পুরো কুরআনে অনেকবার তাঁর নাম উল্লেখিত হয়েছে। ইসলাম ধর্মমতে, তিনি মুসলিম জাতির পিতা। ইসলাম ছাড়াও, ইহুদি ও খ্রিস্টধর্মেও ইব্রাহিম শ্রদ্ধাস্পদ ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন। এজন্য ইবরাহিমকে সেমেটিক ধর্মগুলোর জনকও বলা হয়ে থাকে। কা'বুল আহবার-এর মতে তিনি ১৯৫ বছর জীবিত ছিলেন। সৃষ্টিকর্তার প্রতি তার দৃঢ় বিশ্বাসের এর ফলে আল্লাহ তাকে খলিলুল্লাহ বলে ডাকতেন।ইসলামে তার কার্যক্রম কে স্মরণ করে ঈদুল আযহা পালিত হয়। ইব্রাহিম ও তার শিশুপুত্র ইসমাইল ইসলামে কুরবানিও হজ্জের বিধান চালু করেন যা বর্তমানের মুসলিমদের দ্বারাও পালিত হয়। তাঁর পিতার নাম আযর। তাঁর স্ত্রীর নাম সারাহ ও হাজেরা। তাঁর চার পুত্র ছিলেন: ইসমাইল, ইসহাক। মতান্তরে, তাঁর ৬-১২জন পুত্র ছিলেন। তবে, পুত্র হিসেবে কেবল ইসমাইল ও ইসহাকের বর্ণনাটিই ইতিহাসে প্রসিদ্ধ। অন্যদের ব্যাপারে ঐতিহাসিক উল্লেখের তেমন কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না। ইসলাম ধর্মমতে, ইব্রাহিমের [আ.] উপর সহীফাঅবতীর্ণ হয়েছে।

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ