1 টি উত্তর

ইসলামী শরীয়াতে কাম-উত্তেজনা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে স্ত্রীকে পুরোপুরি উলঙ্গ করে সহবাস করার বৈধতা আছে। সহবাসের সময় সম্পূর্ণ উলঙ্গ হওয়া একে অপরের লজ্জাস্থান না দেখা এ হলো লজ্জাশীলতার পরিচয়। পরন্ত শরীয়তে তা হারাম নয়। অর্থাৎ রুম সম্পূর্ণ বন্ধ থাকলে এবং সেখানে স্বামী স্ত্রী ছাড়া অন্য কেউ না থাকলে আর পর্দার প্রয়োজন নেই। স্বামী স্ত্রী একে অন্যের লেবাস। উভয়ে উভয়ের সব কিছু দেখতে পারে। অর্থাৎ, স্বামী স্ত্রী একে অপরের গোপন অঙ্গ দেখতে পারবে শরীয়তে তাতে কোন বাধা নেই। স্বামী স্ত্রী উভয়েই উভয়ের সর্বাঙ্গ নগ্নবস্থায় দেখতে পারে। (ফাতাওয়া ইবনে উষাইমীনঃ ২/৭৬৬) তবে লজ্জাস্থান অপ্রয়োজনে খুলে রাখা বৈধ নয়। নাবি (সাঃ) বলেছেন, তুমি তোমার স্ত্রী ও ক্রীতদাসী ছাড়া অন্যের নিকট লজ্জাস্থানের হেফাজত কর। সাহাবী বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! লোকেরা আপসে এক জায়গায় থাকলে? তিনি বললেন, যথাসাধ্য চেষ্টা করবে, কেউ যেন তা মোটেই দেখতে না পায়। সাহাবী বললেন, হে আল্লহর রাসুল! কেউ যদি নির্জনে থাকে? তিনি বললেন, মানুষ অপেক্ষা আল্লাহ এর বেশী হকদার যে, তাকে লজ্জা করা হবে। (আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, মিশকাতঃ ৩১১৭) এখানে তুমি তোমার স্ত্রী ও ক্রীতদাসী ছাড়া অন্যের নিকট লজ্জাস্থানের হেফাজত কর। এর মানে এই নয় যে, স্ত্রী ও ক্রীতদাসীর কাছে সর্বদা নগ্ন থাকা যাবে। উদ্দেশ্য হল, তাদের মিলনের সময় অথবা অন্য প্রয়োজনে লজ্জাস্থান খোলা যাবে অপ্রয়োজনে নয়।

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ