Share

4 টি উত্তর

এটা কিন্তু সবটাই আপনার ভূল এর কারনে হয়। আপনি যদি মুটামুটি ঠিক সময়ে পরতে বসেন এবং আপনার মায়ের ছোট ছোট কাজ এ সাহায্য করেন এতে ভাল হয়। আমি যখন ইস্কুলে পড়তাম তখন মা বকা দিলে ঘরের বাহিরে যেতাম না। তারপর কিছুক্ষন পড়ালেখা। প্রয়জনে কাজ। আর বেশিক্ষণ না পড়েই পলাতক। কিছুই বলতো না কারন আমি একটু আগেই পড়তে বসেছি
শাসন করতে গিয়ে সব বাবা-মাই সন্তানদের কিছু কথা বলে থাকেন। এতে বেশি কষ্ট পেয়ে আত্মহত্যার কথা চিন্তা করার প্রয়োজন নেই।  আপনাকে আগে বুঝতে হবে যে নিশ্চয়ই আপনার কোনো দোষ আছে যার কারণেই বারবার বকা শুনতে হচ্ছে। যদি এরকম হয় যে আপনি যাই করেন তাতেই বকা শুনেন তাহলে সব কাজ মনোযোগ দিয়ে নিঁখুতভাবে করার প্রয়াস অন্তত করুন।  বাবা-মায়ের কষ্ট-পরিশ্রম সবই সন্তানকে কেন্দ্র করে হয়। তাদের জীবনের মাঝামাঝি পর্যায়ে এসে আর হাড়ভাঙা খাঁটুনির প্রয়োজন হয় না। কিন্তু শুধু সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে তারা পরিশ্রম করে। তাই কখনো বাবা-মা অকারণে আপনাকে শাসন করবে না।  আপনি বাবা-মাকে বলতে পারেন যে তাদের বেশি শাসন আপনাকে দুঃখ দিচ্ছে। তারা অবশ্যই বুঝবেন। আপনাকে কষ্ট দিয়ে তাদের কোনো লাভ নেই, আপনার জন্যই তো সবকিছু। 
এরকম নাফরমানি কথা বলবেন না কখনো বলবেন না। আপনি কি মায়ের বুকের দুধ পান করেন নি? আপনাকে কি সে গর্ভে ধারন করেন নি? আপনাকে কি এতটুকু বড় হতে মায়ের একটুও অবদান নাই? খারাপ ভাষায় গালাগালি করে তো কি হইছে? মা মা-ই হয় ।হয়ত আপনার ভালোর জন্যই মা আপনাকে গালিগালাজ করে । একটু গভীর ভাবে চিন্তা করুন মা কেন গালি দেয় । সেটা না করলেই তো হয়! অথবা মাকে বুঝান। তার কাছে ভালো হওয়ার চেষ্টা করুন নামাজ পড়ুন। আর আত্মহত্যা করলে কখন ন ই জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না । নবীজি(সঃ) আপনাকে নিজের উম্মত হিসাবে স্বীকৃতি দিবেন না!
সবার মা বাবাই তার সন্তানের জন্য ভালো কিছু করতে চায়। কিন্তু যখন দেখেন যে সেটার বিগ্ন ঘটছে তখন তিনি ভুল শুধরানোর জন্য এরূপ বকাবকি কে থাকেন।তাই বিচলিত হবার কোন কারন নেই।

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ