একটি গুরুতর পাপ করেছি আল্লাহ কি আমাকে ক্ষমা করবেন?

একটি গুরুতর পাপ করেছি আল্লাহ কি আমাকে ক্ষমা করবেন?আমি অজ্ঞতা বশত একটি গুরুতর পাপ কাজে লিপ্ত হয়ে গিয়েছিলাম। রিলেটেড অভ্যাস গত গুনাহের জন্য গুরুতর পাপে লিপ্ত হয়ে গেছিলাম সহজে। যখন আমি আমার ভুল বোঝতে পারলাম অই পাপ সম্পর্কে জানতে পারলাম। আমি খুব অনুতপ্ত হলাম। আমি নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পাপি হিসাবে ভাবতে লাগলাম। অতপর আমি নিয়মিত নামজ আদায় করি।  ওই পাপের জন্য লজ্জা অনুভব করি। আল্লাহর কাছে তওবা করেছি সমস্ত পাপ গুনাহ থেকে। আল্লাহর রহমতে অামি অনেক দিন যাবত অনেক পাপ থেকে মুক্ত। অভ্যাস গত কোন পাপ করার ইচ্ছাও জাগ্রত হয়না। সমস্ত কিছুই ছেড়ে দিয়েছি মিথ্যা কথা, গানশোনা,, নাটক ফিল্ম,ইত্যাদি সহ। শুধু আগের পাপের কথা মনে হলেই খুব খারাপ লাগে। আর আফসোস করতে থাকি ইশ কেন এমন হল একটু যদি যানতাম একটু যদি সতর্ক থাকতে পারতাম তাহলে হয়ত আমার দারা এই কাজ হতনা। হাই আমার আফসোস অামি যদি ভুলে যেতাম অামার পাপ। আমি দোয়া করি আল্লাহ যাতে আমাকে দয়া করেন। আমার সমস্ত পাপ যেন আল্লাহ হ্মমা করে দেন। আমার গুরুতর পাপ যেন আমাকে মৃত্যুর পর না জানানো হই। তাহলে অামি নিজেকেই নিজেকে হ্মমা করতে পারবনা। যেভাবে আমি আমাকে হ্মমা করতে পারতেছিনা এই দুনিয়াতে। আমার পাপের কথা মনে হলেই আমার খুব খারাপ লাগে। মানসিক যন্ত্রণায় ভুগি আর সারাক্ষণ আফসোস করতে থাকি। আমি এখন কি করব কেউ পরামর্শ  দিবেন।। আর সবাই অামার জন্য দোয়া করবেন। যাতে আল্লাহ আমাকে হ্মমা করে দেন। আর আমি নিয়মিত নামায আদায় করি।  কিন্তু যখন খুব দুশ্চিন্তা হয় তখন নানা প্রশ্ন মাথায় চলে আসে। আল্লাহ কে নিয়ে অনেক প্রশ্ন চলে আসে। আল্লাহর অস্তিত্ব, এত ধর্ম কেন,অামি কি সঠিক পথে আছি,আমাকে কি আল্লাহ হ্মমা করবেন, আবার ভাবি এসব চিন্তা করলেত আমার ঈমানের হ্মতি হবে আল্লাহ আমাকে মাফ কর। আমাকে সঠিক পথ দেখাও। তোমার রহমত থেকে আমাকে বন্চিত করনা। প্লিজ এ বিষয়ে অামাকে কেউ সঠিক পরামর্শ দিবেন। আমি খুবি অনুশোচনা বোধ করিতেছি।।।
বিভাগ: 
Share

2 টি উত্তর

আপনি কোনো চিন্তা করবেন না ভুল মানুষে এরী হয়  যা হয়েছে তা হল অতীত তা নিয়ে দুরচিন্তা করলে কোনো লাভ হবে না আর আল্লাহ অনেক দয়ালো তিনি বান্দার ডাক শুনেন ও বান্দকে যে কোনো পাপ ক্ষমা চাইলে তিনি  ক্ষমা করবেন  আর আপনি অবশ্যয় সঠিক ধম আছেন ইসলাম হল সঠিক ধম আর আপনি নিয়মিত নামাজ পড়বেন বাজে চিন্তা করবেন না  
কোরআনের বানীঃ আল্লাহ অবশ্যই সেসব লোকের তওবা কবুল করবেন যারা অজ্ঞতাবশতঃ মন্দ কাজ করে এবং তাড়াতাড়ি তওবা করে, এরাই তারা, যাদের তওবা আল্লাহ কবুল করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। (আন নিসাঃ ১৭) এ থেকে বাহ্যতঃ বোঝা যায়, অজ্ঞাতসারে এবং না জেনে-শুনে গোনাহ করলে তওবা কবুল হবে এবং জ্ঞাতসারে জেনে-শুনে গোনাহ করলে তওবা কবুল হবে না। কিন্তু সাহাবায়ে কেরাম এ আয়াতের যে তাফসীর করেছেন তা এই যে, এখানে আয়াতের (بِجَهَالَةٍ) অর্থ এই নয় যে, সে গোনাহর কাজটি যে গোনাহ, তা জানে না কিংবা গোনাহর ইচ্ছা নেই; বরং অর্থ এই যে, গোনাহর অশুভ পরিণাম ও আখেরাতের আযাবের ব্যাপারে গাফেল বা অসতর্কতাই তার গোনাহর কাজ করার কারণ; যদিও গোনাহটি যে গোনাহ, তা সে জানে এবং তার ইচ্ছাও করে। তওবার আক্ষরিক অর্থ ফিরে আসা। ইসলামী শরীয়তে এর অর্থ অতীত পাপকাজ থেকে ফিরে আসা এবং ভবিষষ্যতে তা না করার দৃঢ় সংকল্প করা। যেহেতু আপনি অজ্ঞতাবশত একটি গুরুতর পাপ কাজে লিপ্ত হয়ে ছিলেন। এবং যখন তা ভুল বুঝতে পারছেন খুব অনুতপ্ত হয়েছেন এতে আল্লাহ সেই পাপকে ক্ষমা করেছেন। আল্লাহ তায়ালা আরো বলেনঃ এমন লোকেদের তওবা নিস্ফল যারা গুনাহ করতেই থাকে, অতঃপর মৃত্যুর মুখোমুখী হলে বলে, আমি এখন তওবা করছি এবং তাদের জন্যও নয় যাদের মৃত্যু হয় কাফির অবস্থায়। এরাই তারা যাদের জন্য ভয়াবহ শাস্তির ব্যবস্থা করে রেখেছি। (আন নিসাঃ ১৮) জনাব! প্রশ্নে যে অভিমত ব্যক্ত করেছেন তা অনুযায়ী আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করেছেন। আল্লাহ আপনাকে সঠিক পথে থাকার তৌফিক দান করুন।

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ