1 টি উত্তর

আল্লাহ তাআলা বান্দার জন্য প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজকে ফরজ করে দিয়েছেন। নামাজ ফরজ হওয়া প্রসঙ্গে আল্লাহপাক বলেনঃ হে নবী! আমার বান্দাদের মধ্যে যারা মুমিন তাদের বলুন, নামাজ কায়েম করতে। (সূরা ইবরাহিম, আয়াতঃ ৩১)। অন্যত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন, তোমরা লোকদের সঙ্গে উত্তমভাবে কথা বলবে এবং নামাজ আদায় করবে। (সূরা বাকারাহ, আয়াতঃ ৮৩)। অন্যত্র আল্লাহ ইরশাদ করেন, তুমি বলে দাও, আমার রব ন্যায়বিচারের নির্দেশ দিয়েছেন। তোমরা প্রত্যেক নামাজের সময় তোমাদের মুখমণ্ডল স্থির রেখ। (সূরা আরাফ, আয়াতঃ ২৯)। অন্যত্র বলেন, অতএব, আল্লাহকে সিজদা কর এবং তার ইবাদত কর। (সূরা নাজম, আয়াতঃ ৬২)। সূরা বাকারার শুরুতে আল্লাহ তাআলা মুত্তাকীদের পরিচয় দিতে ইরশাদ করেন, যারা অদৃশ্যের বিষয়গুলোতে ইমান আনে এবং নামাজ কায়েম করে। (সূরা বাকারাহ, আয়াতঃ ৩)। আল্লাহ তাআলা নামাজের উপকার সম্পর্কে ইরশাদ করেন, এবং নামাজের পাবন্দি কর দিনের দুপ্রান্তে ও রাতের কিছু অংশে। নিঃসন্দেহে সৎ কাজসমূহ অসৎ কাজসমূহকে মিটিয়ে দেয়। (সূরা হূদ, আয়াতঃ ১১৪)। নামাজের ব্যাপক কল্যাণসমূহের উল্লেখযোগ্য একটি হলো নামাজ অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ইরশাদ করেন, নামাজের পাবন্দি কর। নিশ্চয় নামাজ অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে। (সূরা আনকাবুত, আয়াতঃ ৪৫)। অন্যত্র আল্লাহ ইরশাদ করেন, যারা কিতাবকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করে এবং নামাজ প্রতিষ্ঠা করে আমি এরূপ সৎকর্মশীলদের কর্মফল নষ্ট করি না। (সূরা আরাফ, আয়াত-১৭০)। অন্যত্র ইরশাদ করেন, মুমিনরা নামাজ আদায় করে, জাকাত আদায় করে এবং আল্লাহ ও তার রসুলের আদেশ মেনে চলে এসব লোকের প্রতি আল্লাহ অবশ্যই করুণা বর্ষণ করবেন। (সূরা তওবা, আয়াতঃ ৭১)। সূরা বাইয়্যিনাতে আম্বিয়ায়ে কেরামের দাওয়াতের দ্বিতীয় ধাপ স্বরূপ নামাজকে উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, তাদের এছাড়া কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি যে, তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহ তাআলার ইবাদত করবে এবং নামাজ কায়েম করবে। (সূরা বাইয়্যিনাহ, আয়াতঃ ৫)। যে ব্যক্তি ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ নামাজকে সব শর্তসহ খুশু-খুযুর সঙ্গে নবী তরিকায় আদায় করবে তার এই নামাজ তাকে সব ধরনের অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখবে। আর খুশু-খুযুর সঙ্গে নামাজ আদায়কারীদের সুসংবাদ দিয়ে আল্লাহ ইরশাদ করেন, নিশ্চয় সব মুমিন নামাজ আদায় করে।

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ