গোপনীয় বিষয়বস্তু সম্পর্কে?

 (5870 পয়েন্ট)

জিজ্ঞাসার সময়

আমার কিছু ভাল মন্দ প্রশ্ন আছে যা বাস্তব থেকে পেয়েছি। মাঝে মাঝে মন চাই প্রশ্নগুলো শেয়ার করি কিন্তু উপযুক্ত কাউকে পাইনা। আবার ভাবি না থাক, শেয়ার করা ঠিক হবেনা। এই মনোভাব থেকে কিভাবে বেরুতে পারি? কথা গুলো ভুলে যাওয়া উচিত হবে নাই শেয়ার করা উচিত হবে?

2 Answers

 (18073 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

দেখুন,আমরা সাধারণত আমাদের লাইফে ভুল মানুষকে বেছে নেই এবং তাকেই সব গোপন কথা এবং নিজের দুর্বলতার কথা বলে ফেলি। কিন্তু বিপদের দিন সেই ব্যক্তিই আমাদের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।  আপনি আপনার মনের কথাগুলি আপনার পিতামাতার কাছে শেয়ার করতে পারেন। তারা আপনার ক্ষতি চাইবে না কখনোই। কিন্তু বন্ধুদের শেয়ার করলে বিপদের দিনই আপনাকে তারা পেইন দিবে।তাই আমার মতামত হল কথা গুলি হয় পিতামাতার সাথে শেয়ার করুন,নইলে ভুলে যান। অন্যকে নিজের দুর্বলতা প্রকাশ করবেন না ভুলেও। এতে আপনি বারবার অপমানিত হবেন এবং বিপদে পড়বেন। যদি খুব বেশি খারাপ লাগে তাহলে ফাঁকা রুমে দরজা বন্ধ করে নিজের সাথে নিজে কথা বলার চেষ্টা করুন,প্রয়োজনে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে এটি করুন। দেখবেন আপনার মন থেকে বাড়তি ভার কমে যাবে।
 (15167 পয়েন্ট) 

উত্তরের সময় 

নিজের বিবেককের কাছে প্রশ্ন রাখুন যে কোন প্রশ্ন শেয়ার

করার মতো আর কোন প্রশ্ন ভুলে গেলে আপনার জন্য 

কল্যাণকর,  এতোটাও গবেষণা করতে হবে না এটা ভাবার জন্য।

আপনার কাছে যে বিষয় গুলো শেয়ার করতে ইচ্ছে হয় বা

একবার হলেও মন উকি দেয় সেই বিষয় গুলো শেয়ার করেন।


সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো: মনে রাখবেন " ব কথা সবাইকে বলা যায় না"।


আপনার কথা গুলো এমন কাউকে বলবেন না যে আপনার 

বিশ্বাসের সুযোগ নিতে পারে। এমন কোনো বন্ধুকে বলবেন যার

সাথে আপনার অন্তনিবিড় সম্পর্ক, তবে এখানে কোনো বিপরীত

লিঙ্গের বন্ধু না হওয়াটাই শ্রেয় সে যেমন লোকই বা বন্ধু হোক না

কেন।


আপনার সব কথা গুলো একবার মনে মনে নোট করেন এবং

যে কথা গুলো যাকে বলা  যায় সেভাবে বলুন। 

কিছু বিষয় আছে ছোট ভাই/বড় ভাইকেও বলা যায়, কিছু আছে

পিতা-মাতা কে বলা যায়। 

সবথেকে বড় কথা হলো আপনি যাকে বা যাদেরকে বলতে আগ্রহী বেশি তাদেরকেই বলবেন। এমন কাউকে আবার বলবেন না যার আপনার কথা শোনা বা বোঝার মতো সময়, ধোর্য বা জ্ঞান নেই বা আগ্রহ নেই। 


এখন আপনার সর্বপ্রথম কাজ হলো সঠিক মানুষকে মনে 

মনে টার্গেট করা আর তারপর তাদের বলা। 


আপনি যদি বলার মতো বিশ্বাস্য কাউকে মনে না করেন তাহলে আপনি আপাতোতো তেমন কাউকে না পাওয়া পর্যন্ত আপনার মনের জমা কথা গুলো পার্ট পার্ট করে ডায়েরিতে লিখুন, এতে

আপনার কিছুটা হলেও স্বস্থি হবে।



কথা গুলো যাকেই বলেন না কেন এমন ভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে বলবেন যেন যাকে বলছেন সে যদি আপনার ভবিষ্যৎ এ বন্ধু নাও থাকে আপনার কোনো সমস্যা হবে না।


সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ

Loading...

জনপ্রিয় বিভাগসমূহ

Loading...