বিজ্ঞাপন

শবে ক্বদরে রাতে কত রা'আকাত নামাজ পড়তে হয়,,,? শবে ক্বদরের রাতে কত রা'আকাত নামাজ পড়তে হয়,,,,? শবে ক্বদরের রাতে কত রা'আকাত নামাজ পড়তে হয়,,,,?
জিজ্ঞাসা করেছেন
বিভাগ:
3 টি উত্তর

যেভাবে আদায় করবেন শবে কদরের নামাজ

নফল নামাজ : ন্যূনতম বার রাকাত থেকে যত সম্ভব পড়া যেতে পারে। এ জন্য সাধারণত সুন্নতের নিয়মে ‘দুই রাকাত নফল পড়ছি’ এ নিয়তে নামাজ শুরু করে শেষ করতে হবে।

এ জন্য সূরা ফাতেহার সাথে আপনার জানা যেকোনো সূরা মেলালেই চলবে। বাজারে প্রচলিত কিছু বইয়ে ৩৩ বার সূরা আল কদর, ৩৩ বার ইখলাস ইত্যাদি উল্লেখ করা আছে। তবে সে নিয়মে পড়লেও অসুবিধার কারণ নেই।

হাদিস শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি ৪ রাকাত নামাজ ক্দরের রাতে আদায় করবে এবং উক্ত নামাজের প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর ২১ বার করে সূরা ইখলাছ পাঠ করবে, আল্লাহ তা’য়ালা ওই ব্যক্তিকে সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর ন্যায় নিষ্পাপ করে দেবেন এবং বেহেশতের মধ্যে এক মনোমুগ্ধকর মহল তৈরি করে দেবেন।

অপর এক হাদিসে বর্ণিত রয়েছে, হযরত রাসূল (সা.) এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি ক্দরের রজনীতে ৪ রাকাত নামাজ আদায় করবে এবং উহার প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর সূরা কদর ও সূরা ইখলাছ তিনবার করে পাঠ করবে, নামাজ শেষে সিজদায় গিয়ে নিম্নের দোয়াটি কিছু সময় পাঠ করে আল্লাহর দরবারে যা-ই প্রার্থনা করবে তিনি তাই কবুল করবেন এবং তার প্রতি অসংখ্য রহমত বর্ষিত করবেন।

দোয়াটি হলো : সুব্হানাল্লাহি ওয়ালহাম্দু লিল্লাহি ওয়া লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার।

ক্দরের নামাজের নিয়ত :
নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তায়া’লা রাকআ’তাই ছালাতি লাইলাতিল ক্বাদরি, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

জিকির ও দোয়া : হাদিসে যে দোয়া ও জিকিরের অধিক ফজিলতের কথা বলা হয়েছে, সেগুলো থেকে কয়েকটি নির্বাচিত করে অর্থ বুঝে বারবার পড়া যেতে পারে। ইস্তেগফার (মা প্রার্থনা) ও দরুদ আল্লাহর কাছে খুবই প্রিয়। কমপক্ষে ১০০ বার ইস্তেগফার ও ১০০ বার দরুদ পড়া যেতে পারে।

এ রাতে নীরবে-নিভৃতে কিছুটা সময় আত্মসমালোচনা করুন, দেখবেন আপনি সঠিক পথ খুঁজে পাবেন। আত্মসমালোচনা আমাদের বিবেককে জাগিয়ে তুলে। আত্মসমালোচনা আত্মশুদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

কদর হলো বছরের সর্বোত্তম রাত এবং এই রাতে পবিত্র আল কোরআন নাজিল হয়েছে। এই রাতে করা কোনো ভালো কাজ অন্য হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। এই হাজার মাসকে যদি ১২ দিয়ে ভাগ করা হয় তাহলে হিসাব দাঁড়ায় ৮৩ বছরের চেয়ে কিছু বেশি।

এই রাতে ইবাদত করার মর্যাদা সারাজীবন ইবাদত করার চেয়ে আরো অনেক বেশি। এটা এমন এক রাত যেখানে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত খোদার বিশেষ রহমত এবং শান্তি বর্ষিত হতে থাকে।

এই রাতে ইবাদত-বন্দেগি করে আল্লাহর কাছে গুনাহ মাফের জন্য প্রার্থনা করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। এ কারণে মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে সওয়াব হাসিল ও গুনাহ মাফের রাত হিসেবে শবে কদরের ফজিলত অতুলনীয়।


এটা নির্ভর করবে আপনার সংকল্পের ওপর। আপনি যদি মনে করেন - আমি শবে বরাতের নামাজ মোট ৫০ রাকাআত পড়বো, সেটাও হয়। আবার যদি বলেন - ২০, ৪০, ৬০, ৮০ ইত্যাদি রাকাআত বিদ্যমান রেখে পড়বো, তাও হবে, সমস্যা নাই।


তবে মুহাক্কিক ওলামায়ে কেরামগণ বলেছেনঃ শবে বরাতের রাতে সর্বনিম্ন ১০০ রাকাআত নামাজ আদায় করতে হবে। এর মাধ্যমে আল্লাহর ইবাদতের প্রতি মনোযোগ বৃদ্ধি করা সম্ভব। এছাড়াও, কেও যদি ১০০ রাকাআতের ওপরে কিংবা সারা রাতই নফল নামাজ আদায়ের মধ্যে কাটিয়ে দেয়, তাহলে সেটা আরো ভাল।

  ধন্যবাদ 

ভাই সবে ক্বদরের রাত্রে নির্দিষ্ট কোন নামাজ নেই। কেননা এই  রাত্রিতে নামাজ পড়া হলো নফল ইবা্দত, তাই আপনি যত রাকাত ইচ্ছা পড়তে পারেন। অথবা পূর্ববর্তী কাযা নামাজ গুলো পড়তে পারেন। বিস্তারিত জানতে এই লিংকে  প্রবেষ করুণ,        https://www.google.com/url?sa=t&rct=j&q=&esrc=s&source=web&cd=9&cad=rja&uact=8&ved=2ahUKEwiaj928r8LiAhUXA3IKHXyWDgQQFjAIegQIARAB&url=https%3A%2F%2Fwww.youtube.com%2Fwatch%3Fv%3D88bJ1iDGg4s&usg=AOvVaw1qsOYWITUb581I3cE-9_cV
বিজ্ঞাপন